
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ষবরণের আনন্দ শোভাযাত্রায় ফ্যাসিবাদের মুখাবয়বের সঙ্গে অনেকেই জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মুখের আদল খুঁজে পেলেও এটি কোনো ধরনের রাজনীতির অংশ নয় বলে দাবি করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট কোনো রাজনীতির অংশ নয়। ফ্যাসিস্ট সবচেয়ে বড় অশুভ শক্তি। তাই আমরা শুধু ফ্যাসিস্টের মুখাবয়ব ব্যবহার করেছি। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গ্রুপ এটিকে তাদের প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলার আয়োজনে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, দেশের সব জনগোষ্ঠী, সব ঐতিহ্য— সেই আকবর আমলের ঐতিহ্য, সুলতানি আমলের ঐতিহ্য— সবকিছুর মিশ্রণ এখানে দেখবেন। তবে এখানে টিপিক্যাল রাজনীতির কিছু নেই।
আশির দশকে প্রথমে যশোরে বর্ষবরণের শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দশকের একদম শেষ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের (বর্তমানে চারুকলা অনুষদ) শিক্ষার্থীরা স্বৈরাচারবিরোধী বার্তা দিয়ে আয়োজন করেন আনন্দ শোভাযাত্রা। পরে এটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মঙ্গল শোভযাত্রা নামে আয়োজিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে এটি ইউনেস্কোর অধরা বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ হিসেবেও স্বীকৃতি পায়।
এ বছর এর নাম বদলে রাখা হয়েছে বর্ষবরণের আনন্দ শোভাযাত্রা। চারুকলা অনুষদ থেকেই এ নাম বদলের সিদ্ধান্ত জানানো হলেও চারুকলারই কিছু শিক্ষার্থী এর বিরোধিতা করেছেন। কেন নাম পরিবর্তন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ফারুকী বলেন, চাপিয়ে দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আগে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নাম ছিল বর্ষবরণ শোভাযাত্রা, যশোরে। সেখান থেকে ঢাকায় আসার পর নাম হয় আনন্দ শোভাযাত্রা। এরপর চাপানো হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে। এবার চারুকলা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চারুকলায় যে নামে চালু হয়েছিল সেই নামে শুরু হবে।
‘অনেকদিন ধরে এটাকে আমরা বাঙালির প্রাণের উৎসব বানিয়ে রেখেছি। কিন্তু এটা বাংলাদেশের প্রাণের উৎসব। কারণ বাঙালি, চাকমা, মারমা, গারোসহ সব জাতিগোষ্ঠী বর্ষবরণ পালন করে,’— যোগ করেন উপদেষ্টা ফারুকী।
তিনি আরও বলেন, নববর্ষ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐক্যের বড় উপলক্ষ। এটা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য এবং সম্মিলনের একটি বড় ধাপ। আমরা হয়তো ২০ থেকে ৩০ বছর পর থাকব না। কিন্তু আজকের বছরটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ এরপর থেকে বাংলাদেশ এভাবেই চলবে।
এর আগে সোমবার সকাল ৯টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। ফ্যাসিবাদের মুখাবয়ব, শান্তির প্রতীক পায়রা, ইলিশ মাছ, বাঘসহ নানা মোটিফ আর হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে শোভাযাত্রা হয়ে ওঠে বর্ণিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ষবরণের আনন্দ শোভাযাত্রায় ফ্যাসিবাদের মুখাবয়বের সঙ্গে অনেকেই জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মুখের আদল খুঁজে পেলেও এটি কোনো ধরনের রাজনীতির অংশ নয় বলে দাবি করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট কোনো রাজনীতির অংশ নয়। ফ্যাসিস্ট সবচেয়ে বড় অশুভ শক্তি। তাই আমরা শুধু ফ্যাসিস্টের মুখাবয়ব ব্যবহার করেছি। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গ্রুপ এটিকে তাদের প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলার আয়োজনে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, দেশের সব জনগোষ্ঠী, সব ঐতিহ্য— সেই আকবর আমলের ঐতিহ্য, সুলতানি আমলের ঐতিহ্য— সবকিছুর মিশ্রণ এখানে দেখবেন। তবে এখানে টিপিক্যাল রাজনীতির কিছু নেই।
আশির দশকে প্রথমে যশোরে বর্ষবরণের শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দশকের একদম শেষ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের (বর্তমানে চারুকলা অনুষদ) শিক্ষার্থীরা স্বৈরাচারবিরোধী বার্তা দিয়ে আয়োজন করেন আনন্দ শোভাযাত্রা। পরে এটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মঙ্গল শোভযাত্রা নামে আয়োজিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে এটি ইউনেস্কোর অধরা বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ হিসেবেও স্বীকৃতি পায়।
এ বছর এর নাম বদলে রাখা হয়েছে বর্ষবরণের আনন্দ শোভাযাত্রা। চারুকলা অনুষদ থেকেই এ নাম বদলের সিদ্ধান্ত জানানো হলেও চারুকলারই কিছু শিক্ষার্থী এর বিরোধিতা করেছেন। কেন নাম পরিবর্তন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ফারুকী বলেন, চাপিয়ে দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আগে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নাম ছিল বর্ষবরণ শোভাযাত্রা, যশোরে। সেখান থেকে ঢাকায় আসার পর নাম হয় আনন্দ শোভাযাত্রা। এরপর চাপানো হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে। এবার চারুকলা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চারুকলায় যে নামে চালু হয়েছিল সেই নামে শুরু হবে।
‘অনেকদিন ধরে এটাকে আমরা বাঙালির প্রাণের উৎসব বানিয়ে রেখেছি। কিন্তু এটা বাংলাদেশের প্রাণের উৎসব। কারণ বাঙালি, চাকমা, মারমা, গারোসহ সব জাতিগোষ্ঠী বর্ষবরণ পালন করে,’— যোগ করেন উপদেষ্টা ফারুকী।
তিনি আরও বলেন, নববর্ষ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐক্যের বড় উপলক্ষ। এটা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য এবং সম্মিলনের একটি বড় ধাপ। আমরা হয়তো ২০ থেকে ৩০ বছর পর থাকব না। কিন্তু আজকের বছরটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ এরপর থেকে বাংলাদেশ এভাবেই চলবে।
এর আগে সোমবার সকাল ৯টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। ফ্যাসিবাদের মুখাবয়ব, শান্তির প্রতীক পায়রা, ইলিশ মাছ, বাঘসহ নানা মোটিফ আর হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে শোভাযাত্রা হয়ে ওঠে বর্ণিল।

মাহমুদুল হাসান মানিক আরও বলেন, কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকের উৎপাদিত ধান কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই অবিলম্বে ধানের বাজারে কৃষকের লাভজনক মূল্য দিতে হবে এবং সরকারি উদ্যোগে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার ব্যবস্থা করতে হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে এবং বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।’
১৪ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংগ্ন এলাকায় আগামী ১১ মে-এর মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আগামী পাঁচদিন পরও দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র এবং সমাজ দেখতে চায়। যেখানে জানমালের ভয় থাকবে না। আর থাকবে না অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয়। এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক।
১৫ ঘণ্টা আগে