
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘তিথিডোর’ নাটকে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আবারও দর্শকহৃদয়ে নাড়া দিয়েছেন। ‘তিথিডোর’ নাটকে একজন অবিবাহিত মেয়ের জীবনের সংগ্রাম ও হতাশা যে কতখানি গভীর হতে পারে, সেটি পর্দায় দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ক্যারিয়ারে আছে অসংখ্য নাটক ও ওয়েব সিরিজ। বর্তমানে সিনেমাতেও নাম লিখিয়েছেন তিনি।
নাটকে যেমন চরিত্রই করুন না কেন, ব্যক্তিগত জীবনে সব সময় হাসিখুশি এই অভিনেত্রী। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে একটি ছবিও। ছবিতে দেখা গেছে, রাস্তার পাশের একটি রেস্তোরাঁয় বসে আছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে অবসর কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তিনি। সেখানে তোলা এই ছবির ক্যাপশন দেখেই বোঝা যাচ্ছে, মন ভালো নেই মেহজাবীনের।
ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘যখন আমি বাসায় থাকি এবং আমার রুমের বাইরে ঝগড়া ও ছোটখাটো তর্কের শব্দ শুনে জেগে উঠি, তখন সাধারণত আমি বিরক্ত হই। কিন্তু এখন অনেক দিন ধরে দেশে না থাকায় আমি শুধু এ মুহূর্তগুলো মিস করছি। আমার ভাইবোনদের অযথা চিৎকার, আমার বাবা-মায়ের জোরে হাসি বা তুচ্ছ বিষয়ে তর্ক করা। আমি বুঝতে পারছি যে আমার পরিবারের কথাবার্তা, হাসি বা ঝগড়ার শব্দে জেগে ওঠা সম্ভবত পৃথিবীর সেরা অনুভূতি।’
মেহজাবীনের এই পোস্ট দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে ভক্তদের মধ্যে। অনেকে প্রিয় অভিনেত্রীকে দিচ্ছেন সান্ত্বনাও। একজন লিখেছেন, ‘জীবনের এই ছোটখাটো মুহূর্তগুলোর মধ্যেই আসল সুখের ছোঁয়া পাওয়া যায়। এমন এক সময় আসে, যখন এগুলো মিস করে চোখে জল চলে আসে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘পরিবার থেকে দূরে থাকলে বোঝা যায় পরিবার কী জিনিস।’

মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘তিথিডোর’ নাটকে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আবারও দর্শকহৃদয়ে নাড়া দিয়েছেন। ‘তিথিডোর’ নাটকে একজন অবিবাহিত মেয়ের জীবনের সংগ্রাম ও হতাশা যে কতখানি গভীর হতে পারে, সেটি পর্দায় দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ক্যারিয়ারে আছে অসংখ্য নাটক ও ওয়েব সিরিজ। বর্তমানে সিনেমাতেও নাম লিখিয়েছেন তিনি।
নাটকে যেমন চরিত্রই করুন না কেন, ব্যক্তিগত জীবনে সব সময় হাসিখুশি এই অভিনেত্রী। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে একটি ছবিও। ছবিতে দেখা গেছে, রাস্তার পাশের একটি রেস্তোরাঁয় বসে আছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে অবসর কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তিনি। সেখানে তোলা এই ছবির ক্যাপশন দেখেই বোঝা যাচ্ছে, মন ভালো নেই মেহজাবীনের।
ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘যখন আমি বাসায় থাকি এবং আমার রুমের বাইরে ঝগড়া ও ছোটখাটো তর্কের শব্দ শুনে জেগে উঠি, তখন সাধারণত আমি বিরক্ত হই। কিন্তু এখন অনেক দিন ধরে দেশে না থাকায় আমি শুধু এ মুহূর্তগুলো মিস করছি। আমার ভাইবোনদের অযথা চিৎকার, আমার বাবা-মায়ের জোরে হাসি বা তুচ্ছ বিষয়ে তর্ক করা। আমি বুঝতে পারছি যে আমার পরিবারের কথাবার্তা, হাসি বা ঝগড়ার শব্দে জেগে ওঠা সম্ভবত পৃথিবীর সেরা অনুভূতি।’
মেহজাবীনের এই পোস্ট দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে ভক্তদের মধ্যে। অনেকে প্রিয় অভিনেত্রীকে দিচ্ছেন সান্ত্বনাও। একজন লিখেছেন, ‘জীবনের এই ছোটখাটো মুহূর্তগুলোর মধ্যেই আসল সুখের ছোঁয়া পাওয়া যায়। এমন এক সময় আসে, যখন এগুলো মিস করে চোখে জল চলে আসে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘পরিবার থেকে দূরে থাকলে বোঝা যায় পরিবার কী জিনিস।’

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
১০ দিন আগে
নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১২ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১৩ দিন আগে