গাড়ি থামিয়ে জনতার সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী
-0b7b55-480x270.webp)
দিনব্যাপী ব্যস্ত সরকারি সফর শেষে বাগেরহাটের মোংলা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করলেও কোনো জনসভা বা সমাবেশ কর্মসূচিতে অংশ নেননি তিনি। তবে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে তার গাড়িবহরের পথে সড়কের দুপাশে ছিল জনতার ভিড়। প্রধানমন্ত্রীও গাড়ি থেকে নেমে কুশল বিনিময় করেছেন তাদের সঙ্গে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। আকাশপথেই তিনি সুন্দরবন এবং আকরাম পয়েন্টে একটি প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর মোংলা পৌঁছান।
সরকারি এই সফরে মোংলা বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বেজার প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল সরেজমিন ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ফের হেলিকপ্টারে ঢাকার পথে রওয়ানা হন।
সফর শেষে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে রাস্তার দুপাশে হাজারও মানুষ ভিড় করেন।
এ সময় জনগণের আবেগের প্রতি সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহরের গাড়ি থামিয়ে নিচে নেমে আসেন। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলান এবং কুশল বিনিময় করেন।
আকস্মিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
এর আগে দুপুরে মোংলার দিগরাজে অবস্থিত নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে খুলনার বিভাগীয় বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ পর্যালোচনামূলক বৈঠকে অংশ নেন তিনি।
বিকেলে মোংলা বন্দরের মূল জেটি এলাকায় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বন্দরের পণ্য খালাস প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন এবং মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরে তিনি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা ঘুরে দেখেন।
সম্পূর্ণ সরকারি সফর হওয়ার কারণে সফরকালে কোনো রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাদা কোনো বৈঠকে অংশ নেননি প্রধানমন্ত্রী।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন বলছে, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।
প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পগুলো পুরোদমে বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে মোংলাকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে, পাশাপাশি পুরো উপকূলীয় অঞ্চলে নতুন অর্থনৈতিক গতির সঞ্চার হবে।

-624fc9.jpg)
-f3a128.jpg)






-624fc9-256x144.webp)



-ca1d05-256x144.webp)


