ব্যাটে-বলে দাপুটে দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৬ রান

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বোলারদের দাপটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে নেয় বাংলাদেশ। সকালের সেশনে পাকিস্তানের টপ অর্ডার দ্রুত গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরও লেজের সারির কিছু প্রতিরোধে সফরকারীরা অলআউট হলেও খুব বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের মূল্যবান লিড পায় স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান থেমে যায় ২৩২ রানে। দিনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম সেশনের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। মিডল অর্ডারে একমাত্র বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি।
৬৮ রান করা বাবর আজম নাহিদ রানার গতিময় ডেলিভারিতে আউট হন। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। ১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে প্রায় ইনিংস হারানোর শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে লেজের সারির ব্যাটারদের কিছুটা প্রতিরোধে স্কোর ২০০ পার করে সফরকারীরা। ৯ নম্বরে নেমে সাজিদ খান খেলেন ৩৮ রানের কার্যকর ইনিংস, যা দলকে অন্তত লজ্জাজনক পরিস্থিতি থেকে বাঁচায়। শেষ পর্যন্ত ২৩২ রানে থামে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস।
লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায়। ইনিংসের শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিম ফিরে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয় দায়িত্ব নিয়ে খেলেন। বিশেষ করে জয় ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। শুরু থেকেই শট সিলেকশনে আত্মবিশ্বাসী এই ওপেনার দ্রুত রান তোলেন এবং ফিফটির দেখা পান।
৬১ বলে ফিফটি ছুঁয়ে শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে ৫২ রান করে আউট হন জয়। এরপর কিছুক্ষণ পরই ফিরে যান মুমিনুল হক। ৬০ বল মোকাবিলা করে ৩০ রানে থামেন তিনি, যদিও ইনিংস বড় করার ভালো সম্ভাবনা ছিল তার সামনে। দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় ক্রিজে থেকে যান আরেক ব্যাটার।
দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১০ রান। হাতে ৭ উইকেট রেখে ১৫৬ রানের লিডে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে আছে, যদিও শেষ দিনের লড়াই এখনো বাকি।
রাজনীতি/একে

















