খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় রাষ্ট্রপতির দোয়ার আয়োজন

বাসস
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭: ১৮
খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় রাষ্ট্রপতির দোয়ার আয়োজন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ জুমার নামাজের পর বঙ্গভবনের সকল মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করা হয়।

রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গভবন জামে মসজিদে জুমার নামাজে অংশ নেন। যেখানে তিনি তার সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে জুমার নামাজ আদায় করেন।

বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল কবির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন।

দেশের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিবিদ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়ার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্যও দোয়া করা হয়।

রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যবর্গ, সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা এবং বঙ্গভবনের কর্মচারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য অবিলম্বে লন্ডনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ডা. রিচার্ড বিল এবং চীনের চারজন বিশেষজ্ঞ সহ বিদেশি ও স্থানীয় ডাক্তারদের একটি দল তাঁর অবস্থা পর্যালোচনা করে তাঁকে ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচনা করার পর তার মেডিকেল বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নেয়।

৮০ বছর বয়সী তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাতারের আমিরের সরবরাহ করা একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাবে।

চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর, খালেদা জিয়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ফ্লাইটটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগে কাতারে যাত্রাবিরতি করবে।

খালেদা জিয়ার ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি ২০০৮ সাল থেকে তাঁর পরিবারের সাথে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন, হিথ্রোতে তাঁর মাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনকে সরাসরি লন্ডন ব্রিজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এই বছরের শুরুতে খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য চার মাস লন্ডনে কাটিয়েছিলেন। ৬ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

বিদেশি ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা তদারকি করছেন।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement