
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে আকাশে দেখা যাবে বছরের দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে উজ্জ্বল সুপারমুন। চাঁদের কক্ষপথের কারণে পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানে আসায় সাধারণের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে এই চাঁদ। প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সঙ্গে মিল রেখে নভেম্বরের এই পূর্ণিমাকে বিজ্ঞানীরা 'বিভার মুন' নামেও ডাকেন।
সোমবার (৩ নভেম্বর) দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এই রাতে আকাশে জ্বলে উঠবে সুপারমুন, অন্যদিকে ইউরোপবাসী উদযাপন করবে ‘বনফায়ার নাইট’, ফলে রাতটি আলো আর রঙের দারুণ মেলবন্ধন হবে।
এই প্রাকৃতিক দৃশ্যটি দেখতে চাইলে পৃথিবীবাসীকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ওপর নজর রাখতে হবে, কারণ কোথায় আকাশ সবচেয়ে পরিষ্কার থাকবে, তা জানা গেলেই চাঁদ দেখার জন্য সেরা জায়গা বেছে নিতে সুবিধা হবে।
এই চাঁদকে ‘সুপারমুন’ বলা হয় তার কারণ হলো, চাঁদের কক্ষপথ কিছুটা ডিম্বাকৃতি বা উপবৃত্তাকার, ফলে চাঁদ সবসময় পৃথিবী থেকে সমান দূরত্বে থাকে না। চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে, সেই অবস্থাকে বলে ‘পেরিজি’। এ সময় পৃথিবী থেকে প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার মাইল দূরে থাকে চাঁদ। আর চাঁদ যদি পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে বা পেরিজির ৯০ শতাংশ কাছাকাছি থাকে, তখন তাকে ‘সুপারমুন’ বলে। এ সময় আকাশে চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়।
আবার এই পূর্ণিমাকে ‘বিভার মুন’ও বলা হয়। প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে প্রতিটি মাসের পূর্ণিমারই নামকরণ করেন বিজ্ঞানীরা এবং নভেম্বরের এ সময়ে বিভাররা সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে— নিজেদের বাঁধ তৈরি ও শীতের জন্য খাদ্য সংরক্ষণ করে তারা—ফলে এই পূর্ণিমার সঙ্গে তাদের কার্যকলাপ মিলিয়ে এ নামটি এসেছে। চলতি বছরের শেষ সুপারমুনের দেখা মিলবে আগামী ৪ ডিসেম্বর।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে আকাশে দেখা যাবে বছরের দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে উজ্জ্বল সুপারমুন। চাঁদের কক্ষপথের কারণে পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানে আসায় সাধারণের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে এই চাঁদ। প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সঙ্গে মিল রেখে নভেম্বরের এই পূর্ণিমাকে বিজ্ঞানীরা 'বিভার মুন' নামেও ডাকেন।
সোমবার (৩ নভেম্বর) দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এই রাতে আকাশে জ্বলে উঠবে সুপারমুন, অন্যদিকে ইউরোপবাসী উদযাপন করবে ‘বনফায়ার নাইট’, ফলে রাতটি আলো আর রঙের দারুণ মেলবন্ধন হবে।
এই প্রাকৃতিক দৃশ্যটি দেখতে চাইলে পৃথিবীবাসীকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ওপর নজর রাখতে হবে, কারণ কোথায় আকাশ সবচেয়ে পরিষ্কার থাকবে, তা জানা গেলেই চাঁদ দেখার জন্য সেরা জায়গা বেছে নিতে সুবিধা হবে।
এই চাঁদকে ‘সুপারমুন’ বলা হয় তার কারণ হলো, চাঁদের কক্ষপথ কিছুটা ডিম্বাকৃতি বা উপবৃত্তাকার, ফলে চাঁদ সবসময় পৃথিবী থেকে সমান দূরত্বে থাকে না। চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে, সেই অবস্থাকে বলে ‘পেরিজি’। এ সময় পৃথিবী থেকে প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার মাইল দূরে থাকে চাঁদ। আর চাঁদ যদি পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে বা পেরিজির ৯০ শতাংশ কাছাকাছি থাকে, তখন তাকে ‘সুপারমুন’ বলে। এ সময় আকাশে চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়।
আবার এই পূর্ণিমাকে ‘বিভার মুন’ও বলা হয়। প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে প্রতিটি মাসের পূর্ণিমারই নামকরণ করেন বিজ্ঞানীরা এবং নভেম্বরের এ সময়ে বিভাররা সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে— নিজেদের বাঁধ তৈরি ও শীতের জন্য খাদ্য সংরক্ষণ করে তারা—ফলে এই পূর্ণিমার সঙ্গে তাদের কার্যকলাপ মিলিয়ে এ নামটি এসেছে। চলতি বছরের শেষ সুপারমুনের দেখা মিলবে আগামী ৪ ডিসেম্বর।

পাকিস্তানি জেনারেলরা তাদের তথাকথিত ‘ফোর্ট্রেস ডিফেন্স’ বা দুর্গ রক্ষা কৌশলের ওপর যে অন্ধ বিশ্বাস রেখেছিল, তা তখন অন্ধের মতোই তাদের হোঁচট খাওয়াচ্ছিল। একদিকে বিশ্বরাজনীতির দাবার বোর্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সপ্তম নৌ বহর পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তাপ ছড়াচ্ছিল, অন্যদিকে বাংলার
৪ দিন আগে
তিন যুবকের হাতে মোটেও সময় নেই। বেচারা সিম্পসন! আজীবন নিরীহ-নিরপরাধ ভারতীয়দের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এসেছেন। এ জন্য কতকিছু চিন্তা করে নির্যাতনের উপায় বের করতে হয়েছে। সেই মানুষটি নিজের শেষ সময়ে বিন্দুমাত্র ভাবনার সময়ও পেলেন না। তার দিকে তাক করা তিনটি রিভলবার থেকে ছয়টি বুলেট সিম্পসনের শরীর ভেদ করে
৫ দিন আগে
তবে এ দিনের সবচেয়ে বড় ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হয়েছিল যুদ্ধের ময়দানে নয়, বরং ঢাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দপ্তরে। খোদ পাকিস্তানি জেনারেল রাও ফরমান আলী রাওয়ালপিন্ডির অনুমতি ছাড়াই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন যে, ‘খেলা শেষ’।
৫ দিন আগে
ঢাকায় তখন এক ভিন্ন দৃশ্য। যে জেনারেল নিয়াজি দম্ভভরে বলতেন ‘বাংলার মানুষ আমাকে বাঘের মতো ভয় পায়’, সেই নিয়াজি এ দিনেই গভর্নর হাউজে বসে প্রথমবারের মতো কান্নায় ভেঙে পড়েন। ৭ ডিসেম্বর কেবল ভূখণ্ড জয়ের দিন ছিল না, এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর অহংকারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার দিন।
৬ দিন আগে