
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা ও সংঘর্ষে ফেরদৌসি বেগম (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।
জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলার তিওরকুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফেরদৌসি বেগম দুর্গাপুর উপজেলার আবদুল জব্বারের স্ত্রী। তিনি ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের প্রতিবেশী ফুফু বলে জানা গেছে। এদিকে, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ফেরদৌসির স্বামী আবদুল জব্বারসহ আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে জিন্নাত আলী নামে এক ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতদের মধ্যে ছয়জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের সমর্থক। প্রতিবেশী বিএনপি সমর্থক মামুনুর রশিদসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আগেও কয়েক দফা মারামারির ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে মামুনুর রশিদ তার লোকজন নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা করেন। রিয়াজুল ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রিয়াজুলের বাড়িতে হামলা হলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ফেরদৌসি বেগম গুরুতর আহত হন।
রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা জানান, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ফেরদৌসি বেগম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয়রা। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। কারা কারা হামলার সঙ্গে জড়িত এখন সেই বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। হামলা ও সংঘর্ষে জড়িত অন্যদেরও আটকের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা ও সংঘর্ষে ফেরদৌসি বেগম (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।
জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলার তিওরকুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফেরদৌসি বেগম দুর্গাপুর উপজেলার আবদুল জব্বারের স্ত্রী। তিনি ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের প্রতিবেশী ফুফু বলে জানা গেছে। এদিকে, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ফেরদৌসির স্বামী আবদুল জব্বারসহ আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে জিন্নাত আলী নামে এক ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতদের মধ্যে ছয়জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের সমর্থক। প্রতিবেশী বিএনপি সমর্থক মামুনুর রশিদসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আগেও কয়েক দফা মারামারির ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে মামুনুর রশিদ তার লোকজন নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা করেন। রিয়াজুল ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রিয়াজুলের বাড়িতে হামলা হলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ফেরদৌসি বেগম গুরুতর আহত হন।
রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা জানান, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ফেরদৌসি বেগম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয়রা। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। কারা কারা হামলার সঙ্গে জড়িত এখন সেই বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। হামলা ও সংঘর্ষে জড়িত অন্যদেরও আটকের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে