
ক্রীড়া ডেস্ক

একমাত্র টেস্টের মতো ওয়ানডে সিরিজেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের হতশ্রী পারফরম্যান্স অব্যাহত রয়েছে। আর তার মাশুল গুনতে হলো সিরিজ হেরে। ২৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচ হারল ১৩ রানে। তাতে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজ নিশ্চিত করল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশি ব্যাটাররা এমন ব্যাটিংয়ের ‘ধারাবাহিকতা’ ধরে রাখলে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারে স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ায় সিরিজ বাঁচাতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না মিরাজদের সামনে। কিন্তু প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটাররা তুমুল ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৯ রান তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ১৪ ওভারে তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৭৯ রান। আস্কিং রান রেট সাড়ে ৫-এর কিছুটা বেশি। কিন্তু ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতেই অলআউট বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ১৩ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সৌম্য সরকার, তার সংগ্রহ ছিল ১০ বলে ৫ রান। ১৬ বলে ৯ রান করে নবম ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের রান তখন ৩৮।
তৃতীয় উইকেটে তানজিদ তামিম আর তাওহীদ হৃদয় বিপর্যয় সামাল দেন ১০৮ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়ে। ২৭তম ওভারে তানজিদ আউট হয়ে গেলে জুটি ভাঙে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেছিলেন ৭০ বলে ৫৭ রান।
এরপর নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে হৃদয় ৫৮ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন। তখনো জয় নাগালেই ছিল বাংলাদেশের। ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে হৃদয়ের আউটে মড়কের শুরু। এরপর আর থামানো যায়নি বাংলাদেশি ব্যাটারদের প্যাভিলিয়নে ফেরার মিছিল। জিম্বাবুয়ের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান আটকে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত উইকেটও তুলে নিতে থাকেন।
৯০ বলে ৬০ রান করে হৃদয় ফিরে গিয়েছিলেন ড্রেসিং রুমে। পরের ওভারেই আউট হয়ে যান মোসাদ্দেক সৈকত (৯ বলে ৭ রান)। ৪২তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ২০৭ রানের মাথায় সোহানও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন, ৪১ বলে ৩৮ করেছিলেন তিনি।
শেষ ৮ ওভারে তখন দলের প্রয়োজন ৪১ রান, হাতে ৪ উইকেট। মিরাজ-রিশাদ-তাসকিনরা সেই রান নিতে পারেননি। ৪৬তম ওভারে রিশাদ হোসেন আউট হয়ে যান ১৫ বলে ৮ রান করে। পরের ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তাসকিনও, ২ বল খেলে কোনো রান সংগ্রহ করতে পারেননি তিনি। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে ক্লিন বোল্ড হয়ে যান শরিফুল ইসলামও, ৪ বলে ৬ রান নিয়েছিলেন তিনি।
শেষ ২ ওভারে দলের প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। তখনো শেষ ভরসা হয়ে ক্যাপ্টেন মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ৩২ বলে ২৭ রান করে। কিন্তু ৪৯তম ওভারের প্রথম বলেই এনগারাভার বলে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান মিরাজ। টানা ৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩ রানের পরাজয় বরণ করে বাংলাদেশ। সিরিজ খোয়ানোও নিশ্চিত হয়।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৯ ওভার ১ বলে ৫৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার রিচার্ড এনগারাভা। ব্লেসিং মুজারাবানি ১০ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে এবং ব্র্যাড ইভানস ৯ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন সিকান্দার রাজা, ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েসলি মাধভিয়ার।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়েও সুবিধা করতে পারেনি। প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটের উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। নিজের দ্বিতীয় আর ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ইনোসেন্ট কাইয়ার উইকেটও তুলে নেন তিনি। দলের নবম ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে ক্রেইগ আরভিনের উইকেট তুলে নেন তরুণ সেনসেশন নাহিদ রানা। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন চাপে জিম্বাবুয়ে।
আরেক ওপেনার বেন কারান তখনো একপাশে অপরাজিত। চতুর্থ উইকেটে মাধভিয়ারকে নিয়ে ৪৫ বলে ৩৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ১৭তম ওভারে ৬৬ রানের মাথায় মাধভিয়ার আউট হয়ে গেলে পঞ্চম উইকেটে তিনি সঙ্গী পান সিকান্দার রাজাকে, গড়েন ৯৫ বলে ৬৮ রানের জুটি। ২৮ বল আর ১৪ রানের ব্যবধানে সিকান্দার রাজার পাশাপাশি ক্লাইভ ম্যাডান্ডেও আউট হয়ে গেলে জিম্বাবুয়ের বড় রানের সংগ্রহের স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসছিল। কারণ ৩৬ ওভার ৫ বলে তখন দলের সংগ্রহ মাত্র ১৪৮।
সেখান থেকে ব্র্যাড ইভানসকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ বলে ৯৯ রানের জুটি গড়ে আড়াই শ ছুঁই ছুঁই স্কোর সংগ্রহ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। এই সময়ে বাংলাদেশি বোলারদের রীতিমতো কচুকাটা করেন ইভানস। দুই বাউন্ডারির পাশাপাশি ৫টি ছক্কায় তিনি ৩৮ বলে ৫৮ রান সংগ্রহ করে অপরাজিত থাকেন। অন্যপ্রান্তে ১৩৫ বলে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন বেন কারান।
জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে নবম ব্যাটার হিসেবে কারান ‘ক্যারিং ব্যাট থ্রু দ্য ইনিংস’ তথা গোটা ৫০ ওভার ব্যাট করে অপরাজিত থাকেন। ১৯৯২ সালে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার প্রথম জিম্বাবুইয়ান ব্যাটার হিসেবে এমন নজির স্থাপন করেছিলেন শ্রীলংকার বিপক্ষে। ১৯৯৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একই ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন তার ভাই গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার। এরপর নেইল জনসন, অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেল, ক্রেইগ উইশার্ট, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, ব্রেন্ডন টেইলর ও সবশেষ গত বছর ব্রায়ান বেনেট গোটা ৫০ ওভার ব্যাট করার নজির স্থাপন করেছিলেন।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন। গোটা ৫০ ওভার ব্যাট করে শতক তুলে নেওয়া কারান পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
হারারে স্টেডিয়ামেই আগামী শনিবার (১১ জুলাই) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। সে ম্যাচে হারলে জিম্বাবুয়ের মাটি থেকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা নিয়ে ফিরতে হবে মিরাজ অ্যান্ড কোম্পানিকে।

একমাত্র টেস্টের মতো ওয়ানডে সিরিজেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের হতশ্রী পারফরম্যান্স অব্যাহত রয়েছে। আর তার মাশুল গুনতে হলো সিরিজ হেরে। ২৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচ হারল ১৩ রানে। তাতে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজ নিশ্চিত করল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশি ব্যাটাররা এমন ব্যাটিংয়ের ‘ধারাবাহিকতা’ ধরে রাখলে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারে স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ায় সিরিজ বাঁচাতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না মিরাজদের সামনে। কিন্তু প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটাররা তুমুল ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৯ রান তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ১৪ ওভারে তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৭৯ রান। আস্কিং রান রেট সাড়ে ৫-এর কিছুটা বেশি। কিন্তু ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতেই অলআউট বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ১৩ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সৌম্য সরকার, তার সংগ্রহ ছিল ১০ বলে ৫ রান। ১৬ বলে ৯ রান করে নবম ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের রান তখন ৩৮।
তৃতীয় উইকেটে তানজিদ তামিম আর তাওহীদ হৃদয় বিপর্যয় সামাল দেন ১০৮ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়ে। ২৭তম ওভারে তানজিদ আউট হয়ে গেলে জুটি ভাঙে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেছিলেন ৭০ বলে ৫৭ রান।
এরপর নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে হৃদয় ৫৮ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন। তখনো জয় নাগালেই ছিল বাংলাদেশের। ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে হৃদয়ের আউটে মড়কের শুরু। এরপর আর থামানো যায়নি বাংলাদেশি ব্যাটারদের প্যাভিলিয়নে ফেরার মিছিল। জিম্বাবুয়ের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান আটকে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত উইকেটও তুলে নিতে থাকেন।
৯০ বলে ৬০ রান করে হৃদয় ফিরে গিয়েছিলেন ড্রেসিং রুমে। পরের ওভারেই আউট হয়ে যান মোসাদ্দেক সৈকত (৯ বলে ৭ রান)। ৪২তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ২০৭ রানের মাথায় সোহানও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন, ৪১ বলে ৩৮ করেছিলেন তিনি।
শেষ ৮ ওভারে তখন দলের প্রয়োজন ৪১ রান, হাতে ৪ উইকেট। মিরাজ-রিশাদ-তাসকিনরা সেই রান নিতে পারেননি। ৪৬তম ওভারে রিশাদ হোসেন আউট হয়ে যান ১৫ বলে ৮ রান করে। পরের ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তাসকিনও, ২ বল খেলে কোনো রান সংগ্রহ করতে পারেননি তিনি। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে ক্লিন বোল্ড হয়ে যান শরিফুল ইসলামও, ৪ বলে ৬ রান নিয়েছিলেন তিনি।
শেষ ২ ওভারে দলের প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। তখনো শেষ ভরসা হয়ে ক্যাপ্টেন মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ৩২ বলে ২৭ রান করে। কিন্তু ৪৯তম ওভারের প্রথম বলেই এনগারাভার বলে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান মিরাজ। টানা ৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩ রানের পরাজয় বরণ করে বাংলাদেশ। সিরিজ খোয়ানোও নিশ্চিত হয়।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৯ ওভার ১ বলে ৫৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার রিচার্ড এনগারাভা। ব্লেসিং মুজারাবানি ১০ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে এবং ব্র্যাড ইভানস ৯ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন সিকান্দার রাজা, ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েসলি মাধভিয়ার।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়েও সুবিধা করতে পারেনি। প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটের উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। নিজের দ্বিতীয় আর ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ইনোসেন্ট কাইয়ার উইকেটও তুলে নেন তিনি। দলের নবম ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে ক্রেইগ আরভিনের উইকেট তুলে নেন তরুণ সেনসেশন নাহিদ রানা। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন চাপে জিম্বাবুয়ে।
আরেক ওপেনার বেন কারান তখনো একপাশে অপরাজিত। চতুর্থ উইকেটে মাধভিয়ারকে নিয়ে ৪৫ বলে ৩৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ১৭তম ওভারে ৬৬ রানের মাথায় মাধভিয়ার আউট হয়ে গেলে পঞ্চম উইকেটে তিনি সঙ্গী পান সিকান্দার রাজাকে, গড়েন ৯৫ বলে ৬৮ রানের জুটি। ২৮ বল আর ১৪ রানের ব্যবধানে সিকান্দার রাজার পাশাপাশি ক্লাইভ ম্যাডান্ডেও আউট হয়ে গেলে জিম্বাবুয়ের বড় রানের সংগ্রহের স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসছিল। কারণ ৩৬ ওভার ৫ বলে তখন দলের সংগ্রহ মাত্র ১৪৮।
সেখান থেকে ব্র্যাড ইভানসকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ বলে ৯৯ রানের জুটি গড়ে আড়াই শ ছুঁই ছুঁই স্কোর সংগ্রহ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। এই সময়ে বাংলাদেশি বোলারদের রীতিমতো কচুকাটা করেন ইভানস। দুই বাউন্ডারির পাশাপাশি ৫টি ছক্কায় তিনি ৩৮ বলে ৫৮ রান সংগ্রহ করে অপরাজিত থাকেন। অন্যপ্রান্তে ১৩৫ বলে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন বেন কারান।
জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে নবম ব্যাটার হিসেবে কারান ‘ক্যারিং ব্যাট থ্রু দ্য ইনিংস’ তথা গোটা ৫০ ওভার ব্যাট করে অপরাজিত থাকেন। ১৯৯২ সালে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার প্রথম জিম্বাবুইয়ান ব্যাটার হিসেবে এমন নজির স্থাপন করেছিলেন শ্রীলংকার বিপক্ষে। ১৯৯৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একই ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন তার ভাই গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার। এরপর নেইল জনসন, অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেল, ক্রেইগ উইশার্ট, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, ব্রেন্ডন টেইলর ও সবশেষ গত বছর ব্রায়ান বেনেট গোটা ৫০ ওভার ব্যাট করার নজির স্থাপন করেছিলেন।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন। গোটা ৫০ ওভার ব্যাট করে শতক তুলে নেওয়া কারান পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
হারারে স্টেডিয়ামেই আগামী শনিবার (১১ জুলাই) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। সে ম্যাচে হারলে জিম্বাবুয়ের মাটি থেকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা নিয়ে ফিরতে হবে মিরাজ অ্যান্ড কোম্পানিকে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
১ দিন আগে
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
২ দিন আগে
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর মাঠে মিসরের গোলস্কোরার মোস্তফা জিকো আরবি ভাষায় একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সাথে কথা বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। সে সময় তিনি দাবি করেন যে বিশ্বকাপ 'আর্জেন্টিনাকে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।'
২ দিন আগে
বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা পিছিয়ে পড়েছিল ১৫ মিনিটেই। ৫৮ মিনিটে এক গোল ভিএআর যাচাইয়ে বাতিল। ৬৭ মিনিটে আরও এক গোল। মোহাম্মদ সালাহর মিসরের কাছে ২-০ গোলে পিছিয়ে তখন আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে তিন তিনটি গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করলেন লিওনেল মেসিরা। ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে মিসর ফাঁড়া কা
২ দিন আগে