
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভেঙে ফেলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেসবের স্থিরচিত্র ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এমনই এক ভিডিও চোখে পড়েছে ভারতীয় অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের। বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ভেঙে ফেলার বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেননি তিনি। জানিয়েছেন তীব্র প্রতিবাদ।
নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও স্টোরি শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশিরা শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তির ওপর প্রস্রাব করছেন। তিনিই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীনতা অর্জন করার পরেই তাকে হত্যা করা হয়েছিল। আমি ভাবছি, এই মানুষটা কী না করেছিলেন! তার ওপর কেন প্রস্রাব করছেন!’
কঙ্গনা তার পোস্টে আরও লেখেন, ‘কয়েকজনকে দেখলাম চিড়িয়াখানায় ঢুকে পশুদের ধরে ধরে মারছে। প্রধানমন্ত্রী ইস্তফা দেওয়ার পরেও তাদের প্রতিবাদ থামেনি বোধ হয়! এটাকেই কি প্রতিবাদ বলে?’
এখানেই থামেননি কঙ্গনা। অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘যারা পশুদের সঙ্গে এই কাজ করতে পারে, তারা আপনার সঙ্গে কী করবে, ভাবুন।’
যদিও বাংলাদেশের সামগ্রিক চিত্র নিয়ে বরাবরই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন গুজবের সত্যতা যাচাই না করেই, সেসব নিয়েও ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করেন তিনি।
এর আগে আরও এক পোস্টে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান করা নিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘ভারত হলো তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (সাবেক) ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’
এখানেই থেমে যাননি কঙ্গনা। তিনি আরও লেখেন, ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভেঙে ফেলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেসবের স্থিরচিত্র ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এমনই এক ভিডিও চোখে পড়েছে ভারতীয় অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের। বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ভেঙে ফেলার বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেননি তিনি। জানিয়েছেন তীব্র প্রতিবাদ।
নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও স্টোরি শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশিরা শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তির ওপর প্রস্রাব করছেন। তিনিই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীনতা অর্জন করার পরেই তাকে হত্যা করা হয়েছিল। আমি ভাবছি, এই মানুষটা কী না করেছিলেন! তার ওপর কেন প্রস্রাব করছেন!’
কঙ্গনা তার পোস্টে আরও লেখেন, ‘কয়েকজনকে দেখলাম চিড়িয়াখানায় ঢুকে পশুদের ধরে ধরে মারছে। প্রধানমন্ত্রী ইস্তফা দেওয়ার পরেও তাদের প্রতিবাদ থামেনি বোধ হয়! এটাকেই কি প্রতিবাদ বলে?’
এখানেই থামেননি কঙ্গনা। অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘যারা পশুদের সঙ্গে এই কাজ করতে পারে, তারা আপনার সঙ্গে কী করবে, ভাবুন।’
যদিও বাংলাদেশের সামগ্রিক চিত্র নিয়ে বরাবরই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন গুজবের সত্যতা যাচাই না করেই, সেসব নিয়েও ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করেন তিনি।
এর আগে আরও এক পোস্টে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান করা নিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘ভারত হলো তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (সাবেক) ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’
এখানেই থেমে যাননি কঙ্গনা। তিনি আরও লেখেন, ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম।’

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
১০ দিন আগে
নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১২ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১৩ দিন আগে