মা হারালেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান

রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগম আর নেই। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ফরিদা বেগমকে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে মায়ের জন্য দোয়া চান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। মায়ের জীবনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তার মা হজ ও ওমরাহ পালন করেছেন। মহান আল্লাহ যেন তার জীবনের সব ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।
প্রয়াত ফরিদা বেগমের দৌহিত্র, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল; ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন; দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জানাজায় অংশ নেন দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন, রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, স্থপতি রফিক আজম, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অভিনেতা নাদের চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে রূপায়ণ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ও কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন।
এ ছাড়া ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সসহ (অ্যাটকো) বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপ ও সামাজিক সংগঠনও ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে।

















