
মো. ফেরদাউস মোবারক

১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত পাঁচজন মারা যান। আহত হন আরও অনেকে। এই ঘটনা খুবই জটিল। এর পেছনে আছে রাজনৈতিক উত্তেজনা, পুরনো শত্রুতা আর গুজব। কে দোষী, তা বুঝতে হলে সব পক্ষকে আলাদা করে দেখা দরকার। যেমন: আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), পুলিশ ও সেনাবাহিনী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং স্থানীয় মানুষ।
ঘটনার শুরু এনসিপি আয়োজিত র্যালি ঘিরে। এটি ছিল ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে। ওই আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে বাধ্য হন।
গোপালগঞ্জের এই র্যালিতে বাধা দেয় আওয়ামী লীগ সমর্থকরা। অভিযোগ আছে, তারা এনসিপির নেতাদের ওপর হামলা করে। দলটির সমাবেশস্থল ভাঙচুর এমনকি অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হয়ে যায়। পুলিশ আর সেনাবাহিনী কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে, এমনকি গুলি চালায়। পরিস্থিতি সামলাতে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করতে হয়। সরকারি হিসাবে পাঁচজন মারা গেছেন। কিন্তু কিছু ফেসবুক পোস্টে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি দাবি করা হচ্ছে। আহতের সংখ্যা অনেক।
এর আগের রাতে একটি গুজব ছড়ায়। গুজব ছিল, এনসিপি কর্মীরা নাকি বঙ্গবন্ধুর সমাধি ভেঙে ফেলবে। এই খবরের কোনো প্রমাণ নেই। তবুও এতে গোপালগঞ্জে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কারণ এটি আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আবেগ অনেক বেশি।
সরকার এই সহিংসতার নিন্দা করেছে। আওয়ামী লীগের কর্মীদের দোষী বা দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে দায়ী করা হয়েছে। সরকার বলেছে, দোষীদের শাস্তি হবে।
অনেকেই মনে করেন, সংঘর্ষ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। তারা মনে করেছিল, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি অসম্মান করা হবে। এজন্য তারা প্রতিক্রিয়া দেখায়। অতীতেও তাদের দমন করতে বল প্রয়োগ হয়েছে, এবারও তাই। তবে গুজবের কারণে তারা উস্কে উঠেছিল। তাই শুধু তাদের এককভাবে দোষ দেওয়া কঠিন।
অন্যদিকে এনসিপি মূলত তরুণদের দল। তারা জানত, গোপালগঞ্জ একটি স্পর্শকাতর এলাকা। তবুও সেখানে র্যালির সিদ্ধান্ত নেয়। অনেকেই বলছেন, এটি ছিল সাহসী সিদ্ধান্ত। আবার কেউ কেউ বলেন, এটি ছিল বোকামি। কারণ গুজব ছড়ানোর পরও তারা র্যালি বন্ধ করেনি। আবার গুজব খণ্ডনও করেনি। এতে করে মানুষ আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। যদিও তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার ছিল, তবুও তারা পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু এরপর তাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা ছিল ভয়ানক এবং অপ্রয়োজনীয়। তারা আসলে হামলার শিকার হয়েছে।
পুলিশ ও সেনাবাহিনীও গুলি চালিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তারা বলছে, তারা শুধু শান্তি ফেরাতে চেয়েছে। কিন্তু গুলি চালানো কেন প্রয়োজন হলো, তা বড় প্রশ্ন। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতীতেও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আন্দোলনে। এখনকার সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেছে। কিন্তু ফেসবুকে অনেকে অভিযোগ করেছেন, পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি চালিয়েছে। এসব এখনো প্রমাণ হয়নি। তবে তদন্ত হওয়া দরকার।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস এই সহিংসতার নিন্দা করেন, তিনি মূলত আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন। এতে বোঝা যায়, সরকার এনসিপির পাশে দাঁড়িয়েছে। সরকার চেয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত হোক। কিন্তু সরকার গুজব বন্ধ করতে পারেনি। পুলিশ-সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতেও ব্যর্থ হয়েছে। তাই সরকারও পরোক্ষভাবে দায় এড়াতে পারে না। কেউ কেউ বলছেন, সরকার নিজেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কেউ বলছে, সরকার গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। এসব এখনো প্রমাণ হয়নি। তবে রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে এসব কথা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
স্থানীয় মানুষও এই ঘটনায় যুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে যারা আওয়ামী লীগ সমর্থক। গুজব শুনে তারা রাস্তায় নেমেছে। সংঘর্ষে অংশ নিয়েছে। যদিও এদের কেউ সংগঠিতভাবে নামেনি, কিন্তু আবেগ থেকে তারা জড়িয়েছে। এতে বোঝা যায়, গুজব ও রাজনৈতিক মেরুকরণ কিভাবে সহিংসতা ডেকে আনতে পারে।
এই সহিংসতার জন্য শুধু একপক্ষকে দায়ী করা ঠিক হবে না। আওয়ামী লীগের আক্রমণ ঘটনাটি শুরু করেছে। কিন্তু এনসিপি যেভাবে স্পর্শকাতর জায়গায় র্যালি করেছে, সেটিও ছিল ভুল। আবার গুজব নিয়েও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে গুলি চালিয়েছে, তা নিয়েও বড় প্রশ্ন আছে। আর সরকার আগেই ব্যবস্থা নিলে হয়তো ঘটনা এত বড় হতো না। সবশেষে, গুজব এই ঘটনার সবচেয়ে বড় কারণ। এটি আমাদের তথ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা দেখিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন খুবই বিভক্ত। ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর থেকে এই বিভাজন আরও বেড়েছে। মানুষ এখন সরকার ও প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশ্বাস হারাচ্ছে। সহিংসতা খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে। জাতিসংঘ বলেছে, বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই রাষ্ট্রীয় সহিংসতা চলছে। এই সমস্যা এখনো ঠিক হয়নি। গোপালগঞ্জের ঘটনা সেই বড় সমস্যারই একটি নমুনা।
১৬ জুলাইয়ের এই সহিংসতা দেখিয়ে দেয়, সব পক্ষের জবাবদিহি দরকার। আওয়ামী লীগকে তাদের সহিংস ভূমিকায় জবাব দিতে হবে। এনসিপিকেও নিজের ভুলগুলো স্বীকার করতে হবে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলির বিষয়টি তদন্ত করতে হবে। আর সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে গুজব ঠেকাতে এবং শান্তিপূর্ণ রাজনীতি নিশ্চিত করতে। একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি। তাহলেই সত্য জানা যাবে, বিচার নিশ্চিত হবে, ভবিষ্যতে রক্তপাতও কমবে।
তবে সব অভিযোগ বিশ্বাস করা যাবে না। বিশেষ করে ফেসবুকে ছড়ানো অনেক তথ্য প্রমাণহীন। যেমন: বেশি মৃত্যুর খবর কিংবা সরকার ষড়যন্ত্র করেছে—এসবের সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তাই সতর্কভাবে এগোতে হবে। স্বচ্ছ তদন্তই সঠিক ঘটনা জানা ও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়ানোর অন্যতম উপায়।
লেখক: সাংবাদিক

১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত পাঁচজন মারা যান। আহত হন আরও অনেকে। এই ঘটনা খুবই জটিল। এর পেছনে আছে রাজনৈতিক উত্তেজনা, পুরনো শত্রুতা আর গুজব। কে দোষী, তা বুঝতে হলে সব পক্ষকে আলাদা করে দেখা দরকার। যেমন: আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), পুলিশ ও সেনাবাহিনী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং স্থানীয় মানুষ।
ঘটনার শুরু এনসিপি আয়োজিত র্যালি ঘিরে। এটি ছিল ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে। ওই আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে বাধ্য হন।
গোপালগঞ্জের এই র্যালিতে বাধা দেয় আওয়ামী লীগ সমর্থকরা। অভিযোগ আছে, তারা এনসিপির নেতাদের ওপর হামলা করে। দলটির সমাবেশস্থল ভাঙচুর এমনকি অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হয়ে যায়। পুলিশ আর সেনাবাহিনী কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে, এমনকি গুলি চালায়। পরিস্থিতি সামলাতে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করতে হয়। সরকারি হিসাবে পাঁচজন মারা গেছেন। কিন্তু কিছু ফেসবুক পোস্টে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি দাবি করা হচ্ছে। আহতের সংখ্যা অনেক।
এর আগের রাতে একটি গুজব ছড়ায়। গুজব ছিল, এনসিপি কর্মীরা নাকি বঙ্গবন্ধুর সমাধি ভেঙে ফেলবে। এই খবরের কোনো প্রমাণ নেই। তবুও এতে গোপালগঞ্জে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কারণ এটি আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আবেগ অনেক বেশি।
সরকার এই সহিংসতার নিন্দা করেছে। আওয়ামী লীগের কর্মীদের দোষী বা দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে দায়ী করা হয়েছে। সরকার বলেছে, দোষীদের শাস্তি হবে।
অনেকেই মনে করেন, সংঘর্ষ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। তারা মনে করেছিল, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি অসম্মান করা হবে। এজন্য তারা প্রতিক্রিয়া দেখায়। অতীতেও তাদের দমন করতে বল প্রয়োগ হয়েছে, এবারও তাই। তবে গুজবের কারণে তারা উস্কে উঠেছিল। তাই শুধু তাদের এককভাবে দোষ দেওয়া কঠিন।
অন্যদিকে এনসিপি মূলত তরুণদের দল। তারা জানত, গোপালগঞ্জ একটি স্পর্শকাতর এলাকা। তবুও সেখানে র্যালির সিদ্ধান্ত নেয়। অনেকেই বলছেন, এটি ছিল সাহসী সিদ্ধান্ত। আবার কেউ কেউ বলেন, এটি ছিল বোকামি। কারণ গুজব ছড়ানোর পরও তারা র্যালি বন্ধ করেনি। আবার গুজব খণ্ডনও করেনি। এতে করে মানুষ আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। যদিও তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার ছিল, তবুও তারা পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু এরপর তাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা ছিল ভয়ানক এবং অপ্রয়োজনীয়। তারা আসলে হামলার শিকার হয়েছে।
পুলিশ ও সেনাবাহিনীও গুলি চালিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তারা বলছে, তারা শুধু শান্তি ফেরাতে চেয়েছে। কিন্তু গুলি চালানো কেন প্রয়োজন হলো, তা বড় প্রশ্ন। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতীতেও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আন্দোলনে। এখনকার সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেছে। কিন্তু ফেসবুকে অনেকে অভিযোগ করেছেন, পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি চালিয়েছে। এসব এখনো প্রমাণ হয়নি। তবে তদন্ত হওয়া দরকার।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস এই সহিংসতার নিন্দা করেন, তিনি মূলত আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন। এতে বোঝা যায়, সরকার এনসিপির পাশে দাঁড়িয়েছে। সরকার চেয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত হোক। কিন্তু সরকার গুজব বন্ধ করতে পারেনি। পুলিশ-সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতেও ব্যর্থ হয়েছে। তাই সরকারও পরোক্ষভাবে দায় এড়াতে পারে না। কেউ কেউ বলছেন, সরকার নিজেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কেউ বলছে, সরকার গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। এসব এখনো প্রমাণ হয়নি। তবে রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে এসব কথা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
স্থানীয় মানুষও এই ঘটনায় যুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে যারা আওয়ামী লীগ সমর্থক। গুজব শুনে তারা রাস্তায় নেমেছে। সংঘর্ষে অংশ নিয়েছে। যদিও এদের কেউ সংগঠিতভাবে নামেনি, কিন্তু আবেগ থেকে তারা জড়িয়েছে। এতে বোঝা যায়, গুজব ও রাজনৈতিক মেরুকরণ কিভাবে সহিংসতা ডেকে আনতে পারে।
এই সহিংসতার জন্য শুধু একপক্ষকে দায়ী করা ঠিক হবে না। আওয়ামী লীগের আক্রমণ ঘটনাটি শুরু করেছে। কিন্তু এনসিপি যেভাবে স্পর্শকাতর জায়গায় র্যালি করেছে, সেটিও ছিল ভুল। আবার গুজব নিয়েও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে গুলি চালিয়েছে, তা নিয়েও বড় প্রশ্ন আছে। আর সরকার আগেই ব্যবস্থা নিলে হয়তো ঘটনা এত বড় হতো না। সবশেষে, গুজব এই ঘটনার সবচেয়ে বড় কারণ। এটি আমাদের তথ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা দেখিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন খুবই বিভক্ত। ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর থেকে এই বিভাজন আরও বেড়েছে। মানুষ এখন সরকার ও প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশ্বাস হারাচ্ছে। সহিংসতা খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে। জাতিসংঘ বলেছে, বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই রাষ্ট্রীয় সহিংসতা চলছে। এই সমস্যা এখনো ঠিক হয়নি। গোপালগঞ্জের ঘটনা সেই বড় সমস্যারই একটি নমুনা।
১৬ জুলাইয়ের এই সহিংসতা দেখিয়ে দেয়, সব পক্ষের জবাবদিহি দরকার। আওয়ামী লীগকে তাদের সহিংস ভূমিকায় জবাব দিতে হবে। এনসিপিকেও নিজের ভুলগুলো স্বীকার করতে হবে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলির বিষয়টি তদন্ত করতে হবে। আর সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে গুজব ঠেকাতে এবং শান্তিপূর্ণ রাজনীতি নিশ্চিত করতে। একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি। তাহলেই সত্য জানা যাবে, বিচার নিশ্চিত হবে, ভবিষ্যতে রক্তপাতও কমবে।
তবে সব অভিযোগ বিশ্বাস করা যাবে না। বিশেষ করে ফেসবুকে ছড়ানো অনেক তথ্য প্রমাণহীন। যেমন: বেশি মৃত্যুর খবর কিংবা সরকার ষড়যন্ত্র করেছে—এসবের সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তাই সতর্কভাবে এগোতে হবে। স্বচ্ছ তদন্তই সঠিক ঘটনা জানা ও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়ানোর অন্যতম উপায়।
লেখক: সাংবাদিক

কখনো ঠান্ডা, কখনো গরম— এমন পরিস্থিতির পালাবদলে নারী, পুরুষ, শিশু ও তরুণদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ ‘সর্দি জ্বরে’। এর মধ্যেই আবার দেখা দিয়েছে ‘ভাইরাসজনিত ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর’ও। শিশুরা ভুগছে নানান ভাইরাসের সংক্রমণে ‘শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত জ্বরে’।
৭ দিন আগে
মেধার পক্ষে দাঁড়ানো মানে শুধু পরীক্ষার্থীর পক্ষে দাঁড়ানো নয়; এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নৈতিক মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানো। এখন সাহসী সিদ্ধান্তের সময়— রাষ্ট্রকে মেধার পক্ষে দাঁড়াতে হবে।
৭ দিন আগে
সম্ভবত সেই দিক বিবেচনায় আজ শনিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার হতে প্রয়োজনীয় তেল ক্রয় করছে। ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই। দ
৮ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রী যখন বলেছেন প্রতিদিন সরকারের ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার কথা, তখন ধরে নেওয়া যায় যে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা কোনো কর্মকর্তা হিসাবটি তাকে জানিয়েছেন। কিন্তু সেটি কীভাবে, সে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী তথা সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা দরকার, যেন এ নিয়ে গণবিভ্রান্তির অবসান ঘটে।
৯ দিন আগে