
রাজশাহী ব্যুরো

আমের রাজধানী খ্যাত রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কদিন পরই শুরু হবে আম কেনাবেচার ভরা মৌসুম। সেই আম পৌঁছে যাবে ঢাকাসহ সারা দেশে। ফলে লোকসান মাথায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে আবারও চালু হচ্ছে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন। পঞ্চমবারের মতো চালু হতে যাওয়া এই স্পেশাল ট্রেন এবার চালানো হবে পদ্মা সেতু দিয়ে। আগামী ১০ জুন থেকে বিশেষ এই ট্রেন চালু হবে।
শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এক সেমিনারে মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে এসব তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবির।
রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রেলযোগে আম পরিবহন বিষয়ক এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম এমপি। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে সেমিনারে আমচাষি ও ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে জানানো হয়, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ টন। তবে এবার ট্রেন যাবে পদ্মা সেতু হয়ে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন থেকে প্রতিদিন বিকাল ৪টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এই ট্রেন। যাত্রা পথে রহনপুর স্টেশন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা স্টেশনসহ মোট ১৫টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি আম পরিবহনে ভাড়া লাগবে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, রাজশাহী থেকে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, পোড়াদহ থেকে ১ টাকা ১৯ পয়সা, রাজবাড়ী থেকে ১ টাকা ৭ পয়সা, ফরিদপুর থেকে ১ টাকা ১ পয়সা এবং ভাঙ্গা থেকে ৯৮ পয়সা।
সমিনারে সচিব ড. হুমায়ুন কবির বলেন, আম নিরাপদে স্বল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী থেকে ঢাকায় নেওয়ার জন্য ২০২০ সালে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছর মোট ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন হয়েছে। আম পরিবহন সহজ করতে আমরা ট্রেনকে জনপ্রিয় করতে চাই। আমরা রাস্তার ওপর চাপ কমাতে চাই। এজন্য যা যা করণীয় তাই আমরা করবো। আমরা চাই কম খরচে রেলের মাধ্যমে এই অঞ্চলের জন্য আম পরিবহন সহজ হোক। কুরিয়ারের বিকল্প হিসেবেই আমরা এটি করতে চাচ্ছি।
এদিকে, ২০২০ সাল থেকে চালু হওয়া এই স্পেশাল ট্রেন প্রতি বছরই লোকসান গুণছে বলে জানা গেছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে ৩,৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে। এর মধ্যে, ২০২০ সালে ৪৭ দিনে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে আম পরিবহন হয়েছে ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯ কেজি। এতে আয় হয়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩৬ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ২০২১ সালে ৪৯ দিনে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে আম পরিবহন হয়েছে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯২০ কেজি। এতে আয় হয়েছে ২৬ লাখ ৩০ হাজার ৯২৮ টাকা, আর ব্যয় হয়েছে ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০২২ সালে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন আম পরিবহন করেছে ৭ দিন। এ সময় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৭৮ কেজি আম পরিবহনে আয় হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ১৭৪ টাকা আর ব্যয় হয়েছে ১২ লাখ ৪০ টাকা। সবশেষ গত ২০২৩ সালে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে আম পরিবহন হয়েছে ১৮ দিন। এ সময় ১২ লাখ ৭ হাজার কেজি আমে আয় হয়েছে ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫০২ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ১৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা। ফলে চার মৌসুমে ভাড়া বাবদ রেলের আয় হয়েছে মোট ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। তবে এই সময়ে ট্রেনটির তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা। ফলে মাত্র চার বছরে ট্রেনের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা। লোকসান সত্বেও আবারও চালু হচ্ছে এই স্পেশাল ট্রেন।

আমের রাজধানী খ্যাত রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কদিন পরই শুরু হবে আম কেনাবেচার ভরা মৌসুম। সেই আম পৌঁছে যাবে ঢাকাসহ সারা দেশে। ফলে লোকসান মাথায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে আবারও চালু হচ্ছে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন। পঞ্চমবারের মতো চালু হতে যাওয়া এই স্পেশাল ট্রেন এবার চালানো হবে পদ্মা সেতু দিয়ে। আগামী ১০ জুন থেকে বিশেষ এই ট্রেন চালু হবে।
শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এক সেমিনারে মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে এসব তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবির।
রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রেলযোগে আম পরিবহন বিষয়ক এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম এমপি। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে সেমিনারে আমচাষি ও ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে জানানো হয়, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ টন। তবে এবার ট্রেন যাবে পদ্মা সেতু হয়ে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন থেকে প্রতিদিন বিকাল ৪টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এই ট্রেন। যাত্রা পথে রহনপুর স্টেশন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা স্টেশনসহ মোট ১৫টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি আম পরিবহনে ভাড়া লাগবে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, রাজশাহী থেকে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, পোড়াদহ থেকে ১ টাকা ১৯ পয়সা, রাজবাড়ী থেকে ১ টাকা ৭ পয়সা, ফরিদপুর থেকে ১ টাকা ১ পয়সা এবং ভাঙ্গা থেকে ৯৮ পয়সা।
সমিনারে সচিব ড. হুমায়ুন কবির বলেন, আম নিরাপদে স্বল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী থেকে ঢাকায় নেওয়ার জন্য ২০২০ সালে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছর মোট ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন হয়েছে। আম পরিবহন সহজ করতে আমরা ট্রেনকে জনপ্রিয় করতে চাই। আমরা রাস্তার ওপর চাপ কমাতে চাই। এজন্য যা যা করণীয় তাই আমরা করবো। আমরা চাই কম খরচে রেলের মাধ্যমে এই অঞ্চলের জন্য আম পরিবহন সহজ হোক। কুরিয়ারের বিকল্প হিসেবেই আমরা এটি করতে চাচ্ছি।
এদিকে, ২০২০ সাল থেকে চালু হওয়া এই স্পেশাল ট্রেন প্রতি বছরই লোকসান গুণছে বলে জানা গেছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে ৩,৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে। এর মধ্যে, ২০২০ সালে ৪৭ দিনে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে আম পরিবহন হয়েছে ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯ কেজি। এতে আয় হয়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩৬ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ২০২১ সালে ৪৯ দিনে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে আম পরিবহন হয়েছে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯২০ কেজি। এতে আয় হয়েছে ২৬ লাখ ৩০ হাজার ৯২৮ টাকা, আর ব্যয় হয়েছে ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০২২ সালে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন আম পরিবহন করেছে ৭ দিন। এ সময় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৭৮ কেজি আম পরিবহনে আয় হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ১৭৪ টাকা আর ব্যয় হয়েছে ১২ লাখ ৪০ টাকা। সবশেষ গত ২০২৩ সালে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে আম পরিবহন হয়েছে ১৮ দিন। এ সময় ১২ লাখ ৭ হাজার কেজি আমে আয় হয়েছে ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫০২ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ১৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা। ফলে চার মৌসুমে ভাড়া বাবদ রেলের আয় হয়েছে মোট ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। তবে এই সময়ে ট্রেনটির তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা। ফলে মাত্র চার বছরে ট্রেনের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা। লোকসান সত্বেও আবারও চালু হচ্ছে এই স্পেশাল ট্রেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
১ দিন আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরে’ ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ হঠাৎ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিলেও স্থানীয় কৃষকদের কয়েক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।
১ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে নির্বিচারে পাহাড় কাটার অভিযোগে অবশেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি থানায় অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে পরিবেশ সুরক্ষা আইনে মামলা করেছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। তবে এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
১ দিন আগে