
ফজলুল বারী

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে রক্ষকই ভক্ষক! যাদের উপর দায়িত্ব স্থিতিশীলতা রক্ষার, তাঁদের অনেকেই অস্থিরতার বিস্তার ঘটান। আরও একটি দাবি আদায়ের জন্য ওরাই গত সপ্তাহে পরিকল্পিত অস্থিরতা ছড়িয়েছে।
গর্তের ভিতর ইঁদুর রেখে গর্ত ভরাট করে লাভ নেই-পুঁজিবাজারের ইঁদুর মার্জিন। পুঁজিবাজার ইকুইটি নির্ভর। মৌলনির্ভর ইকুইটিই এ বাজারের শক্তি। পুঁজিবাজার সুদমুক্ত লগ্নি ও টেকসই পুঁজি সরবরাহ করে। এখানে ঋণ নয়, প্রয়োজন পুঁজির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউস থেকে মার্জিন (ঋণ) প্রদান মানা। ব্যাংক ঋণ বাণিজ্য করে। ঋণ আদায় ও প্রদানের প্রয়োজনীয় কাঠামো ও বিভাগ ব্যাংকগুলোর আছে। আছে লিগ্যাল, বিনিয়োগ, রিকভারি-সহ নানা বিভাগ। ঋণ আদায়ের জন্য বিশেষায়িত আদালতও আছে।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউসের এসব বিভাগ ও কাঠামো নেই।
যেসব ব্রোকারেজ হাউস থেকে মার্জিন সরবরাহ করা হয় সেগুলোকে ‘ক্যাসিনো হাউস’ বলাই শ্রেয়। ক্যাসিনো ফাঁদে পড়ে গত ১৫ বছরে ১৮ লাখ ৩৭ হাজার বিনিয়োগকারী নিঃস্ব অবস্থায় পুঁজিবাজার ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে ১৩ লাখ ৭০ হাজার বিনিয়োগকারী আছে। নজর এখন ওদের বিনিয়োগ পুঁজি হরণের।
উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে মার্জিনকে ‘না’ বলতে হবে। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউসে নতুন মার্জিন প্রদান নিষিদ্ধ করতে হবে। পুরোনো মার্জিন সমন্বয়ের জন্য পাঁচ বছরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ সময়সীমার মধ্যেই পুঁজিবাজারকে মার্জিনমুক্ত করতে হবে। ইকুইটি মার্কেটে শুধু ইকুইটিই থাকবে, ক্যাসিনো থাকবে না। এ লক্ষ্যে এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
আইসিবি-সহ শীর্ষ দশ ব্রোকার হাউসের কার্যক্রম যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু করতে হবে। এ লক্ষ্যে, বিষয়জ্ঞানসম্পন্ন, দক্ষ, বাজার ও নীতি-বান্ধব ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি অনুসন্ধানী দল গঠন করা যেতে পারে।
ওদের কাজ হবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউসের সার্বিক কার্যক্রম যাচাই-বাছাই করে মার্কিং ও শ্রেণীবিন্যাসের প্রস্তাবনা পেশ করা। অর্থাৎ সবুজ, হলুদ ও লাল জোন চিহ্নিত করা।
একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার হাউসের কর্তাব্যক্তিদের সাথে আলাপ-আলোচনার দরজাও খোলা রাখতে হবে। জানতে হবে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ব্যর্থ কেন? কেন তারা নিজ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের পুঁজির সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? আরও জানতে হবে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানগুলোতে কত সংখ্যক বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হয়ে বাজার ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
ইকুইটি মাইনাস অ্যাকাউন্টগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য পৃথক একটি শক্তিশালী অনুসন্ধানী দল গঠন করা যেতেই পারে। এর মাধ্যমে থলের বিড়াল একে একে বের হতে শুরু করবে।
সম্প্রতি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রযোজিত, রাশেদ মাকসুদ পরিচালিত পুঁজিবাজার ‘সংস্কার টাস্কফোর্স’ মার্জিন ঋণ বিধিমালার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই। প্রাসঙ্গিক প্রবাদ; ‘ছাগল দিয়ে হাল চাষ করা গেলে গরুর প্রয়োজন হতো না’। একটি গানের কলিও মনে পড়ল— ‘আমার যেমন বেণী তেমনি রবে, চুল ভিজাবো না। জলে নামবো, জল ছড়াবো, জল তো ছোঁব না…’।
অনেক যদিও-তবুওর বিধিমালার যোগফল ‘অশ্বডিম্ব’। উদাহরণ: প্রস্তাবনায় মার্জিন প্রাপ্তির যোগ্যতার একটি শর্ত হলো সর্বোচ্চ পিই ৩০। তবে এটি কোনোভাবেই খাতভিত্তিক ১৮ পিই’র বেশি হতে পারবে না। গত সপ্তাহে ১৮ পিই’র বেশি পিই ছিল ভ্রমণ, মিউচুয়াল ফান্ড, খাদ্য, ট্যানারি, কাগজ-পাট ও সিরামিক খাতে। উল্লিখিত ছয়টি বাদে বাকি ১৫ খাতের শেয়ার মার্জিন আওতায় এসে যাবে। তাই এধরনের চিন্তা উদ্ভট!
এ উদ্ভট প্রস্তাবনাকে ইস্যু বানিয়ে, ক্যাসিনো মহাজনরা সপ্তাহজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়েছে। মূল্য সূচক চাপে রেখেছে। তবে ভলিউম ঠিক রেখেছে। এটা না করে ওরা বিএসইসিতে লিখিত বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নিতেই পারত। এখনো পারে।
’যদি ও কিন্তু’র আধিক্য-নির্ভর প্রস্তাবিত মার্জিন বিধিমালা ‘ফ্যালাসি’ বৈ অন্য কিছু নয়!
নতুন করে চাপে পড়া পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে তিনটি মূল্য সূচকের ধনাত্মক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। এসএমই সূচক ছিল ঋণাত্মক।
খাতভিত্তিক পরিসংখ্যানে গত সপ্তাহে ১৭ খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে চার খাতের শেয়ারমূল্য। লেনদেন বেড়েছে ১৯ খাতের শেয়ারে, কমেছে ২ খাতের শেয়ারে। খাতভিত্তিক রিটার্ন ডিস্ট্রিবিউশনে সবুজ ১৩টি, লাল ৮টি।
গত সপ্তাহে ডিএসই’র দাম বৃদ্ধির শীর্ষ দশ তালিকায় চারটি ছিল ‘জেড’ গ্রুপের শেয়ার। ‘বি’ গ্রুপের তিনটি এবং ‘এ’ গ্রুপের তিনটি শেয়ার স্থান পায়। লেনদেন বৃদ্ধির শীর্ষ দশ তালিকায় ৯টি ‘এ’ গ্রুপের শেয়ার, একটি ছিল ‘বি’ গ্রুপের শেয়ার।
সার্বিক তথ্য বিশ্লেষণে ইতিবাচক দিকটি হলো, অস্থিরতার মধ্যেও বাজারে শেয়ার সংগ্রহ প্রবণতা বৃদ্ধির বিষয়টি।
লেখক: পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে রক্ষকই ভক্ষক! যাদের উপর দায়িত্ব স্থিতিশীলতা রক্ষার, তাঁদের অনেকেই অস্থিরতার বিস্তার ঘটান। আরও একটি দাবি আদায়ের জন্য ওরাই গত সপ্তাহে পরিকল্পিত অস্থিরতা ছড়িয়েছে।
গর্তের ভিতর ইঁদুর রেখে গর্ত ভরাট করে লাভ নেই-পুঁজিবাজারের ইঁদুর মার্জিন। পুঁজিবাজার ইকুইটি নির্ভর। মৌলনির্ভর ইকুইটিই এ বাজারের শক্তি। পুঁজিবাজার সুদমুক্ত লগ্নি ও টেকসই পুঁজি সরবরাহ করে। এখানে ঋণ নয়, প্রয়োজন পুঁজির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউস থেকে মার্জিন (ঋণ) প্রদান মানা। ব্যাংক ঋণ বাণিজ্য করে। ঋণ আদায় ও প্রদানের প্রয়োজনীয় কাঠামো ও বিভাগ ব্যাংকগুলোর আছে। আছে লিগ্যাল, বিনিয়োগ, রিকভারি-সহ নানা বিভাগ। ঋণ আদায়ের জন্য বিশেষায়িত আদালতও আছে।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউসের এসব বিভাগ ও কাঠামো নেই।
যেসব ব্রোকারেজ হাউস থেকে মার্জিন সরবরাহ করা হয় সেগুলোকে ‘ক্যাসিনো হাউস’ বলাই শ্রেয়। ক্যাসিনো ফাঁদে পড়ে গত ১৫ বছরে ১৮ লাখ ৩৭ হাজার বিনিয়োগকারী নিঃস্ব অবস্থায় পুঁজিবাজার ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে ১৩ লাখ ৭০ হাজার বিনিয়োগকারী আছে। নজর এখন ওদের বিনিয়োগ পুঁজি হরণের।
উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে মার্জিনকে ‘না’ বলতে হবে। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউসে নতুন মার্জিন প্রদান নিষিদ্ধ করতে হবে। পুরোনো মার্জিন সমন্বয়ের জন্য পাঁচ বছরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ সময়সীমার মধ্যেই পুঁজিবাজারকে মার্জিনমুক্ত করতে হবে। ইকুইটি মার্কেটে শুধু ইকুইটিই থাকবে, ক্যাসিনো থাকবে না। এ লক্ষ্যে এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
আইসিবি-সহ শীর্ষ দশ ব্রোকার হাউসের কার্যক্রম যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু করতে হবে। এ লক্ষ্যে, বিষয়জ্ঞানসম্পন্ন, দক্ষ, বাজার ও নীতি-বান্ধব ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি অনুসন্ধানী দল গঠন করা যেতে পারে।
ওদের কাজ হবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউসের সার্বিক কার্যক্রম যাচাই-বাছাই করে মার্কিং ও শ্রেণীবিন্যাসের প্রস্তাবনা পেশ করা। অর্থাৎ সবুজ, হলুদ ও লাল জোন চিহ্নিত করা।
একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার হাউসের কর্তাব্যক্তিদের সাথে আলাপ-আলোচনার দরজাও খোলা রাখতে হবে। জানতে হবে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ব্যর্থ কেন? কেন তারা নিজ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের পুঁজির সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? আরও জানতে হবে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানগুলোতে কত সংখ্যক বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হয়ে বাজার ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
ইকুইটি মাইনাস অ্যাকাউন্টগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য পৃথক একটি শক্তিশালী অনুসন্ধানী দল গঠন করা যেতেই পারে। এর মাধ্যমে থলের বিড়াল একে একে বের হতে শুরু করবে।
সম্প্রতি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রযোজিত, রাশেদ মাকসুদ পরিচালিত পুঁজিবাজার ‘সংস্কার টাস্কফোর্স’ মার্জিন ঋণ বিধিমালার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই। প্রাসঙ্গিক প্রবাদ; ‘ছাগল দিয়ে হাল চাষ করা গেলে গরুর প্রয়োজন হতো না’। একটি গানের কলিও মনে পড়ল— ‘আমার যেমন বেণী তেমনি রবে, চুল ভিজাবো না। জলে নামবো, জল ছড়াবো, জল তো ছোঁব না…’।
অনেক যদিও-তবুওর বিধিমালার যোগফল ‘অশ্বডিম্ব’। উদাহরণ: প্রস্তাবনায় মার্জিন প্রাপ্তির যোগ্যতার একটি শর্ত হলো সর্বোচ্চ পিই ৩০। তবে এটি কোনোভাবেই খাতভিত্তিক ১৮ পিই’র বেশি হতে পারবে না। গত সপ্তাহে ১৮ পিই’র বেশি পিই ছিল ভ্রমণ, মিউচুয়াল ফান্ড, খাদ্য, ট্যানারি, কাগজ-পাট ও সিরামিক খাতে। উল্লিখিত ছয়টি বাদে বাকি ১৫ খাতের শেয়ার মার্জিন আওতায় এসে যাবে। তাই এধরনের চিন্তা উদ্ভট!
এ উদ্ভট প্রস্তাবনাকে ইস্যু বানিয়ে, ক্যাসিনো মহাজনরা সপ্তাহজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়েছে। মূল্য সূচক চাপে রেখেছে। তবে ভলিউম ঠিক রেখেছে। এটা না করে ওরা বিএসইসিতে লিখিত বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নিতেই পারত। এখনো পারে।
’যদি ও কিন্তু’র আধিক্য-নির্ভর প্রস্তাবিত মার্জিন বিধিমালা ‘ফ্যালাসি’ বৈ অন্য কিছু নয়!
নতুন করে চাপে পড়া পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে তিনটি মূল্য সূচকের ধনাত্মক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। এসএমই সূচক ছিল ঋণাত্মক।
খাতভিত্তিক পরিসংখ্যানে গত সপ্তাহে ১৭ খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে চার খাতের শেয়ারমূল্য। লেনদেন বেড়েছে ১৯ খাতের শেয়ারে, কমেছে ২ খাতের শেয়ারে। খাতভিত্তিক রিটার্ন ডিস্ট্রিবিউশনে সবুজ ১৩টি, লাল ৮টি।
গত সপ্তাহে ডিএসই’র দাম বৃদ্ধির শীর্ষ দশ তালিকায় চারটি ছিল ‘জেড’ গ্রুপের শেয়ার। ‘বি’ গ্রুপের তিনটি এবং ‘এ’ গ্রুপের তিনটি শেয়ার স্থান পায়। লেনদেন বৃদ্ধির শীর্ষ দশ তালিকায় ৯টি ‘এ’ গ্রুপের শেয়ার, একটি ছিল ‘বি’ গ্রুপের শেয়ার।
সার্বিক তথ্য বিশ্লেষণে ইতিবাচক দিকটি হলো, অস্থিরতার মধ্যেও বাজারে শেয়ার সংগ্রহ প্রবণতা বৃদ্ধির বিষয়টি।
লেখক: পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক

এভাবেই লাখ লাখ ভোটারকে একত্রিত করতে সক্ষম একটি নির্বাচন দলীয় কর্মী বাহিনীর একত্রিতকরণের একটি অপারেশনে পরিণত হয়। ফলে শুধু ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনাতেই কয়েক লাখ সংগঠিত কর্মী মাঠে নামাতে হয়। এই মানুষগুলো স্বেচ্ছাসেবী নন, তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় অর্থ, প্রভাব ও সুবিধার আশ্বাস দিয়ে।
৬ দিন আগে
বিপরীতভাবে, ইতিহাস যখন বিকৃত হয়— ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা অবহেলার কারণে— তখন একটি জাতি ধীরে ধীরে তার শেকড় হারাতে শুরু করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইতিহাস বিকৃতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই একটি গভীর ও বহুমাত্রিক সংকট হিসেবে বিদ্যমান।
৭ দিন আগে
অর্থাৎ এ পর্যন্ত তিনবার ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে; এবারেরটি হবে চতুর্থ। তবে নির্বাচনের কারণে বইমেলা কখনো বন্ধ থাকেনি। ১৯৭৯ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলেছে। ১৯৯১ সালেও মেলা চলেছে পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়ে। ১৯৯৬ সালেও একই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ১৯৭৯ সালের মেলাটি কিছুটা ব্যতিক
৮ দিন আগে
যতদিন শাসনব্যবস্থা মানুষকে রাজকীয় যন্ত্রের বিনিময়যোগ্য যন্ত্রাংশ হিসেবে গণ্য করবে, ততদিন এ দেশ বহু রাজার, শোষিত প্রজার দেশ হয়েই থাকবে— আর নাগরিকরা চিরকালই গলা মিলিয়ে গান গাইতে বাধ্য হবে— আমরা সবাই গাধা…
১১ দিন আগে