
রওশন আরা বেগম

গত রাতে আকাশে বিশাল চাঁদ দেখে বার বারই মনে হয়েছে- কোথায় তুমি? কেন চলে গেলে? একটু কি ফিরে আসা যায় না?
তোমার চলে যাওয়াটা আমার এবং আমাদের সবার জন্য কত যে কষ্টকর হচ্ছে- সবাই যে একেবারে এতিম হয়ে গেলাম আপা!
তোমার সাথে ছোটোবেলার খুঁনসুটি
থেকে শুরু করে পরিবারের সবাইকে দেখা, রাজপথে, আন্দোলনে, মিছিলে এক সাথে চলা, কত কথা কত গল্প !
একটু আস্থার জায়গা হয়েছিল আমার;
নিজের মানুষটা (বিচারপতি মো. আবদুর রশীদ) চলে যাবার পর, তুমি অনেক সাহস যুগিয়েছিলে, চোখের জল মুছিয়ে বলেছিলে, কোনও ভয় নেই, সব ঠিক হয়ে যাবে! কত রাত তুমি আমার ফোনের অপেক্ষায় থাকতে, আমি তোমার শরীরের কথা ভেবে ফোন কেটে দিয়েছি কত সময়!
তুমি শান্ত গলায় বলতে ব্যস্ততা একটু কমিয়ে দে। আজ চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, চলো না আমরা আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে যাই!
আমি আর ব্যস্ত হতে চাই না, তুমি ফিরে এসো!
আমি বলেছিলাম আপা একা থাকা- এ কেমন করে হবে?
তুমি বলেছিলে, এই যে লিখে যাচ্ছি, এভাবেই সময় এগিয়ে যাবে, তোর যে পরিমাণ কাজ, তুই টেরই পাবি না!
আপা ভীষণ কষ্ট হয় যখন তোমায় ফোনটা করতে গিয়ে হোঁচট খাই। টেবিলে বসে তাকিয়ে ভাবি, সামনে যেন মাসকয়েক আগে ঘরের চলে যাওয়া মানুষটা দাঁড়িয়ে হাসছে আমার অবস্থা দেখে!
এ কেমন চলে যাওয়া তোমাদের !!
জীবন চলেই যাচ্ছে। তোমার ঘর গুছিয়ে তোমার ছেলেমেয়েরা নিজেদের গুছিয়ে চলে গেল। মনে হলো শোক সবাইকে শক্তি যোগাচ্ছে, নইলে পৃথিবী থমকে যেত!
থমকে না গিয়ে আমিও এগিয়ে যেতে চাই আপা!
চোখের জলে সব ঝাপসা হয়ে আসে, মনে হয় মাকে যদি আর একবার পেতাম, বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে বলতাম, ‘মাগো আমার শোলক্-বলা কাজলা দিদি কই?’
যেখানেই থাকো, ভালো থেকো তুমি, আপা!
[বড় বোন হোসনে আরা দিলুকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন প্রখ্যাত স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম]

গত রাতে আকাশে বিশাল চাঁদ দেখে বার বারই মনে হয়েছে- কোথায় তুমি? কেন চলে গেলে? একটু কি ফিরে আসা যায় না?
তোমার চলে যাওয়াটা আমার এবং আমাদের সবার জন্য কত যে কষ্টকর হচ্ছে- সবাই যে একেবারে এতিম হয়ে গেলাম আপা!
তোমার সাথে ছোটোবেলার খুঁনসুটি
থেকে শুরু করে পরিবারের সবাইকে দেখা, রাজপথে, আন্দোলনে, মিছিলে এক সাথে চলা, কত কথা কত গল্প !
একটু আস্থার জায়গা হয়েছিল আমার;
নিজের মানুষটা (বিচারপতি মো. আবদুর রশীদ) চলে যাবার পর, তুমি অনেক সাহস যুগিয়েছিলে, চোখের জল মুছিয়ে বলেছিলে, কোনও ভয় নেই, সব ঠিক হয়ে যাবে! কত রাত তুমি আমার ফোনের অপেক্ষায় থাকতে, আমি তোমার শরীরের কথা ভেবে ফোন কেটে দিয়েছি কত সময়!
তুমি শান্ত গলায় বলতে ব্যস্ততা একটু কমিয়ে দে। আজ চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, চলো না আমরা আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে যাই!
আমি আর ব্যস্ত হতে চাই না, তুমি ফিরে এসো!
আমি বলেছিলাম আপা একা থাকা- এ কেমন করে হবে?
তুমি বলেছিলে, এই যে লিখে যাচ্ছি, এভাবেই সময় এগিয়ে যাবে, তোর যে পরিমাণ কাজ, তুই টেরই পাবি না!
আপা ভীষণ কষ্ট হয় যখন তোমায় ফোনটা করতে গিয়ে হোঁচট খাই। টেবিলে বসে তাকিয়ে ভাবি, সামনে যেন মাসকয়েক আগে ঘরের চলে যাওয়া মানুষটা দাঁড়িয়ে হাসছে আমার অবস্থা দেখে!
এ কেমন চলে যাওয়া তোমাদের !!
জীবন চলেই যাচ্ছে। তোমার ঘর গুছিয়ে তোমার ছেলেমেয়েরা নিজেদের গুছিয়ে চলে গেল। মনে হলো শোক সবাইকে শক্তি যোগাচ্ছে, নইলে পৃথিবী থমকে যেত!
থমকে না গিয়ে আমিও এগিয়ে যেতে চাই আপা!
চোখের জলে সব ঝাপসা হয়ে আসে, মনে হয় মাকে যদি আর একবার পেতাম, বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে বলতাম, ‘মাগো আমার শোলক্-বলা কাজলা দিদি কই?’
যেখানেই থাকো, ভালো থেকো তুমি, আপা!
[বড় বোন হোসনে আরা দিলুকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন প্রখ্যাত স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম]

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
১০ দিন আগে
নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১২ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১৩ দিন আগে