
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলের এক গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুরগির খামারের মালিক শিশুটিকে ডেকে নির্যাতন করেছেন বলে শিশুটি তার মাকে জানিয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি তারা জানার পর পুলিশকে জানালেও পুলিশ কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি।
গত শনিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে শিশুটির বাড়ির কাছেই মুরগির খামারের ভেতরে এ ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছে। তার ছাড়পত্রে ‘সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ লেখা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি বিষয়ে এখনই খোঁজ নিয়ে দেখছি।’ এ বিষয়ে বাড়তি আর কোনো কথা বলেননি তিনি।
শিশুটির এক চাচা জানান, তারা নান্দাইল উপজেলার মুশুলি ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। শিশুটির বাবা অর্থাৎ তার ছোট ভাই কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকেন, স্ত্রী-সন্তান গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন।
শিশুটির বরাত দিয়ে চাচা বলেন, শনিবার শিশুটি বিস্কুট কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিল। পথে মুরগির খামারের মালিক রফিকুল ইসলাম তাকে ডেকে খামারের ভেতরে নিয়ে যান। খামারে চিৎকারের শব্দ শুনে আশপাশে থাকা লোকজন এগিয়ে যান। এ সময় খামারের দরজা খুলে রফিকুল পালিয়ে যান।
কান্নারত শিশুটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাড়িতে দিয়ে আসে। পরে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের তথ্য জানতে পারে।
শিশুটিকে শনিবারই কিশোরগঞ্জ জেলার একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে শিশুটি আজ সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছে। তার চিকিৎসা ছাড়পত্রে ‘সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ অর্থাৎ যৌন নির্যাতনের শিকার লেখা রয়েছে।
শিশুটির বাবা বলেন, খবর পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছি। কিন্তু থানায় এজাহার দিলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি আমার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিচার চাই।

ময়মনসিংহের নান্দাইলের এক গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুরগির খামারের মালিক শিশুটিকে ডেকে নির্যাতন করেছেন বলে শিশুটি তার মাকে জানিয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি তারা জানার পর পুলিশকে জানালেও পুলিশ কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি।
গত শনিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে শিশুটির বাড়ির কাছেই মুরগির খামারের ভেতরে এ ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছে। তার ছাড়পত্রে ‘সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ লেখা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি বিষয়ে এখনই খোঁজ নিয়ে দেখছি।’ এ বিষয়ে বাড়তি আর কোনো কথা বলেননি তিনি।
শিশুটির এক চাচা জানান, তারা নান্দাইল উপজেলার মুশুলি ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। শিশুটির বাবা অর্থাৎ তার ছোট ভাই কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকেন, স্ত্রী-সন্তান গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন।
শিশুটির বরাত দিয়ে চাচা বলেন, শনিবার শিশুটি বিস্কুট কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিল। পথে মুরগির খামারের মালিক রফিকুল ইসলাম তাকে ডেকে খামারের ভেতরে নিয়ে যান। খামারে চিৎকারের শব্দ শুনে আশপাশে থাকা লোকজন এগিয়ে যান। এ সময় খামারের দরজা খুলে রফিকুল পালিয়ে যান।
কান্নারত শিশুটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাড়িতে দিয়ে আসে। পরে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের তথ্য জানতে পারে।
শিশুটিকে শনিবারই কিশোরগঞ্জ জেলার একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে শিশুটি আজ সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছে। তার চিকিৎসা ছাড়পত্রে ‘সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ অর্থাৎ যৌন নির্যাতনের শিকার লেখা রয়েছে।
শিশুটির বাবা বলেন, খবর পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছি। কিন্তু থানায় এজাহার দিলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি আমার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিচার চাই।

মন্ত্রী জানান, পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে পূর্বঘোষিত নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। তবে যেসব পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।
২ দিন আগে
গ্রেপ্তার আফতাব মজুমদার জয় চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তিনি খুলশী থানার ওয়ারল্যাস মুরগী ফার্ম এলাকার বাসিন্দা।
২ দিন আগে
বাদী বলেন, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে উদ্ধার হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলা করার পর থেকেই আসামিরা আমার ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে।
২ দিন আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিচারিক কার্যক্রম চলার সময় এজলাসে হইচই শুরু হয়। এ সময় বিচারক সুজন মিয়া বারবার সবাইকে শান্ত হতে বলেন। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আদালত কক্ষের পেছনের বেঞ্চে কথা বলতে থাকা কয়েকজন আইনজীবীকে লক্ষ্য করে কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপারওয়েটটি সরাসরি প্রশিক
২ দিন আগে