
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের অদূরে অবস্থিত একটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ‘এমেক হা-এলা’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই ‘সফল’ অভিযানের ফলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড এবং বিভিন্ন এয়ারবেসের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মূল হাব হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই স্যাটেলাইট সেন্টারটি ধ্বংস হওয়া ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় ধাক্কা, কারণ এটি তাদের মহাকাশভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের অন্যতম ভিত্তি ছিল।
তেল আবিবের দক্ষিণ প্রান্তের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন আঘাত হানার পর ওই এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ‘শহিদ’ নেতাদের রক্তের বদলা নিতে তারা সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এই হামলাকে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় সামরিক কমান্ডারের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতেই এই সামরিক পালটা জবাব দিচ্ছে তেহরান।
গত কয়েকদিন ধরে ইরান ও তার মিত্রশক্তিগুলো ইসরায়েলি ভূখণ্ড এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘাতের এই চরম পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, জায়নবাদী শাসকের যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা ‘ভুল’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের অদূরে অবস্থিত একটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ‘এমেক হা-এলা’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই ‘সফল’ অভিযানের ফলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড এবং বিভিন্ন এয়ারবেসের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মূল হাব হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই স্যাটেলাইট সেন্টারটি ধ্বংস হওয়া ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় ধাক্কা, কারণ এটি তাদের মহাকাশভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের অন্যতম ভিত্তি ছিল।
তেল আবিবের দক্ষিণ প্রান্তের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন আঘাত হানার পর ওই এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ‘শহিদ’ নেতাদের রক্তের বদলা নিতে তারা সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এই হামলাকে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় সামরিক কমান্ডারের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতেই এই সামরিক পালটা জবাব দিচ্ছে তেহরান।
গত কয়েকদিন ধরে ইরান ও তার মিত্রশক্তিগুলো ইসরায়েলি ভূখণ্ড এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘাতের এই চরম পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, জায়নবাদী শাসকের যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা ‘ভুল’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সমর্থনে ইরানজুড়ে বড় ধরনের সমাবেশে অংশ নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং নতুন নেতৃত্বের ক্ষমতা গ্রহণের এই উত্তাল সময়ে ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশ্বজুড়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার অনুপ্রবেশকারী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর পেজেশকিয়ানকে টেলিফোন করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ইরানের বেপরোয়া ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কারণে এই যুদ্ধে কোনো পক্ষে না থাকা সত্ত্বেও তুরস্কের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকিতে আছে। বন্ধু ও ভাতৃপ্রতিম দেশগুলোতে হামলায় কারো কোনো স্বার্থ আদায় হবে না এবং আঙ্কারা কখনও এ ধরন
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ এবার আরও ঘনীভূত হলো। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো প্রকার কূটনৈতিক সমঝোতার পথ প্রত্যাখ্যান করে এবার সরাসরি দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের ঘোষণা দিল ইরান।
৬ ঘণ্টা আগে