
ক্রীড় ডেস্ক

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে ঢাকা আসছেন টমাস ডুলি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে সই করতে আজ শুক্রবার সকালেই তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাফুফে জানিয়েছে, বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে টমাস ডুলিকে নিয়োগ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে একটি দল গঠন এবং আন্তর্জাতিক স্তরে দলের ফলাফল উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।
দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করা হাভিয়ের কাবরেরার বিদায়ের পর, গত এপ্রিলের শুরুতে নতুন কোচের খোঁজে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বাফুফে। সেখানে প্রায় ২৭০ জন প্রার্থী আবেদন করেন। একপর্যায়ে ওয়েলসের ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে আলোচনা হলেও এজেন্টের ফি নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় আলোচনা ভেস্তে যায়। এরপরই বাফুফের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে চলে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অধিনায়ক টমাস ডুলি।
সম্প্রতি বাফুফে সভাপতি তাবিথ আওয়াল জানিয়েছিলেন, আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ২৪ মে থেকে জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে। নতুন কোচ এই ক্যাম্প শুরুর আগেই চলে আসবেন।
জার্মান ও মার্কিন দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী টমাস ডুলি ফুটবল মাঠে এক অত্যন্ত পরিচিত ও সফল নাম। খেলোয়াড় হিসেবে বুন্দেসলিগায় রক্ষণভাগ ও মধ্যমাঠে দীর্ঘ ১৬ বছর দাপটের সঙ্গে খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৯১ সালে এফসি কাইসারস্লটার্নের হয়ে লিগ শিরোপা এবং ১৯৯৭ সালে শালকে ০৪-এর হয়ে উয়েফা কাপ জয়ের অনন্য কীর্তি রয়েছে তার ঝুলিতে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ৮১টি ম্যাচ খেলেছেন ডুলি। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার পর ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে তিনি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ফুটবলে এমন অসামান্য অবদানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল সকার হল অব ফেমে’ তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়ে এসেও ইতিহাস গড়েন ডুলি। জার্মানির ক্লাব এফসি সারব্রুকেনের দায়িত্ব নিয়ে তিনিই প্রথম আমেরিকান হিসেবে ইউরোপের কোনো পেশাদার ক্লাবের কোচ হন। পরবর্তীতে তিনি মার্কিন জাতীয় দলে কিংবদন্তি কোচ ইউর্গেন ক্লিন্সম্যানের সহকারী হিসেবেও কাজ করেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলেও তার দারুণ সুনাম রয়েছে। বিশেষ করে ফিলিপাইন জাতীয় দলের সঙ্গে কাটানো চার বছর ছিল বেশ সফল। তার অধীনেই ফিলিপাইন অপরাজিত থেকে ২০১৯ সালের এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার ঐতিহাসিক যোগ্যতা অর্জন করেছিল। তার হাত ধরেই ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায় ফিলিপাইন।
এ ছাড়া মালয়েশিয়ার শ্রী পাহাং এফসি এবং ভিয়েতনামের ভিয়েটেল এফসির প্রধান কোচ ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে উয়েফা প্রো লাইসেন্সধারী এই কোচের। ভিয়েটেল এফসিকে তিনি লিগ শিরোপাও জিতিয়েছিলেন। বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার আগে সর্বশেষ ৯ মাস তিনি গায়ানা জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে ঢাকা আসছেন টমাস ডুলি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে সই করতে আজ শুক্রবার সকালেই তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাফুফে জানিয়েছে, বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে টমাস ডুলিকে নিয়োগ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে একটি দল গঠন এবং আন্তর্জাতিক স্তরে দলের ফলাফল উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।
দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করা হাভিয়ের কাবরেরার বিদায়ের পর, গত এপ্রিলের শুরুতে নতুন কোচের খোঁজে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বাফুফে। সেখানে প্রায় ২৭০ জন প্রার্থী আবেদন করেন। একপর্যায়ে ওয়েলসের ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে আলোচনা হলেও এজেন্টের ফি নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় আলোচনা ভেস্তে যায়। এরপরই বাফুফের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে চলে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অধিনায়ক টমাস ডুলি।
সম্প্রতি বাফুফে সভাপতি তাবিথ আওয়াল জানিয়েছিলেন, আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ২৪ মে থেকে জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে। নতুন কোচ এই ক্যাম্প শুরুর আগেই চলে আসবেন।
জার্মান ও মার্কিন দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী টমাস ডুলি ফুটবল মাঠে এক অত্যন্ত পরিচিত ও সফল নাম। খেলোয়াড় হিসেবে বুন্দেসলিগায় রক্ষণভাগ ও মধ্যমাঠে দীর্ঘ ১৬ বছর দাপটের সঙ্গে খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৯১ সালে এফসি কাইসারস্লটার্নের হয়ে লিগ শিরোপা এবং ১৯৯৭ সালে শালকে ০৪-এর হয়ে উয়েফা কাপ জয়ের অনন্য কীর্তি রয়েছে তার ঝুলিতে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ৮১টি ম্যাচ খেলেছেন ডুলি। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার পর ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে তিনি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ফুটবলে এমন অসামান্য অবদানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল সকার হল অব ফেমে’ তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়ে এসেও ইতিহাস গড়েন ডুলি। জার্মানির ক্লাব এফসি সারব্রুকেনের দায়িত্ব নিয়ে তিনিই প্রথম আমেরিকান হিসেবে ইউরোপের কোনো পেশাদার ক্লাবের কোচ হন। পরবর্তীতে তিনি মার্কিন জাতীয় দলে কিংবদন্তি কোচ ইউর্গেন ক্লিন্সম্যানের সহকারী হিসেবেও কাজ করেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলেও তার দারুণ সুনাম রয়েছে। বিশেষ করে ফিলিপাইন জাতীয় দলের সঙ্গে কাটানো চার বছর ছিল বেশ সফল। তার অধীনেই ফিলিপাইন অপরাজিত থেকে ২০১৯ সালের এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার ঐতিহাসিক যোগ্যতা অর্জন করেছিল। তার হাত ধরেই ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায় ফিলিপাইন।
এ ছাড়া মালয়েশিয়ার শ্রী পাহাং এফসি এবং ভিয়েতনামের ভিয়েটেল এফসির প্রধান কোচ ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে উয়েফা প্রো লাইসেন্সধারী এই কোচের। ভিয়েটেল এফসিকে তিনি লিগ শিরোপাও জিতিয়েছিলেন। বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার আগে সর্বশেষ ৯ মাস তিনি গায়ানা জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পর্তুগিজ এই কোচের মতে, কোনো ফাউল হয়ে থাকলে সেটি খেলা চলাকালীনই নির্ধারণ করা উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর ভিডিও প্রযুক্তির সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তা বাতিল করা ফুটবলের স্বাভাবিক ধারার সঙ্গে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার পর এবার সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট— দুটিই করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে রেকর্ডগড়া এই ম্যাচেই পেনাল্টি মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত নজিরও গড়েছেন তিনি।
২ দিন আগে
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
২ দিন আগে
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
৩ দিন আগে