
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। তার অভিযোগ, ধর্ষণের সময় অভিযুক্তরা ভিডিও ধারণ করেন এবং জানাজানি হলে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল থেকে ওই বাসের চালকসহ তিনজনকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সাভার পরিবহনের একটি বাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি রাজধানীর মিরপুর এলাকায় থাকেন। আটক বাসচালক আলতাফের (২৫) বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার নরদেরাই গ্রামে। তার দুই সহযোগীর মধ্যে মো. সাগর (২৪) ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরহাট গ্রাম ও মো. রাব্বি (২১) হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল পাগা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ওই তরুণী সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসে আরও দুজন যাত্রী ছিলেন। কিছুক্ষণ পর যাত্রী দুজন বাস থেকে নেমে গেলে তরুণীকে একা পেয়ে চালক আলতাফ ও সহযোগী সাগর ধর্ষণ করেন।
অভিযোগের বরাত দিয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ জানান, ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে বাসটি সারা রাত সাভার, আশুলিয়া ও চন্দ্রা এলাকার বিভিন্ন সড়কে চালানো হয়। এ সময় চিৎকার করলে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। ওই তরুণীর মোবাইল ফোন ও কানের দুলও ছিনিয়ে নেন।
মো. শরীফ বলেন, বাসটি বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় থামে। সেখানে হাইওয়ে পুলিশের টহল দল বাসটির কাছে গেলে ওই তরুণী পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। এ সময় তরুণীকে উদ্ধারের পাশাপাশি চালক ও দুই সহযোগীকে আটক করে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করে হাইওয়ে পুলিশ। বাসটিও জব্দ করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রহুল আমিন জানান, ওই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করবেন। মামলা হলে আটক বাসচালক ও তার দুই সহযোগীকে সে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। তার অভিযোগ, ধর্ষণের সময় অভিযুক্তরা ভিডিও ধারণ করেন এবং জানাজানি হলে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল থেকে ওই বাসের চালকসহ তিনজনকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সাভার পরিবহনের একটি বাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি রাজধানীর মিরপুর এলাকায় থাকেন। আটক বাসচালক আলতাফের (২৫) বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার নরদেরাই গ্রামে। তার দুই সহযোগীর মধ্যে মো. সাগর (২৪) ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরহাট গ্রাম ও মো. রাব্বি (২১) হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল পাগা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ওই তরুণী সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসে আরও দুজন যাত্রী ছিলেন। কিছুক্ষণ পর যাত্রী দুজন বাস থেকে নেমে গেলে তরুণীকে একা পেয়ে চালক আলতাফ ও সহযোগী সাগর ধর্ষণ করেন।
অভিযোগের বরাত দিয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ জানান, ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে বাসটি সারা রাত সাভার, আশুলিয়া ও চন্দ্রা এলাকার বিভিন্ন সড়কে চালানো হয়। এ সময় চিৎকার করলে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। ওই তরুণীর মোবাইল ফোন ও কানের দুলও ছিনিয়ে নেন।
মো. শরীফ বলেন, বাসটি বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় থামে। সেখানে হাইওয়ে পুলিশের টহল দল বাসটির কাছে গেলে ওই তরুণী পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। এ সময় তরুণীকে উদ্ধারের পাশাপাশি চালক ও দুই সহযোগীকে আটক করে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করে হাইওয়ে পুলিশ। বাসটিও জব্দ করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রহুল আমিন জানান, ওই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করবেন। মামলা হলে আটক বাসচালক ও তার দুই সহযোগীকে সে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে