
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রজাধানী ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের চাপাতি হাতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইয়ের পর ওই ছিনতাইকারীকে ট্রাফিক পুলিশের সামনে দিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল পেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তিন ঘণ্টায় ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১৭ লাখবার। সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি বার ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ছিনতাইতারী একজনের ব্যাগ ছিনতাই করে চাপাতি হাতে সড়কে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সামনে দিয়ে বিনা বাধায় হেঁটে চলে গেছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ বলছে, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতের। ওই ছিনতাইকারীর সন্ধান চলছে।
সড়কে অবস্থানরত একটি প্রাইভেট কার থেকে ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, রাতের কোনো একটি সময়ে ব্যস্ত সড়কের পাশেই চাপাতি হাতে একজনকে ভয় দেখাচ্ছিলেন এক যুবক। মুহূর্ত পরেই একটি ব্যাগ মাটি থেকে তুলে কাঁধে নিয়ে তিনি হেঁটে সড়কের বিপরীত পাশে চলে যান।
এ দুই পুলিশ সদস্য ও তাদের সঙ্গে থাকা আরেকজনকে সড়কে গাড়ি চলাচলে নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। তাদের সামনে দিয়ে ছিনতাইকারী তরুণটি বিনা বাধায় চলে যান। তার এক হাতে ছিল ব্যাগ, এক হাতে ছিল চাপাতি। পুলিশ সদস্যদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি চাপাতি আড়াল করার চেষ্টা করেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনেই ঘটনাটি ঘটলেও কেউ এগিয়ে যাননি। ফেসবুকে ওই ভিডিওতে কমেন্টে অবশ্য কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, পুলিশ সদস্যরাই যেখানে নিশ্চল, সেখানে সাধারণ মানুষ কোন সাহসে এগিয়ে যাবেন?
কেউ কেউ অবশ্য পালটা যুক্তিও দিয়েছেন। বলেছেন, প্রকাশ্যে এত মানুষের সামনে এমন ছিনতাইয়ের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। ছিনতাইকারী ছিলেন মাত্র একজন। আশপাশের মানুষগুলো এগিয়ে গেলে তাকে আটকানো সম্ভব ছিল। কিন্তু সবাই দায় এড়িয়েছেন।
ছিনতাইয়ের এই ভিডিও নিয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু মারমা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকের। এ ঘটনা নিয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ছিনতাইকারীকে শনাক্তের কাজ চলছে।
ওসি ঘটনাটি দিবাগত রাত ১২টার দিকের উল্লেখ করলেও সড়কে সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের উপস্থিতি দেখে তা এত গভীর রাতের বলে মনে হয়নি। ভিডিওটি যিনি পোস্ট করেছেন, তিনিও ঘটনার কোনো সময় উল্লেখ করেননি।
আরিয়ান নামের ওই পোস্টদাতা কেবল ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে চাপাটি হাতে ব্যাগ ছিনতাই করছে… অথচ তার পাশেই ছিল ট্রাফিক পুলিশ।’ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি রাজনীতি ডটকম।

রজাধানী ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের চাপাতি হাতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইয়ের পর ওই ছিনতাইকারীকে ট্রাফিক পুলিশের সামনে দিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল পেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তিন ঘণ্টায় ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১৭ লাখবার। সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি বার ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ছিনতাইতারী একজনের ব্যাগ ছিনতাই করে চাপাতি হাতে সড়কে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সামনে দিয়ে বিনা বাধায় হেঁটে চলে গেছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ বলছে, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতের। ওই ছিনতাইকারীর সন্ধান চলছে।
সড়কে অবস্থানরত একটি প্রাইভেট কার থেকে ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, রাতের কোনো একটি সময়ে ব্যস্ত সড়কের পাশেই চাপাতি হাতে একজনকে ভয় দেখাচ্ছিলেন এক যুবক। মুহূর্ত পরেই একটি ব্যাগ মাটি থেকে তুলে কাঁধে নিয়ে তিনি হেঁটে সড়কের বিপরীত পাশে চলে যান।
এ দুই পুলিশ সদস্য ও তাদের সঙ্গে থাকা আরেকজনকে সড়কে গাড়ি চলাচলে নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। তাদের সামনে দিয়ে ছিনতাইকারী তরুণটি বিনা বাধায় চলে যান। তার এক হাতে ছিল ব্যাগ, এক হাতে ছিল চাপাতি। পুলিশ সদস্যদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি চাপাতি আড়াল করার চেষ্টা করেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনেই ঘটনাটি ঘটলেও কেউ এগিয়ে যাননি। ফেসবুকে ওই ভিডিওতে কমেন্টে অবশ্য কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, পুলিশ সদস্যরাই যেখানে নিশ্চল, সেখানে সাধারণ মানুষ কোন সাহসে এগিয়ে যাবেন?
কেউ কেউ অবশ্য পালটা যুক্তিও দিয়েছেন। বলেছেন, প্রকাশ্যে এত মানুষের সামনে এমন ছিনতাইয়ের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। ছিনতাইকারী ছিলেন মাত্র একজন। আশপাশের মানুষগুলো এগিয়ে গেলে তাকে আটকানো সম্ভব ছিল। কিন্তু সবাই দায় এড়িয়েছেন।
ছিনতাইয়ের এই ভিডিও নিয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু মারমা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকের। এ ঘটনা নিয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ছিনতাইকারীকে শনাক্তের কাজ চলছে।
ওসি ঘটনাটি দিবাগত রাত ১২টার দিকের উল্লেখ করলেও সড়কে সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের উপস্থিতি দেখে তা এত গভীর রাতের বলে মনে হয়নি। ভিডিওটি যিনি পোস্ট করেছেন, তিনিও ঘটনার কোনো সময় উল্লেখ করেননি।
আরিয়ান নামের ওই পোস্টদাতা কেবল ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে চাপাটি হাতে ব্যাগ ছিনতাই করছে… অথচ তার পাশেই ছিল ট্রাফিক পুলিশ।’ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি রাজনীতি ডটকম।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, আপনারা সারা জীবন ভারতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে ভারতের সঙ্গে গোপনে মিটিং করেছেন। আপনারা সারা জীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করে লাস্টে এসে বলছেন, আমরা শরিয়া আইন চান না। আপনারা তো ভোটের জন্য এটা করে ফেলেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে। পহেলা বৈশাখে ক্যাম্পাসে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। এ সময় মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারীরা যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত ও পলাশী গেট ব্যবহার করতে পার
১৩ ঘণ্টা আগে
তিনি সংবিধানের ৭২ ও ৭৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও ভাষণ প্রদান করেছেন, যা সংবিধানসম্মত। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুস্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো বর্তমানে বিদ্যমান নেই বলে তিনি মত দেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধান সংরক্ষণের জন্য ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কোন আইন বলে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এই ফরম দাখিল করার কোনো এখতিয়ার তার নেই। তিনি এটি করে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে