অভিযানে কারচুপির প্রমাণ, পৌর ফিলিং স্টেশনের সব ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ

জ্বালানি তেল পরিমাপে কারচুপির প্রমাণ পাওয়ায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পৌর ফিলিং স্টেশনের সব ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছে পণ্য ও সেবার মান নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
সংস্থাটির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভিযানে একটি অকটেন ও চারটি ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৩০০ থেকে ৫৩০ মিলিলিটার পর্যন্ত তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পাঁচটি মামলায় মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে ফিলিং স্টেশনের পাঁচটি ডিসপেন্সিং ইউনিটে তেল সরবরাহের পরিমাণ যাচাই করা হয়।
এ সময় অকটেনের একটি ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৫৩০ মিলিলিটারের বেশি তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। অন্যদিকে ডিজেলের চারটি ইউনিটে যথাক্রমে ৩৩০, ৩০০, ৩৪০ ও ৩২০ মিলিলিটারের বেশি তেল কম পাওয়া যায়। প্রতিটি ইউনিটের ক্ষেত্রেই তেলের ঘাটতি অনুমোদিত সহনীয় সীমা ৩০ মিলিলিটারের চেয়ে বেশি ছিল।
এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পাঁচটি মামলা করা হয়। মামলাগুলোতে মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ফিলিং স্টেশনের পাঁচটি ডিসপেন্সিং ইউনিটই বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রতিটি ইউনিটের পরিমাপ দ্রুত সঠিক করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, প্রতিষ্ঠানটি থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দৈনিক আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ লিটার এবং অন্যান্য যানবাহন আনুমানিক ৫ হাজার লিটার অকটেন ও ডিজেল কিনে থাকে।
তিনি আরও জানান, প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল বিক্রি হওয়া প্রতিষ্ঠানটির পাঁচটি ইউনিটেই পরিমাপে ঘাটতি পাওয়ায় ক্রেতাদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি সামনে এসেছে।
এ ছাড়া জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাস্বার্থ সুরক্ষায় বিএসটিআইয়ের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
















-aabe7f-256x144.webp)
-f6bffc-256x144.webp)