
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে শুধু ফুটবলপ্রেমীদের নয়, বিশ্বনেতাদেরও আগ্রহ তুঙ্গে। রোববার নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফাইনাল মাঠে বসে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। গ্যালারিতে থাকবেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রানি লেতিসিয়া ও তাদের দুই কন্যা।
স্পেন সরকার ও দেশটির রাজপ্রাসাদের সূত্রের বরাতে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সমাজতান্ত্রিক নেতা পেদ্রো সানচেজ ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তাই তার যুক্তরাষ্ট্র সফর রাজনৈতিকভাবেও আলোচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণ পেয়েও প্রেসিডেন্ট ভবন থেকেই খেলা দেখবেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। বুয়েনস আইরেসের একটি স্থানীয় রেডিওকে মিলেই জানিয়েছেন, আগের সব ম্যাচের মতো ফাইনালও প্রেসিডেন্ট ভবন ‘অলিভোস’-এ বসেই দেখবেন। কুসংস্কারের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তার এক কথার উত্তর, ‘হ্যাঁ’।
মিলেইর বিশ্বাসের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার সাতটি ম্যাচই তিনি প্রেসিডেন্ট ভবনে বসে দেখেছেন এবং প্রতিটি ম্যাচেই দল জিতেছে। তাই ফাইনালের আগে সেই রুটিন বদলাতে চান না তিনি। একই সঙ্গে ‘সৌভাগ্যে’র প্রতীক হিসেবে ফাইনালেও পরবেন তার পরিচিত ভারী জ্যাকেট।
আর্জেন্টিনায় ‘কাবালাস’ নামে পরিচিত সৌভাগ্যের নানা রীতি দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়। কেউ পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে একই জার্সি না ধুয়ে পরেন, কেউ প্রতিটি ম্যাচ একই আসনে বসে দেখেন। আবার কেউ বিশ্বাস করেন, নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি খেলা দেখলে দল হেরে যায়। বিশ্বকাপ চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা গোল করার সঙ্গে সঙ্গেই একদল সমর্থক বাইবেল থেকে পাঠ শুরু করেন। তাদের বিশ্বাস, এমন রীতি বজায় রাখলে সৌভাগ্যও বজায় থাকে।
এই বিশ্বাসের প্রভাব দেশটির রাজনীতিতেও রয়েছে। ১৯৯০ বিশ্বকাপের আগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেম জাতীয় দলের সঙ্গে দেখা করার পর উদ্বোধনী ম্যাচে দিয়েগো মারাদোনার আর্জেন্টিনা ক্যামেরুনের কাছে হেরে যায়। এরপর থেকেই দেশটিতে একটি ধারণা ছড়িয়ে পড়ে—ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির মাঠে উপস্থিতি জাতীয় দলের জন্য অশুভ হতে পারে। সেই বিশ্বাসের ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরেই আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতিরা বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থাকা এড়িয়ে চলেন। এবারও সেই পথই বেছে নিয়েছেন হাভিয়ের মিলেই।

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে শুধু ফুটবলপ্রেমীদের নয়, বিশ্বনেতাদেরও আগ্রহ তুঙ্গে। রোববার নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফাইনাল মাঠে বসে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। গ্যালারিতে থাকবেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রানি লেতিসিয়া ও তাদের দুই কন্যা।
স্পেন সরকার ও দেশটির রাজপ্রাসাদের সূত্রের বরাতে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সমাজতান্ত্রিক নেতা পেদ্রো সানচেজ ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তাই তার যুক্তরাষ্ট্র সফর রাজনৈতিকভাবেও আলোচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণ পেয়েও প্রেসিডেন্ট ভবন থেকেই খেলা দেখবেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। বুয়েনস আইরেসের একটি স্থানীয় রেডিওকে মিলেই জানিয়েছেন, আগের সব ম্যাচের মতো ফাইনালও প্রেসিডেন্ট ভবন ‘অলিভোস’-এ বসেই দেখবেন। কুসংস্কারের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তার এক কথার উত্তর, ‘হ্যাঁ’।
মিলেইর বিশ্বাসের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার সাতটি ম্যাচই তিনি প্রেসিডেন্ট ভবনে বসে দেখেছেন এবং প্রতিটি ম্যাচেই দল জিতেছে। তাই ফাইনালের আগে সেই রুটিন বদলাতে চান না তিনি। একই সঙ্গে ‘সৌভাগ্যে’র প্রতীক হিসেবে ফাইনালেও পরবেন তার পরিচিত ভারী জ্যাকেট।
আর্জেন্টিনায় ‘কাবালাস’ নামে পরিচিত সৌভাগ্যের নানা রীতি দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়। কেউ পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে একই জার্সি না ধুয়ে পরেন, কেউ প্রতিটি ম্যাচ একই আসনে বসে দেখেন। আবার কেউ বিশ্বাস করেন, নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি খেলা দেখলে দল হেরে যায়। বিশ্বকাপ চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা গোল করার সঙ্গে সঙ্গেই একদল সমর্থক বাইবেল থেকে পাঠ শুরু করেন। তাদের বিশ্বাস, এমন রীতি বজায় রাখলে সৌভাগ্যও বজায় থাকে।
এই বিশ্বাসের প্রভাব দেশটির রাজনীতিতেও রয়েছে। ১৯৯০ বিশ্বকাপের আগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেম জাতীয় দলের সঙ্গে দেখা করার পর উদ্বোধনী ম্যাচে দিয়েগো মারাদোনার আর্জেন্টিনা ক্যামেরুনের কাছে হেরে যায়। এরপর থেকেই দেশটিতে একটি ধারণা ছড়িয়ে পড়ে—ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির মাঠে উপস্থিতি জাতীয় দলের জন্য অশুভ হতে পারে। সেই বিশ্বাসের ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরেই আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতিরা বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থাকা এড়িয়ে চলেন। এবারও সেই পথই বেছে নিয়েছেন হাভিয়ের মিলেই।

এবার আর প্যারিসে নয়, ইংল্যান্ডের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসর। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ মৌসুমের সেরা ফুটবলার, কোচ ও ক্লাবদের পুরস্কৃত করা হবে।
৭ দিন আগে
ফিফার নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ ছিল সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে ক্লাবগুলোকে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে হয় এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এরপর অর্থ পরিশোধের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথি ফিফার কাছে জমা দেওয়া হয়। ফিফা এসব নথি যাচাই করে সন্তু
৮ দিন আগে
দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
১০ দিন আগে
এই চুক্তিতে নির্ধারিত ট্রান্সফার ফি-র পাশাপাশি ভবিষ্যতে মার্তিনেলিকে অন্য কোনো ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আর্সেনাল পাবে বলেও চুক্তি স্বাক্ষর শেষে নিশ্চিত করেছে সৌদি ক্লাবটি। এর আগে ২০১৭ সালে অক্সলেড-চেম্বারলিনকে লিভারপুলের কাছে বিক্রির সময় প্রাপ্ত অর্থই ছিল গানার্সদের ট্রান্সফ
১১ দিন আগে