
নড়াইল প্রতিনিধি

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড অমল সেনের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে ওয়ার্কার্স পার্টি, বিভক্ত অমল সেন স্মৃতিরক্ষা কমিটি এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কমরেড অমল সেনের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় দ্বীপশিখা প্রজ্জ্বলন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
কমরেড অমল সেন ১৯১৪ সালের ১৯ জুলাই নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নড়াইলের প্রখ্যাত আফরার জমিদার পরিবারের সন্তান। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী সংগঠন ‘অনুশীলন’ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে খুলনার দৌলতপুর বিএল কলেজে গণিতশাস্ত্রে অনার্স অধ্যয়নকালে মার্কসবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হন। পরে নড়াইলে ফিরে কৃষক আন্দোলনে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করেন।
পিতার জমিদারি ও বিপুল সম্পদ তাকে কখনো আকৃষ্ট করতে পারেনি। মানব সমাজের কল্যাণে আত্মনিয়োগ এবং শ্রমজীবী মানুষের শোষণমুক্তির সংগ্রামকেই তিনি জীবনের সর্বোচ্চ ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। পাকিস্তান শাসনামলের ২৪ বছরের মধ্যে ১৯ বছরই তাকে কারাগারে কাটাতে হয়। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ যশোর কারাগার ভেঙে মুক্তিকামী জনতা তাকে মুক্ত করে। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
স্বাধীনতার পর তিনি কয়েকটি বামপন্থি দলকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি গঠন করেন এবং দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
২০০৩ সালের ১৭ জানুয়ারি বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকার কমিউনিটি হাসপাতালে এই অকৃতদার বিপ্লবী নেতা মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নড়াইল জেলা পরিষদের ডাকবাংলো চত্বরে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়।
যৌবনে তিনি বাড়ি ছেড়ে নড়াইল-যশোর সীমান্তবর্তী যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাকড়ী গ্রামের একটি কৃষক পরিবারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। মৃত্যুর পর বাংলাদেশ ও ভারতের অসংখ্য অনুসারী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম পার্টির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তাকে বাকড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে সমাহিত করা হয়।
প্রতি বছর ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি তার সমাধিস্থলে ‘অমল সেন মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দেশের বামপন্থি রাজনীতির নেতাকর্মীরা সেখানে মিলিত হন। মেলায় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড অমল সেনের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে ওয়ার্কার্স পার্টি, বিভক্ত অমল সেন স্মৃতিরক্ষা কমিটি এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কমরেড অমল সেনের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় দ্বীপশিখা প্রজ্জ্বলন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
কমরেড অমল সেন ১৯১৪ সালের ১৯ জুলাই নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নড়াইলের প্রখ্যাত আফরার জমিদার পরিবারের সন্তান। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী সংগঠন ‘অনুশীলন’ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে খুলনার দৌলতপুর বিএল কলেজে গণিতশাস্ত্রে অনার্স অধ্যয়নকালে মার্কসবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হন। পরে নড়াইলে ফিরে কৃষক আন্দোলনে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করেন।
পিতার জমিদারি ও বিপুল সম্পদ তাকে কখনো আকৃষ্ট করতে পারেনি। মানব সমাজের কল্যাণে আত্মনিয়োগ এবং শ্রমজীবী মানুষের শোষণমুক্তির সংগ্রামকেই তিনি জীবনের সর্বোচ্চ ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। পাকিস্তান শাসনামলের ২৪ বছরের মধ্যে ১৯ বছরই তাকে কারাগারে কাটাতে হয়। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ যশোর কারাগার ভেঙে মুক্তিকামী জনতা তাকে মুক্ত করে। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
স্বাধীনতার পর তিনি কয়েকটি বামপন্থি দলকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি গঠন করেন এবং দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
২০০৩ সালের ১৭ জানুয়ারি বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকার কমিউনিটি হাসপাতালে এই অকৃতদার বিপ্লবী নেতা মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নড়াইল জেলা পরিষদের ডাকবাংলো চত্বরে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়।
যৌবনে তিনি বাড়ি ছেড়ে নড়াইল-যশোর সীমান্তবর্তী যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাকড়ী গ্রামের একটি কৃষক পরিবারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। মৃত্যুর পর বাংলাদেশ ও ভারতের অসংখ্য অনুসারী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম পার্টির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তাকে বাকড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে সমাহিত করা হয়।
প্রতি বছর ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি তার সমাধিস্থলে ‘অমল সেন মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দেশের বামপন্থি রাজনীতির নেতাকর্মীরা সেখানে মিলিত হন। মেলায় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে