
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে ওঠা নানা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফিফার কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা বা সহজ সূচির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, মাঠের পারফরম্যান্সেই আর্জেন্টিনা ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মেসি বলেন, ‘গত চার বছর ধরে আমরাই সেরা দল। সেটা কারও ভালো লাগতে পারে, নাও লাগতে পারে। কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা আবারও নিজেদের প্রমাণ করেছি। বিশ্বকাপের সেরা দুই দলের একটি আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে ফাঁকতালে পাওয়ার কিছু নেই। আর্জেন্টিনাকে কেউ কিছু পাইয়ে দেয়নি।’
বিশ্বকাপে পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারায় সম্ভাব্য ‘মেসি-রোনালদো’ ফাইনাল হয়নি। এরপর নকআউট পর্বে কয়েকটি ম্যাচে রেফারি ও ভিএআরের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই ঘটনাগুলোর পর থেকেই আর্জেন্টিনাকে নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়। তবে এসব অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না মেসি।
পরপর দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব নিয়েও কথা বলেন তিনি। মেসির ভাষ্য, ‘খুব কম দলই টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে পেরেছে। আমাদের দল সেটা করেছে। আমরা যদি ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতাম, তাহলে অনেকেই অযৌক্তিক কথা বলার সুযোগ পেত। আমরা তাদের সেই সুযোগ দিইনি।’
আর্জেন্টিনার এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মেসির মতোই আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সমালোচনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, দলের পুরো মনোযোগ মাঠের লড়াই ও কৌশল বাস্তবায়নে। বাইরের আলোচনা তাদের ভাবাচ্ছে না।
সব বিতর্ক পেছনে ফেলে এখন স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রস্তুতিতে মনোযোগী আর্জেন্টিনা। শিরোপা জিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করতে চান মেসি ও তার সতীর্থরা।

বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে ওঠা নানা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফিফার কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা বা সহজ সূচির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, মাঠের পারফরম্যান্সেই আর্জেন্টিনা ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মেসি বলেন, ‘গত চার বছর ধরে আমরাই সেরা দল। সেটা কারও ভালো লাগতে পারে, নাও লাগতে পারে। কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা আবারও নিজেদের প্রমাণ করেছি। বিশ্বকাপের সেরা দুই দলের একটি আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে ফাঁকতালে পাওয়ার কিছু নেই। আর্জেন্টিনাকে কেউ কিছু পাইয়ে দেয়নি।’
বিশ্বকাপে পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারায় সম্ভাব্য ‘মেসি-রোনালদো’ ফাইনাল হয়নি। এরপর নকআউট পর্বে কয়েকটি ম্যাচে রেফারি ও ভিএআরের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই ঘটনাগুলোর পর থেকেই আর্জেন্টিনাকে নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়। তবে এসব অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না মেসি।
পরপর দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব নিয়েও কথা বলেন তিনি। মেসির ভাষ্য, ‘খুব কম দলই টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে পেরেছে। আমাদের দল সেটা করেছে। আমরা যদি ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতাম, তাহলে অনেকেই অযৌক্তিক কথা বলার সুযোগ পেত। আমরা তাদের সেই সুযোগ দিইনি।’
আর্জেন্টিনার এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মেসির মতোই আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সমালোচনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, দলের পুরো মনোযোগ মাঠের লড়াই ও কৌশল বাস্তবায়নে। বাইরের আলোচনা তাদের ভাবাচ্ছে না।
সব বিতর্ক পেছনে ফেলে এখন স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রস্তুতিতে মনোযোগী আর্জেন্টিনা। শিরোপা জিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করতে চান মেসি ও তার সতীর্থরা।

আবার কামব্যাকের মহাকাব্য লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ দিকে এসে একের পর এক আক্রমণভাগের খেলোয়াড় নামালেন আলবিসেলেস্তের কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি সম্পূর্ণ চলে গেলেন প্লেমেকার কাম রাইট উইংগারের রোলে। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে সেই মেসি গড়ে দিলেন দুটি অ্যাসিস্ট। তা থেকে লক্ষ্যভেদ করলেন এনজো ফের্নান্দেস ও লাউতারো ম
১ দিন আগে
হ্যাঁ, বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র চতুর্থ দল হিসেবে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে খেলবে এবার। এর আগে কেবল ব্রাজিল, ফ্রান্স আর ইতালি— এই তিনটি দলই ব্যাক-টু-ব্যাক ফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করেছে।
১ দিন আগে
মেসি সম্পূর্ণ চলে গেলেন প্লেমেকার কাম রাইট উইংগারের রোলে। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে সেই মেসি গড়ে দিলেন দুটি অ্যাসিস্ট। তা থেকে লক্ষ্যভেদ করলেন এনজো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্টিনেজ। প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ইংলিশদের ৬০ বছরের অপেক্ষাকে আরও দীর্ঘায়িত করে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে গেল আলবিসেলেস্তেরা।
২ দিন আগে
ফেয়ারস্কয়ারের দাবি, এ ঘটনার মাধ্যমে ইনফান্তিনো রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন, যা আইওসির নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর অলিম্পিক চার্টার ও আইওসি নৈতিকতা বিধিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব বিধি ভঙ্গ করলে আইওসি সদস্যপদ
২ দিন আগে