
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপের আর মাত্র এক ধাপ দূরে স্পেন। রোববারের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে লা ফুরিয়া রোজা। তবে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো উদযাপনে মেতে উঠতে নারাজ দলটি।
স্পেন শিবিরে এখন একটাই বার্তা—কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। দলের অধিনায়ক রদ্রি হার্নান্দেজ শুরু থেকেই বলে আসছেন, তার একমাত্র লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা। টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা ছন্দহীন থাকলেও নকআউট পর্বে তিনি দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়েছেন। মাঠের ভেতরে যেমন খেলা নিয়ন্ত্রণ করছেন, তেমনি ড্রেসিংরুমেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
স্পেনের ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ার্সাবাল বলেন, টুর্নামেন্টের শুরুতে দলের যে শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী মানসিকতা ছিল, সেটাই এখনো বজায় আছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচের পর পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলেও তারা নিজেদের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেননি।
ফাইনালে ওঠার পরও স্পেন শিবিরে বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই। খেলোয়াড়দের মনোযোগ পুরোপুরি ফাইনালকে ঘিরে। প্রতিটি ম্যাচের পর স্বল্প সময় উদযাপন করে তারা দ্রুত পরবর্তী চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতিতে মন দিয়েছেন।
রদ্রি বলেন, সবচেয়ে কঠিন কাজটি এখনো বাকি। সবাই জানে কী অর্জন করা সম্ভব, তবে তারা ধাপে ধাপে এগোতে চায়। বিশ্বকাপে কোনো ভুলের সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিও একই সুরে কথা বলেছেন। তার ভাষায়, ফাইনালে ওঠা অবশ্যই গর্বের, কিন্তু এখনো মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। তাই পুরো দল শান্ত থেকে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কুবার্সি বলেন, সামনে বিশেষ একটি ম্যাচ অপেক্ষা করছে। ছোটবেলায় বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পাওয়া অবিশ্বাস্য। এখন তাদের একটাই লক্ষ্য, মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেওয়া।
রোববারের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জিতেই উদযাপন শুরু করতে চায় স্পেন। তার আগে কোনো উদযাপন নয়, পুরো মনোযোগ শুধু শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে।

বিশ্বকাপের আর মাত্র এক ধাপ দূরে স্পেন। রোববারের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে লা ফুরিয়া রোজা। তবে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো উদযাপনে মেতে উঠতে নারাজ দলটি।
স্পেন শিবিরে এখন একটাই বার্তা—কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। দলের অধিনায়ক রদ্রি হার্নান্দেজ শুরু থেকেই বলে আসছেন, তার একমাত্র লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা। টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা ছন্দহীন থাকলেও নকআউট পর্বে তিনি দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়েছেন। মাঠের ভেতরে যেমন খেলা নিয়ন্ত্রণ করছেন, তেমনি ড্রেসিংরুমেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
স্পেনের ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ার্সাবাল বলেন, টুর্নামেন্টের শুরুতে দলের যে শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী মানসিকতা ছিল, সেটাই এখনো বজায় আছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচের পর পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলেও তারা নিজেদের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেননি।
ফাইনালে ওঠার পরও স্পেন শিবিরে বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই। খেলোয়াড়দের মনোযোগ পুরোপুরি ফাইনালকে ঘিরে। প্রতিটি ম্যাচের পর স্বল্প সময় উদযাপন করে তারা দ্রুত পরবর্তী চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতিতে মন দিয়েছেন।
রদ্রি বলেন, সবচেয়ে কঠিন কাজটি এখনো বাকি। সবাই জানে কী অর্জন করা সম্ভব, তবে তারা ধাপে ধাপে এগোতে চায়। বিশ্বকাপে কোনো ভুলের সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিও একই সুরে কথা বলেছেন। তার ভাষায়, ফাইনালে ওঠা অবশ্যই গর্বের, কিন্তু এখনো মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। তাই পুরো দল শান্ত থেকে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কুবার্সি বলেন, সামনে বিশেষ একটি ম্যাচ অপেক্ষা করছে। ছোটবেলায় বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পাওয়া অবিশ্বাস্য। এখন তাদের একটাই লক্ষ্য, মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেওয়া।
রোববারের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জিতেই উদযাপন শুরু করতে চায় স্পেন। তার আগে কোনো উদযাপন নয়, পুরো মনোযোগ শুধু শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে ওই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
৬ দিন আগে
আজ রোববার ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত সাফ কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর সংস্থাটির শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখলেন তিনি।
৮ দিন আগে
প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
৮ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
৮ দিন আগে