
অরুণ কুমার

‘হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান্।/তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান।’ নজরুলের কালজয়ী কবিতার পংক্তি। আক্ষরিক্ষ অর্থেই দারিদ্র বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলকে মহান করেছিল। দারিদ্রই তাঁকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিল কালজয়ী সব কবিতার আর গান। তেমনি এক বিখ্যাত গানের জন্ম হয়েছিল চরম-অর্থকষ্টের মধ্যে। সে গান লেখার ইতিহাস গল্পকেও যেন হার মানায়।
দারিদ্র্য আর মৃত্যু ছিল কাজী নজরুল ইসলামের সারাজীবনের সঙ্গী। জীবনের চড়াই-উৎরাইয়ে বাংলার বিভিন্ন শহরে তাঁকে বাস করতে হয়েছে। এক সময় তিনি নদীয়ার জেলা সদর কৃষ্ণনগরে বাস করতেন। সপরিবারে।
তখন তাঁর সংসারে দুরবাস্থা— হাড়িতে চাল নেই, পকেটে পয়সা নেই। কী খাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এদিকে প্রিয়পুত্র বুলবুল অসুস্থ। এ অবস্থায় কিছু টাকা না হলেই নয়।
সুতরাং একদিন ট্রেন ধরে চলে গেলেন কলকাতা। হানা দিলেন ‘কল্লোল’ পত্রিকার অফিসে।
কল্লোলের সম্পাদক তখন সুরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। নজরুল গিয়ে বললেন, শিগগির আমাকে কিছু টাকা দে।
যেখান থেকে পারিস জোগাড় কর। উনুনে হাঁড়ি জ্বলছে না; ছেলে অসুস্থ। এ অবস্থায় তোরা যদি কিছু টাকা জোগাড় না করতে পারিস, তাহলে ভয়ংকর বিপদ আমার!
একদমে নজরুল বলে গেলেনে। সুরেশচন্দ্রকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই বললেন, ‘দেরি করিস না। যেখান থেকে পারিস টাকা জোগাড় কর।
এক্ষুনি আবার বাড়ি ফিরতে হবে, ছেলেটার অসুখ বাড়াবাড়ি রকমের।
সত্যিই সুরেশ তক্ষুণি কিছু টাকা জোগাড় করে নজরুলের হাতে তুলে দিলেন। নজরুল টাকা নিয়ে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু কী মনে করে বেশিদূর এগুতে পারলেন না। তক্ষুনি আবার ফিরে এলেন। এসে একখানি কাগজ ছুড়ে দিয়ে বললেন, ট্রেনে বসে এটা লিখেছি। দিতে ভুলে গিয়েছিলাম। দেখ, এটা চালানো যায় কিনা।
সুরেশচন্দ্র দেখলেন, কাগজটা একটা লিফটলেট। তার পেছনে কাঁপা-কাঁপা হাতে কবিতার মতো কী যেন লেখা। নিশ্চয়েই ট্রেনের ঝাঁকুনিতে কবির হাত কেঁপে গিয়েছিল। অনেক কষ্টে লেখার মর্মোদ্ধার করা সম্ভব হলো। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো নজরুলের কালজয়ী গান, যে গানটির জনপ্রিয়তা যুগ পেরিয়ে এই অনলাইনের যুগে এসেও কোক স্টুডিও কাঁপিয়েছে। সেই গানটি হলো—
বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে
দিসনে আজি দোল।
আজও তার ফুল কলিদের ঘুম টুটেনি
তন্দ্রলে বিলোল...

‘হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান্।/তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান।’ নজরুলের কালজয়ী কবিতার পংক্তি। আক্ষরিক্ষ অর্থেই দারিদ্র বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলকে মহান করেছিল। দারিদ্রই তাঁকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিল কালজয়ী সব কবিতার আর গান। তেমনি এক বিখ্যাত গানের জন্ম হয়েছিল চরম-অর্থকষ্টের মধ্যে। সে গান লেখার ইতিহাস গল্পকেও যেন হার মানায়।
দারিদ্র্য আর মৃত্যু ছিল কাজী নজরুল ইসলামের সারাজীবনের সঙ্গী। জীবনের চড়াই-উৎরাইয়ে বাংলার বিভিন্ন শহরে তাঁকে বাস করতে হয়েছে। এক সময় তিনি নদীয়ার জেলা সদর কৃষ্ণনগরে বাস করতেন। সপরিবারে।
তখন তাঁর সংসারে দুরবাস্থা— হাড়িতে চাল নেই, পকেটে পয়সা নেই। কী খাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এদিকে প্রিয়পুত্র বুলবুল অসুস্থ। এ অবস্থায় কিছু টাকা না হলেই নয়।
সুতরাং একদিন ট্রেন ধরে চলে গেলেন কলকাতা। হানা দিলেন ‘কল্লোল’ পত্রিকার অফিসে।
কল্লোলের সম্পাদক তখন সুরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। নজরুল গিয়ে বললেন, শিগগির আমাকে কিছু টাকা দে।
যেখান থেকে পারিস জোগাড় কর। উনুনে হাঁড়ি জ্বলছে না; ছেলে অসুস্থ। এ অবস্থায় তোরা যদি কিছু টাকা জোগাড় না করতে পারিস, তাহলে ভয়ংকর বিপদ আমার!
একদমে নজরুল বলে গেলেনে। সুরেশচন্দ্রকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই বললেন, ‘দেরি করিস না। যেখান থেকে পারিস টাকা জোগাড় কর।
এক্ষুনি আবার বাড়ি ফিরতে হবে, ছেলেটার অসুখ বাড়াবাড়ি রকমের।
সত্যিই সুরেশ তক্ষুণি কিছু টাকা জোগাড় করে নজরুলের হাতে তুলে দিলেন। নজরুল টাকা নিয়ে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু কী মনে করে বেশিদূর এগুতে পারলেন না। তক্ষুনি আবার ফিরে এলেন। এসে একখানি কাগজ ছুড়ে দিয়ে বললেন, ট্রেনে বসে এটা লিখেছি। দিতে ভুলে গিয়েছিলাম। দেখ, এটা চালানো যায় কিনা।
সুরেশচন্দ্র দেখলেন, কাগজটা একটা লিফটলেট। তার পেছনে কাঁপা-কাঁপা হাতে কবিতার মতো কী যেন লেখা। নিশ্চয়েই ট্রেনের ঝাঁকুনিতে কবির হাত কেঁপে গিয়েছিল। অনেক কষ্টে লেখার মর্মোদ্ধার করা সম্ভব হলো। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো নজরুলের কালজয়ী গান, যে গানটির জনপ্রিয়তা যুগ পেরিয়ে এই অনলাইনের যুগে এসেও কোক স্টুডিও কাঁপিয়েছে। সেই গানটি হলো—
বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে
দিসনে আজি দোল।
আজও তার ফুল কলিদের ঘুম টুটেনি
তন্দ্রলে বিলোল...

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, অভিনেতাদের পৃথক ঠিকানায় নোটিশগুলো পাঠানো হয়েছে। অজয় দেবগনের জুহুর বাসভবন ও শাহরুখ খানের বান্দ্রার বাসভবন ‘মান্নাত’-এ নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। টাইগার শ্রফকে তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘টাইগার শ্রফ প্রোডাকশনস’-এর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
বাংলা থিয়েটারে মৌলিক নাটকের দুষ্প্রাপ্যতার প্রেক্ষাপটে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব মনোজ মিত্র এই প্রতিযোগিতা চালু করেছিলেন। মনোজ মিত্র প্রকল্পিত পার্থপ্রতিম স্মরণে সুন্দরম আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার এটি ছিল ৩৩তম আসর।
১৫ দিন আগে
গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
২২ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
২৪ দিন আগে