প্রতিদ্বন্দ্বী নেই, মিষ্টির শূন্য আসনে এলিজা জামানকে এমপি ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানকে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে। এই নির্বাচনে তিনি একক প্রার্থী হওয়ায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এলিজাকে ২৩ নম্বর সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
এলিজা জামান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। পাশাপাশি তিনি পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
বিএনপি নেতা ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি এ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-দখলের ঘটনায় তার নাম উঠে এলে তাকে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন দলীয় চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মিষ্টি পদত্যাগ করলে গত ১ অক্টোবর আসনটি শূন্য হয়।
পরে ১২ অক্টোবর শূন্য এ আসনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। তফসিল অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সীমা ২৬ অক্টোবরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন এলিজা জামান। ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, ২৮ অক্টোবর বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও ২৯ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তির দিন ধার্য ছিল।
যাচাই-বাছাইয়ে এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসি। ১ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ও আজ ২ নভেম্বর এ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। একক প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ায় এবং তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি নির্বাচিত হলেন।
ইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য নির্ধারিত সময় ১ নভেম্বর বিকেল ৪টার মধ্যে প্রার্থী (এলিজা জামান) প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ধারা ১২-এর উপধারা (১) অনুসারে চূড়ান্ত তালিকায় এলিজা জামানের নাম প্রকাশ করা হলো।
এ উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ইসির যুগ্মসচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, আইন অনুযায়ী এলিজা জামানকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশের পরই তা শপথ আয়োজনের জন্য সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে।
জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি। এর মধ্যে ৩০০ আসনের সদস্য নির্বাচিত হন নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে। বাকি ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। জাতীয় নির্বাচনে কোনো দল বা জোটের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে এই ৫০ আসন দল বা জোটগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।















