
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে আটক দুই বাংলাদেশি যুবককে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়।
বাংলাদেশি দুই যুবক হলেন পাটগ্রাম উপজেলার রহমতপুর হাটিয়ারভিটা গ্রামের মোস্তাফিজ রহমানের ছেলে মাহফুজ ইসলাম ইমন ও বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে সাজেদুল ইসলাম। তারা সম্পর্কে মামা-ভাগনে। ইমন এসএসসি পরীক্ষার্থী।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে গাটিয়ারভিটা সীমান্ত এলাকায় নো-ম্যান্স ল্যান্ডে মেইন বর্ডার পিলার ৮২৫ এর সাব পিলার ১-এস এর কাছে ভারতীয় চা বাগানে প্রবেশ করেন বাংলাদেশি দুই যুবক। তারা চা বাগানে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনে টিকটক ভিডিওধারণ করছিলেন। এসময় টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করেন।
পরে স্থানীয়রা বিষয়টি ধবলসুতি বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের অবহিত করেন। বিজিবি সদস্যরা বিএসএফ ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার সত্যতা পান। এ বিষয়ে বিজিবি রংপুর সেক্টর কমান্ডার ও বিএসএফ জলপাইগুড়ি সেক্টর কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আটক দুই বাংলাদেশি যুবককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ছেড়ে দেয় বিএসএফ।
বাংলাদেশি যুবক সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা না বুঝে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ভারতীয় চা বাগানে ঢুকে পড়েছিলাম। চা বাগানের কয়েকটি ছবি ও ভিডিওধারণ করছিলাম। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা আমাদের আটক করেন।’
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ধবলসুতি বিওপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোক্তার হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। আটক দুই বাংলাদেশি যুবককে বিএসএফ হস্তান্তর করে। পরে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে আটক দুই বাংলাদেশি যুবককে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়।
বাংলাদেশি দুই যুবক হলেন পাটগ্রাম উপজেলার রহমতপুর হাটিয়ারভিটা গ্রামের মোস্তাফিজ রহমানের ছেলে মাহফুজ ইসলাম ইমন ও বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে সাজেদুল ইসলাম। তারা সম্পর্কে মামা-ভাগনে। ইমন এসএসসি পরীক্ষার্থী।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে গাটিয়ারভিটা সীমান্ত এলাকায় নো-ম্যান্স ল্যান্ডে মেইন বর্ডার পিলার ৮২৫ এর সাব পিলার ১-এস এর কাছে ভারতীয় চা বাগানে প্রবেশ করেন বাংলাদেশি দুই যুবক। তারা চা বাগানে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনে টিকটক ভিডিওধারণ করছিলেন। এসময় টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করেন।
পরে স্থানীয়রা বিষয়টি ধবলসুতি বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের অবহিত করেন। বিজিবি সদস্যরা বিএসএফ ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার সত্যতা পান। এ বিষয়ে বিজিবি রংপুর সেক্টর কমান্ডার ও বিএসএফ জলপাইগুড়ি সেক্টর কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আটক দুই বাংলাদেশি যুবককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ছেড়ে দেয় বিএসএফ।
বাংলাদেশি যুবক সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা না বুঝে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ভারতীয় চা বাগানে ঢুকে পড়েছিলাম। চা বাগানের কয়েকটি ছবি ও ভিডিওধারণ করছিলাম। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা আমাদের আটক করেন।’
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ধবলসুতি বিওপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোক্তার হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। আটক দুই বাংলাদেশি যুবককে বিএসএফ হস্তান্তর করে। পরে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
৬ ঘণ্টা আগে
আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারী, কর্মী রাকিব ও আপন। অপরদিকে ছাত্রশিবিরের আহদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা সভাপতি সুজন মিয়া, কর্মী মাহিন ও শরিফুল ইসলাম। আহতদের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
তিনি জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মিমো। তিনি সাধারণত দরজা খোলা রেখে ঘুমালেও রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। ধাক্কাধাক্কি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙলে মিমোর মরদেহ ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
২১ ঘণ্টা আগে