
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের অডিও-ভিডিও জগতের মহারাজত্বে যে একাই রাজত্ব করে চলছে, সেই জি-সিরিজ আবারও হাজির ঈদের রঙিন আনন্দযজ্ঞ নিয়ে। বছরের পর বছর ধরে জি-সিরিজ ও অগ্নিবীণা প্রমাণ করে আসছে— বিনোদন মানেই শুধু গানের ঝংকার বা নাটকের সংলাপ নয়, বরং একটি অনুভব, একটি অভিজ্ঞতা। আর ঈদের মতো উৎসবে তো বাংলাদেশের প্রথম সারি লেভেল কোম্পানিটি হয়ে ওঠে একেবারে সুর ও স্বপ্নের কারিগর!
এবারের ঈদে জি-সিরিজ ও অগ্নিবীণা সাজিয়েছে এক বিশাল সাংস্কৃতিক উৎসবের মেলা— যেখানে একদিকে ঝংকৃত হচ্ছে ১০০টি নতুন গানের রাগ-রস-রসায়ন, অন্যদিকে ২৫টি নাটকের গল্পে বোনা হয়েছে আবেগের সুর এবং ১০টি সিনেমার মাঝে আছে গল্প, স্বপ্ন, বাস্তবতা আর কল্পনার সম্মিলন। যেন এক টানা বিনোদনের মেঘমালা, যার নিচে দাঁড়িয়ে দর্শক-শ্রোতা উপভোগ করছেন এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
গানের ভুবনটা যেন এবার এক রাজকীয় সুরের যাত্রা। শুরুটা তাহসানের ‘নিয়তি’ গান দিয়ে। এরপর রয়েছে এফ এ সুমনের ‘ও আমার দিলের টুকরো’, সাদমান পাপ্পুর ‘আমি মানে তুমি-২’ ইমন খানের ‘আমার ভেঙ্গে গেল ঘর’, কিশোর পলাশের ‘আজকে বন্ধুর গায়েহলুদ’, মাটির গান ‘তোরে চিনতে পরাণ পাখি’, তাবিজ ফারুকের রয়েছে ৯টি গান ‘আমার ভালবাসা’ বাই তাবিজ ফারুক এবং নীপা, মুন্না খানের ‘দূর প্রবাসে’, পথিক নবীর ‘নজর যখন ওইখানে পড়ে’, জিসান খান শুভর ‘অদ্যোপান্ত’ পার্থ বড়ুয়ার ‘সহজ লভ্য নয়’ মিজানের ‘দ্বিধার দুয়ার’, পারভেজ এর ‘দিল জানে রে’, লেলিনের নতুন গান ‘এভাবে যায় কি বাঁচা’, সাদাতের ‘নিঠুর প্রিয়জন’, ক্লোজআপ ওয়ান সাজুর গান ‘তোর দিলে কি একটু মায়া নাই’, জেনস সুমন এর গান ‘কে যে কার’।
এ ছাড়া তৌসিফের নতুন গান ‘ভুল’, সূচনা শৌলীর গান ‘যন্ত্রণা’, সালমার নতুন গান ‘জাত গেল জাত গেল’, অলোক চক্রবর্তীর গান ‘ভালবাসিয়া গেলা ভুলে’, কাজী কে এন আই এর ‘জয়িতা’, ওয়াসিম পাগলার গান ‘ভালবেসে কী পেলি’, রক টাউন ব্যান্ডের নতুন অ্যালবাম ‘বৃষ্টির গান’ জিমি শাহ্ এর নতুন গান ‘অসমাপ্ত’, সুজিত মোস্তফার নতুন গান ‘এখন আমি’ সুকন্যার গান ‘আশা পূর্ণ হলো না’, জয়িতার গান ‘যে রাতে মোড়’, নাবিলের গান ‘মাগো মা’, মোতাজ্জের হোসেন এর গান ‘নারে না বন্ধু, লায়লার ‘ওই চরণে দাসের যোগ্য নই’, বিউটির চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আয়শা জেবিন দীপার গান ‘চাতক বাঁচে কেমনে ও নাদিমের গান ‘কবে সাধুর চরণে’সহ অনেক গান রয়েছে। প্রতিটি গান একেকটি আবেগের রঙ তুলিতে আঁকা চিত্রকর্ম, যা শুধু শোনা নয়, অনুভব করার মতো। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গানের এবং শিল্পীর পরিমাণ বেড়েই চলছে।
নাটকের মঞ্চে জি-সিরিজ যেন তৈরি করেছে গল্পের এক বিশাল রাজ্য— যেখানে প্রতিটি নাটক খুলে দেয় জীবনের নতুন এক দরজা, আর প্রতিটি গল্প হয়ে ওঠে মানুষের অনুভূতি, সম্পর্ক ও বাস্তবতার একেকটি অনন্য চাবিকাঠি।
২৫টি নতুন নাটকের এই লাইনআপে যেমন আছেন মোশাররফ করিম, খায়রুল বাসার, মুশফিক আর ফারহান, আরশ খান, জোভান, ইয়াশ রোহান- সঙ্গে আছেন তানিয়া বৃষ্টি, তাসনুভা তিশা, সাফা কবির, তানজীন তিশা, হিমি, কেয়া পায়েল, প্রিয়ন্তী উর্বী, মারিয়া মেহনতি, আইশা খান ও আরও জনপ্রিয় অনেকে।
বৃহস্পতিবার থেকেই জি-সিরিজের ঈদের আয়োজন শুরু হচ্ছে। ঈদের প্রথম নাটক হচ্ছে পথিক সাধন পরিচালিত ‘সাতদিন’। অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার ও রিয়া ঘোষ।
ঈদের দিন থাকছে অভিনেতা শিমুল শর্মা পরিচালিত ‘কাবজাব’। এ নাটকে অভিনয় করেছেন শিমুল শর্মা ও শরাফ আহমেদ জীবনসহ আরও অনেক পরিচিত মুখ।
ঈদের দ্বিতীয় দিন থাকছে সুব্রত কুমার সঞ্জীব এর ‘বোবা কান্না’। এতে অভিনয় করেছেন মুশফিক আর ফারহান ও মারিয়া মেহনতি।
ঈদের তৃতীয় দিনে থাকছে ২ নাটক। আহসান হাবিব আকিক পরিচালিত ‘চার নম্বর বউ’-তে মোশাররফ করিমের সঙ্গে আছেন তানিয়া বৃষ্টি। এছাড়া সুব্রত কুমার সঞ্জীব এর নতুন নাটক ‘ফড়িয়া’। অভিনয়ে আছেন খায়রুল বাশার ও সাফা কবির।
ঈদের চতুর্থ দিনে দেখতে পাবেন পথিক সাধন পরিচালিত ‘নিঃস্ব তুমি আমি’। নাটকে দেখা যাবে আরশ খান ও সামিরা খান মাহিকে।
ঈদের পঞ্চম দিনে ফরহাদ আহমেদ ইশান পরিচালিত ‘বাতাসের ফুল’। অভিনয় করেছেন জোভান ও কেয়া পায়েল।
ঈদের ষষ্ঠ দিনে সাইদুর ইমন পরিচালিত ‘সে কি আসবে না?’ নাটকে অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন ইয়াশ রোহান, আইশা খান ও নাজিবা বাসার।
ঈদের সপ্তম দিনে আছেন স্যামুয়েল হকের গল্পে নির্মিত পথিক সাধনের আরেকটি বিশেষ নাটক ‘ইরার পদ্ম’তে জুটি বেঁধেছেন খায়রুল বাসার ও সাদনিমা বিনতে নোমান।
ঈদের অষ্টম দিনে পথিক সাধনের নাটক ‘চাওয়া পাওয়া’। এতে অভিনয় করেছেন আরশ খান ও প্রিয়ন্তী উর্বী।
নির্মাতা আহসান হাবিব আকিক পরিচালিত ‘ফুটানি বাবু’তেও দেখা যাবে মোশাররফ করিম ও তানিয়া বৃষ্টিকে। এ ছাড়া মৃত্যুঞ্জয় সরদার উচ্ছ্বাস পরিচালিত ‘তুই’ নাটকে মোশাররফ করিমের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তাসনুভা তিশা। আর আসাদুজ্জামান আসাদ পরিচালিত ‘চেয়ারম্যানের বিয়ে’তে তার বিপরীতে রয়েছেন হিমি।
সুব্রত কুমার সঞ্জীব এর অ্যাকশনধর্মী বিগ বাজেটের ‘লেলিন’ নাটকে আছেন মুশফিক আর ফারহান ও সাফা কবির। মারুফ হোসাইন সজীব পরিচালিত ‘জোড়া শালিকের ঘরে’ আছেন খায়রুল বাসার ও তানজীন তিশা। অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও সম্পর্কের অপূর্ণতার গল্প হতে পারে এটি।
আর সিনেমার পর্দায়? সেখানে তো মহোৎসব! এবারের ঈদে ১০টি সিনেমা রয়েছে। সিনেমাগুলো হলো— আদম, স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা, বরিশাইল্যা পরী, ব-কলমের ভালোবাসা, হৈমন্তির ইতিকথা, আমাদের বাউল, হরিজন, তুফান, মুনাফিক, সোনাই বন্ধু, রাজকন্যা, সম্রাট, বাদল ও বিজয়িণী সোনাভাণ।
এক কথায়, জি-সিরিজের এবারের ঈদ আয়োজন যেন এক দিগন্ত বিস্তৃত বিনোদনের জাহাজ, যেখানে গান, নাটক ও সিনেমা তিনটি পাল একসাথে উড়ছে অনুভবের হাওয়ায়। এ ঈদে ঘরে থাকুন, ভালোবাসায় থাকুন, আর জি-সিরিজের সঙ্গে হয়ে উঠুন বিনোদনে পূর্ণতা পাওয়া এক খাঁটি দর্শক। ঈদ মোবারক!

বাংলাদেশের অডিও-ভিডিও জগতের মহারাজত্বে যে একাই রাজত্ব করে চলছে, সেই জি-সিরিজ আবারও হাজির ঈদের রঙিন আনন্দযজ্ঞ নিয়ে। বছরের পর বছর ধরে জি-সিরিজ ও অগ্নিবীণা প্রমাণ করে আসছে— বিনোদন মানেই শুধু গানের ঝংকার বা নাটকের সংলাপ নয়, বরং একটি অনুভব, একটি অভিজ্ঞতা। আর ঈদের মতো উৎসবে তো বাংলাদেশের প্রথম সারি লেভেল কোম্পানিটি হয়ে ওঠে একেবারে সুর ও স্বপ্নের কারিগর!
এবারের ঈদে জি-সিরিজ ও অগ্নিবীণা সাজিয়েছে এক বিশাল সাংস্কৃতিক উৎসবের মেলা— যেখানে একদিকে ঝংকৃত হচ্ছে ১০০টি নতুন গানের রাগ-রস-রসায়ন, অন্যদিকে ২৫টি নাটকের গল্পে বোনা হয়েছে আবেগের সুর এবং ১০টি সিনেমার মাঝে আছে গল্প, স্বপ্ন, বাস্তবতা আর কল্পনার সম্মিলন। যেন এক টানা বিনোদনের মেঘমালা, যার নিচে দাঁড়িয়ে দর্শক-শ্রোতা উপভোগ করছেন এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
গানের ভুবনটা যেন এবার এক রাজকীয় সুরের যাত্রা। শুরুটা তাহসানের ‘নিয়তি’ গান দিয়ে। এরপর রয়েছে এফ এ সুমনের ‘ও আমার দিলের টুকরো’, সাদমান পাপ্পুর ‘আমি মানে তুমি-২’ ইমন খানের ‘আমার ভেঙ্গে গেল ঘর’, কিশোর পলাশের ‘আজকে বন্ধুর গায়েহলুদ’, মাটির গান ‘তোরে চিনতে পরাণ পাখি’, তাবিজ ফারুকের রয়েছে ৯টি গান ‘আমার ভালবাসা’ বাই তাবিজ ফারুক এবং নীপা, মুন্না খানের ‘দূর প্রবাসে’, পথিক নবীর ‘নজর যখন ওইখানে পড়ে’, জিসান খান শুভর ‘অদ্যোপান্ত’ পার্থ বড়ুয়ার ‘সহজ লভ্য নয়’ মিজানের ‘দ্বিধার দুয়ার’, পারভেজ এর ‘দিল জানে রে’, লেলিনের নতুন গান ‘এভাবে যায় কি বাঁচা’, সাদাতের ‘নিঠুর প্রিয়জন’, ক্লোজআপ ওয়ান সাজুর গান ‘তোর দিলে কি একটু মায়া নাই’, জেনস সুমন এর গান ‘কে যে কার’।
এ ছাড়া তৌসিফের নতুন গান ‘ভুল’, সূচনা শৌলীর গান ‘যন্ত্রণা’, সালমার নতুন গান ‘জাত গেল জাত গেল’, অলোক চক্রবর্তীর গান ‘ভালবাসিয়া গেলা ভুলে’, কাজী কে এন আই এর ‘জয়িতা’, ওয়াসিম পাগলার গান ‘ভালবেসে কী পেলি’, রক টাউন ব্যান্ডের নতুন অ্যালবাম ‘বৃষ্টির গান’ জিমি শাহ্ এর নতুন গান ‘অসমাপ্ত’, সুজিত মোস্তফার নতুন গান ‘এখন আমি’ সুকন্যার গান ‘আশা পূর্ণ হলো না’, জয়িতার গান ‘যে রাতে মোড়’, নাবিলের গান ‘মাগো মা’, মোতাজ্জের হোসেন এর গান ‘নারে না বন্ধু, লায়লার ‘ওই চরণে দাসের যোগ্য নই’, বিউটির চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আয়শা জেবিন দীপার গান ‘চাতক বাঁচে কেমনে ও নাদিমের গান ‘কবে সাধুর চরণে’সহ অনেক গান রয়েছে। প্রতিটি গান একেকটি আবেগের রঙ তুলিতে আঁকা চিত্রকর্ম, যা শুধু শোনা নয়, অনুভব করার মতো। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গানের এবং শিল্পীর পরিমাণ বেড়েই চলছে।
নাটকের মঞ্চে জি-সিরিজ যেন তৈরি করেছে গল্পের এক বিশাল রাজ্য— যেখানে প্রতিটি নাটক খুলে দেয় জীবনের নতুন এক দরজা, আর প্রতিটি গল্প হয়ে ওঠে মানুষের অনুভূতি, সম্পর্ক ও বাস্তবতার একেকটি অনন্য চাবিকাঠি।
২৫টি নতুন নাটকের এই লাইনআপে যেমন আছেন মোশাররফ করিম, খায়রুল বাসার, মুশফিক আর ফারহান, আরশ খান, জোভান, ইয়াশ রোহান- সঙ্গে আছেন তানিয়া বৃষ্টি, তাসনুভা তিশা, সাফা কবির, তানজীন তিশা, হিমি, কেয়া পায়েল, প্রিয়ন্তী উর্বী, মারিয়া মেহনতি, আইশা খান ও আরও জনপ্রিয় অনেকে।
বৃহস্পতিবার থেকেই জি-সিরিজের ঈদের আয়োজন শুরু হচ্ছে। ঈদের প্রথম নাটক হচ্ছে পথিক সাধন পরিচালিত ‘সাতদিন’। অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার ও রিয়া ঘোষ।
ঈদের দিন থাকছে অভিনেতা শিমুল শর্মা পরিচালিত ‘কাবজাব’। এ নাটকে অভিনয় করেছেন শিমুল শর্মা ও শরাফ আহমেদ জীবনসহ আরও অনেক পরিচিত মুখ।
ঈদের দ্বিতীয় দিন থাকছে সুব্রত কুমার সঞ্জীব এর ‘বোবা কান্না’। এতে অভিনয় করেছেন মুশফিক আর ফারহান ও মারিয়া মেহনতি।
ঈদের তৃতীয় দিনে থাকছে ২ নাটক। আহসান হাবিব আকিক পরিচালিত ‘চার নম্বর বউ’-তে মোশাররফ করিমের সঙ্গে আছেন তানিয়া বৃষ্টি। এছাড়া সুব্রত কুমার সঞ্জীব এর নতুন নাটক ‘ফড়িয়া’। অভিনয়ে আছেন খায়রুল বাশার ও সাফা কবির।
ঈদের চতুর্থ দিনে দেখতে পাবেন পথিক সাধন পরিচালিত ‘নিঃস্ব তুমি আমি’। নাটকে দেখা যাবে আরশ খান ও সামিরা খান মাহিকে।
ঈদের পঞ্চম দিনে ফরহাদ আহমেদ ইশান পরিচালিত ‘বাতাসের ফুল’। অভিনয় করেছেন জোভান ও কেয়া পায়েল।
ঈদের ষষ্ঠ দিনে সাইদুর ইমন পরিচালিত ‘সে কি আসবে না?’ নাটকে অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন ইয়াশ রোহান, আইশা খান ও নাজিবা বাসার।
ঈদের সপ্তম দিনে আছেন স্যামুয়েল হকের গল্পে নির্মিত পথিক সাধনের আরেকটি বিশেষ নাটক ‘ইরার পদ্ম’তে জুটি বেঁধেছেন খায়রুল বাসার ও সাদনিমা বিনতে নোমান।
ঈদের অষ্টম দিনে পথিক সাধনের নাটক ‘চাওয়া পাওয়া’। এতে অভিনয় করেছেন আরশ খান ও প্রিয়ন্তী উর্বী।
নির্মাতা আহসান হাবিব আকিক পরিচালিত ‘ফুটানি বাবু’তেও দেখা যাবে মোশাররফ করিম ও তানিয়া বৃষ্টিকে। এ ছাড়া মৃত্যুঞ্জয় সরদার উচ্ছ্বাস পরিচালিত ‘তুই’ নাটকে মোশাররফ করিমের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তাসনুভা তিশা। আর আসাদুজ্জামান আসাদ পরিচালিত ‘চেয়ারম্যানের বিয়ে’তে তার বিপরীতে রয়েছেন হিমি।
সুব্রত কুমার সঞ্জীব এর অ্যাকশনধর্মী বিগ বাজেটের ‘লেলিন’ নাটকে আছেন মুশফিক আর ফারহান ও সাফা কবির। মারুফ হোসাইন সজীব পরিচালিত ‘জোড়া শালিকের ঘরে’ আছেন খায়রুল বাসার ও তানজীন তিশা। অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও সম্পর্কের অপূর্ণতার গল্প হতে পারে এটি।
আর সিনেমার পর্দায়? সেখানে তো মহোৎসব! এবারের ঈদে ১০টি সিনেমা রয়েছে। সিনেমাগুলো হলো— আদম, স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা, বরিশাইল্যা পরী, ব-কলমের ভালোবাসা, হৈমন্তির ইতিকথা, আমাদের বাউল, হরিজন, তুফান, মুনাফিক, সোনাই বন্ধু, রাজকন্যা, সম্রাট, বাদল ও বিজয়িণী সোনাভাণ।
এক কথায়, জি-সিরিজের এবারের ঈদ আয়োজন যেন এক দিগন্ত বিস্তৃত বিনোদনের জাহাজ, যেখানে গান, নাটক ও সিনেমা তিনটি পাল একসাথে উড়ছে অনুভবের হাওয়ায়। এ ঈদে ঘরে থাকুন, ভালোবাসায় থাকুন, আর জি-সিরিজের সঙ্গে হয়ে উঠুন বিনোদনে পূর্ণতা পাওয়া এক খাঁটি দর্শক। ঈদ মোবারক!

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারের আসর জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) এ অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান তারকা ও সিনেমাপ্রেমীদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল পুরো ভেন্যু।
৯ দিন আগে
নাটকের কাহিনীতে দেখা যাবে, জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষ কীভাবে নিজের অনুভূতিগুলো চেপে রাখে এবং সেই নীরব কষ্ট একসময় গভীর বেদনায় রূপ নেয়। ভালোবাসা, ভুল বোঝাবুঝি, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং জীবনের কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে নাটকের গল্প।
৯ দিন আগে
আইরিশ এই অভিনেত্রীর আজকের এই রাজকীয় পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। বিবিসি ওয়ানের একটি ট্যালেন্ট শো ‘আই’ড ডু অ্যানিথিং’-এ রানার-আপ হওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই জেসি বাকলি তার লক্ষ্য ও প্রতিভা দিয়ে নিজের ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি
৯ দিন আগে
দেশে ভ্রমণসাহিত্যের মানোন্নয়ন, নতুন লেখক তৈরি এবং পাঠক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ‘ভ্রমণগদ্য সাহিত্য পুরস্কার’ প্রবর্তন এবং লেখক কর্মশালা আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
১০ দিন আগে