
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র ওমরাহ ও হজ পালনকারীদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব। মক্কার পবিত্র গ্র্যান্ড মসজিদ (হারাম শরীফ) এলাকায় হৃদরোগে আক্রান্তদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ‘সেফ হার্ট জোন’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
মক্কা হেলথ ক্লাস্টারের এই উদ্যোগের আওতায় গ্র্যান্ড মসজিদে আসা মুসল্লিদের জন্য মোবাইল ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাব, ইনটেনসিভ কেয়ার বেড এবং বিশেষায়িত মেডিকেল দল সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকবে।
বিশেষ করে রমজান ও হজের মতো জনাকীর্ণ সময়ে হৃদ্রোগজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় অত্যাধুনিক সব জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা এখন থেকে গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকাতেই পাওয়া যাবে।
মক্কা হেলথ ক্লাস্টারের উদ্যোগে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং এর পূর্ণাঙ্গ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে কিং আবদুল্লাহ মেডিক্যাল সিটি। খবর আরব নিউজের।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো হৃদ্রোগজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং আক্রান্ত রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে রমজান ও হজ মৌসুমে যখন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারীরা গ্র্যান্ড মসজিদে সমবেত হন, তখন দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।
প্রকল্পটির আওতায় ১০টি কার্ডিয়াক ইনটেনসিভ কেয়ার বেড স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০ জন প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর একটি বিশেষায়িত মেডিক্যাল দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।
হারাম হাসপাতালের মাধ্যমে একটি মোবাইল ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাব ব্যবহার করে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া গুরুতর রোগীদের জন্য উন্নত যান্ত্রিক সহায়তাও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি যেমন ‘ইসিএমও’ (এক্সট্রাকরপোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন), হৃদ্যন্ত্রের স্টেন্ট এবং বিশেষায়িত ওষুধের সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাথেটারাইজেশন-পরবর্তী রোগীদের পরিচর্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লিনিক্যাল প্রটোকল অনুসরণ করা হবে।

পবিত্র ওমরাহ ও হজ পালনকারীদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব। মক্কার পবিত্র গ্র্যান্ড মসজিদ (হারাম শরীফ) এলাকায় হৃদরোগে আক্রান্তদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ‘সেফ হার্ট জোন’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
মক্কা হেলথ ক্লাস্টারের এই উদ্যোগের আওতায় গ্র্যান্ড মসজিদে আসা মুসল্লিদের জন্য মোবাইল ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাব, ইনটেনসিভ কেয়ার বেড এবং বিশেষায়িত মেডিকেল দল সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকবে।
বিশেষ করে রমজান ও হজের মতো জনাকীর্ণ সময়ে হৃদ্রোগজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় অত্যাধুনিক সব জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা এখন থেকে গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকাতেই পাওয়া যাবে।
মক্কা হেলথ ক্লাস্টারের উদ্যোগে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং এর পূর্ণাঙ্গ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে কিং আবদুল্লাহ মেডিক্যাল সিটি। খবর আরব নিউজের।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো হৃদ্রোগজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং আক্রান্ত রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে রমজান ও হজ মৌসুমে যখন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারীরা গ্র্যান্ড মসজিদে সমবেত হন, তখন দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।
প্রকল্পটির আওতায় ১০টি কার্ডিয়াক ইনটেনসিভ কেয়ার বেড স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০ জন প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর একটি বিশেষায়িত মেডিক্যাল দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।
হারাম হাসপাতালের মাধ্যমে একটি মোবাইল ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাব ব্যবহার করে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া গুরুতর রোগীদের জন্য উন্নত যান্ত্রিক সহায়তাও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি যেমন ‘ইসিএমও’ (এক্সট্রাকরপোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন), হৃদ্যন্ত্রের স্টেন্ট এবং বিশেষায়িত ওষুধের সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাথেটারাইজেশন-পরবর্তী রোগীদের পরিচর্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লিনিক্যাল প্রটোকল অনুসরণ করা হবে।

আগামী পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রিফিংয়ে নগরবাসীর উদ্দেশে সতর্কতামূলক কিছু পরামর্শ দিয়ে মো. সরওয়ার বলেন, বাসা ত্যাগের আগে দরজা-জানালা ঠিকভাবে বন্ধ করা, ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত।
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে তুরস্কের বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে তুরস্কে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা আমার কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা অতীতে সফল হয়েছি, এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা প্রশ্ন ফাঁসের অপচেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমি নিজে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তা তদারকি করব।’
১৭ ঘণ্টা আগে