
রাজশাহী ব্যুরো

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ২০ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতের প্রতিবাদে রাজশাহীর বেশ কয়েকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ শাটডাউন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে এই শাটডাউন করা হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তানোর বিভাগীয় সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) কামাল হোসেন জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে চান। তবুও দাবি আদায় না হলে সারাদেশের কর্মীরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নেবেন বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।
কামাল হোসেন আরও বলেন, দেশের ৬৪টি জেলায় ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আছে। এসব সমিতিতে কর্মরত আছেন প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা দেশের ১৪ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেন। দেশের মোট গ্রাহকের হিসাবে এটি প্রায় ৮০ শতাংশ। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বোর্ডের কাছে কিছু দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দাবি আদায়ে প্রায় ১০ মাস ধরে তারা আন্দোলন করছিলেন। এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এমন ২০ জন কর্মকর্তাকে গত বুধবার চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের এই কর্মকর্তা বলেন, চাকরিচ্যুত ২০ জনই কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে পাঁচজন মহাব্যবস্থাপক (জিএম) রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা চাকরিচ্যুতির বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর চাকরিচ্যুতির এই আদেশ প্রত্যাহার ও তাঁদের আগের দাবি আদায়ে তাঁরা বিদ্যুৎ শাটডাউন রাখার মতো কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তাঁরা ঢাকায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ঘেরাও করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রবিবার (২০ অক্টোবর) থেকে এ কর্মসূচি চলবে বলেও জানান তিনি।
রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক রমেন্দ্র চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি। ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ বন্ধ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ চালু করার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও চালু করতে পারিনি।’

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ২০ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতের প্রতিবাদে রাজশাহীর বেশ কয়েকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ শাটডাউন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে এই শাটডাউন করা হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তানোর বিভাগীয় সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) কামাল হোসেন জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে চান। তবুও দাবি আদায় না হলে সারাদেশের কর্মীরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নেবেন বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।
কামাল হোসেন আরও বলেন, দেশের ৬৪টি জেলায় ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আছে। এসব সমিতিতে কর্মরত আছেন প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা দেশের ১৪ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেন। দেশের মোট গ্রাহকের হিসাবে এটি প্রায় ৮০ শতাংশ। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বোর্ডের কাছে কিছু দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দাবি আদায়ে প্রায় ১০ মাস ধরে তারা আন্দোলন করছিলেন। এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এমন ২০ জন কর্মকর্তাকে গত বুধবার চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের এই কর্মকর্তা বলেন, চাকরিচ্যুত ২০ জনই কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে পাঁচজন মহাব্যবস্থাপক (জিএম) রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা চাকরিচ্যুতির বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর চাকরিচ্যুতির এই আদেশ প্রত্যাহার ও তাঁদের আগের দাবি আদায়ে তাঁরা বিদ্যুৎ শাটডাউন রাখার মতো কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তাঁরা ঢাকায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ঘেরাও করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রবিবার (২০ অক্টোবর) থেকে এ কর্মসূচি চলবে বলেও জানান তিনি।
রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক রমেন্দ্র চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি। ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ বন্ধ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ চালু করার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও চালু করতে পারিনি।’

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১২ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১৫ ঘণ্টা আগে