
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৪২) সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে এ অভিযোগ করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকায় বিক্ষোভ করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত একটি ঔষধের ফার্মেসি থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৬ এডি রেজিমেন্ট (টিটিসি আর্মি ক্যাম্প) এর একদল সদস্য।
অভিযোগ উঠেছে, অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের কথা বলে তাকে জীবননগর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয় বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। নির্যাতনের একপর্যায়ে ডাবলু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ১০টার পর সেনাসদস্যরা তাকে পুনরায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে আসে।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সেনাক্যাম্প বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৪২) সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে এ অভিযোগ করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকায় বিক্ষোভ করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত একটি ঔষধের ফার্মেসি থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৬ এডি রেজিমেন্ট (টিটিসি আর্মি ক্যাম্প) এর একদল সদস্য।
অভিযোগ উঠেছে, অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের কথা বলে তাকে জীবননগর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয় বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। নির্যাতনের একপর্যায়ে ডাবলু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ১০টার পর সেনাসদস্যরা তাকে পুনরায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে আসে।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সেনাক্যাম্প বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা যোগ করেন, আমার পরিবারের কেউ দেশে নেই, আত্মীয়রা বিদেশে। তাই আমার পিছুটান নেই, কেউ লাইনে দাঁড়াবে না ফল নেওয়ার জন্য। নির্বাচন যে করতেসি বিদেশের আত্মীয় স্বজনরা উল্টো আমাকে সামান্য সহযোগিতা করতেসে। তারা এদেশে আসবে না জয়ী হওয়ার পর ফল নেওয়ার জন্য। সেই ফল কিন্তু আমার এলাকা
১৯ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে টেস্ট (নির্বাচনি) পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করেন আরিফ নামের এক শিক্ষার্থী। পরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের দাবিতে তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে স্কুলের কয়েকটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তারা আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহত ও আহত শ্রমিকদের বাড়ি উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
২১ ঘণ্টা আগে
আহত যুবক হোয়াইক্যাং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা ফজল করিমের ছেলে। ঘটনার পর সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে।
১ দিন আগে