সারের ঘাটতি নেই— সংসদে কৃষিমন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সংসদ অধিবেশন কক্ষ, ইনসেটে আমিন উর রশিদ। ছবি: কোলাজ
সংসদ অধিবেশন কক্ষ, ইনসেটে আমিন উর রশিদ। ছবি: কোলাজ

চাহিদা অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে জন্য রাসায়নিক সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বলেছেন, কৃষকের কাছে সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে এবং নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছানো নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি চলছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সদস্য রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

চলতি অর্থবছরের সারের চাহিদার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৬ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। টিএসপি সারের চাহিদা সাত লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ডিএপির চাহিদা ১৪ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন। এমওপি নয় লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।

সংসদে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন, আগে আশুগঞ্জের সার কারখানা থেকে বছরে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদন হতো। গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে সারের আমদানি নির্ভরতা বেড়েছে। কারখানাটি আবার চালু করতে কবে গ্যাস দেওয়া হবে— জানতে চান এই সংসদ সদস্য।

জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সার কারখানাটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে পরিচালিত হয়। তবে কারখানাটি চালু হলে দেশের জন্য ভালো হবে।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম চরাঞ্চলের জন্য সমন্বিত কৃষি, মৎস্য ও পশুপালনভিত্তিক একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ হাতে নেওয়া হলে চরাঞ্চলের বেকার যুবক ও কর্মক্ষম মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জবাবে আমিন উর রশিদ বলেন, চরাঞ্চলের জন্য কিছু প্রকল্প এরই মধ্যে চলমান রয়েছে। চরাঞ্চলে সারা বছর সব ধরনের ফসল ফলানো সহজ না হলেও, কোন কোন ফসল সেখানে ভালো হবে তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংসদ সদস্যের দেওয়া প্রস্তাব চলমান প্রকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এ বছরের মধ্যেই তা অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করা হবে। তা না হলে ভবিষ্যতের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement