
রাজশাহী ব্যুরো

পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে খ্যাতি পাওয়া রাজশাহী নগরীর অলিগলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলায় বিশাল রাস্তা সরু হয়ে গেছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। যানবাহন ধীরে চলায় বেশি সময় ধরে দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীদের। ফলে প্রতিদিন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নাক চেপে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন নগরবাসী।
রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে গড়ে তোলা ভাগাড়ে সিটি করপোরেশনের (রাসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা ফেলছেন। আবর্জনাগুলো জমে রাস্তার বেশির ভাগ অংশ দখল হয়ে গেছে। নগরের সিটি বাইপাস মোড়, টিবি পুকুর মোড় এবং শেখপাড়া এলাকায় পদ্মাপারের রাস্তাসহ অন্তত ১৫টি জায়গায় ভাগাড়ের ময়লা রাস্তায় এসে পড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নগরীর কোর্ট এলাকার বাসিন্দারা।
রাসিকের ২ নম্বর ওয়ার্ডের অধীন কোর্ট বাজারসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে ময়লা-আবর্জনা। এ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে পুরো এলাকায়। আবার এ ভাগাড়ের পাশেই থাকা কোর্ট বাজারের দোকানিরা দুর্গন্ধ সহ্য করতে না পেরে দোকান ছেড়ে দিচ্ছেন। দুর্গন্ধের কারণে সেখানকার বেশ কয়েকটি খাবার হোটেল ও দোকান বন্ধ হয়ে গেছে।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে মোট ২৮টি জায়গায় বর্জ্য রাখার ঘর বা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) প্রয়োজন থাকলেও আছে মাত্র ১৮টি। কোর্ট বাজার এলাকাতেও এসটিএস হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে সেটা হয়নি। প্রতিদিন নগর থেকে প্রায় সাড়ে ৩০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কোর্ট স্টেশন এলাকাতেও এসটিএস হওয়ার কথা থাকলেও সেটি বছরের পর বছর ধরে রাজনৈতিক কারণে হয়নি। ব্যক্তি মালিকানাধীন ও রেলের জমি নিয়ে রাসিকের জটিলতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বর্জ্য রাখার স্টেশন করতে ব্যর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দ্রুত এই আবর্জনা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না নিলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন নগরবাসী। ময়লা-আবর্জনার কারণে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ফলে রোগবালাই যেমন ছড়াচ্ছে, তেমনি রাস্তা দিয়ে যারা যাচ্ছেন, তারা দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন।
নগরের কোর্ট এলাকার বাসিন্দা ইমরান আলী বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। অথচ তারাই বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। এতে নগরীতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। যদিও রাস্তায় এভাবে ময়লা ফেলা এখানে নতুন নয়। অনেক আগে থেকেই রাস্তায় ময়লা ফেলা হয়। রাসিক এখানে ময়লা ফেলতে ফেলতে পুরো রাস্তাটাই ডাস্টবিন করে ফেলেছে। আমি চেষ্টা করি যাতে এই রাস্তায় না আসতে হয়। এখানে এলেই আমার বমি চলে আসে।’
নগরীর বহরমপুর এলাকার বাসিন্দা মাহাবুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা থেকে ময়লা-আবর্জনা নিয়ে দুপুরের পর থেকেই সংশ্লিষ্ট এসব জায়গায় ফেলা শুরু হয়। বিকেল হতে না হতেই ময়লা জমে রাস্তায় এসে পড়ে। এসব আবর্জনা একনাগাড়ে কয়েক দিন রাস্তায়ই পড়ে থাকে।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) রাজশাহীর সমন্বয়কারী তন্ময় সান্ন্যাল বলেন, ‘নগরীর কোর্ট স্টেশনসহ যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার ঘটনা ঘটছে। নগরীর পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ঠিকভাবে কাজ করছেন কি না, সেটা তদারকি করা প্রয়োজন। এ ছাড়া বর্তমানে যারা রাসিকের প্রশাসনিক দায়িত্বে আছেন, তাদের অবশ্যই দ্রুত এটার সমাধান করতে হবে।’
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাসিক প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণে আমাদের টাকা-পয়সা, জায়গা সবই আছে। কিন্তু কোর্ট স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি মামলা করায় প্রক্রিয়াটা ঝুলে আছে। সেটি এখনো নিষ্পত্তি করতে পারিনি। তবে শিগগিরই একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে। চলতি মাসেই এক শুনানিতেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। যদি প্রয়োজন হয়, দিনে দুবার ময়লা সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে খ্যাতি পাওয়া রাজশাহী নগরীর অলিগলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলায় বিশাল রাস্তা সরু হয়ে গেছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। যানবাহন ধীরে চলায় বেশি সময় ধরে দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীদের। ফলে প্রতিদিন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নাক চেপে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন নগরবাসী।
রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে গড়ে তোলা ভাগাড়ে সিটি করপোরেশনের (রাসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা ফেলছেন। আবর্জনাগুলো জমে রাস্তার বেশির ভাগ অংশ দখল হয়ে গেছে। নগরের সিটি বাইপাস মোড়, টিবি পুকুর মোড় এবং শেখপাড়া এলাকায় পদ্মাপারের রাস্তাসহ অন্তত ১৫টি জায়গায় ভাগাড়ের ময়লা রাস্তায় এসে পড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নগরীর কোর্ট এলাকার বাসিন্দারা।
রাসিকের ২ নম্বর ওয়ার্ডের অধীন কোর্ট বাজারসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে ময়লা-আবর্জনা। এ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে পুরো এলাকায়। আবার এ ভাগাড়ের পাশেই থাকা কোর্ট বাজারের দোকানিরা দুর্গন্ধ সহ্য করতে না পেরে দোকান ছেড়ে দিচ্ছেন। দুর্গন্ধের কারণে সেখানকার বেশ কয়েকটি খাবার হোটেল ও দোকান বন্ধ হয়ে গেছে।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে মোট ২৮টি জায়গায় বর্জ্য রাখার ঘর বা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) প্রয়োজন থাকলেও আছে মাত্র ১৮টি। কোর্ট বাজার এলাকাতেও এসটিএস হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে সেটা হয়নি। প্রতিদিন নগর থেকে প্রায় সাড়ে ৩০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কোর্ট স্টেশন এলাকাতেও এসটিএস হওয়ার কথা থাকলেও সেটি বছরের পর বছর ধরে রাজনৈতিক কারণে হয়নি। ব্যক্তি মালিকানাধীন ও রেলের জমি নিয়ে রাসিকের জটিলতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বর্জ্য রাখার স্টেশন করতে ব্যর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দ্রুত এই আবর্জনা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না নিলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন নগরবাসী। ময়লা-আবর্জনার কারণে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ফলে রোগবালাই যেমন ছড়াচ্ছে, তেমনি রাস্তা দিয়ে যারা যাচ্ছেন, তারা দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন।
নগরের কোর্ট এলাকার বাসিন্দা ইমরান আলী বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। অথচ তারাই বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। এতে নগরীতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। যদিও রাস্তায় এভাবে ময়লা ফেলা এখানে নতুন নয়। অনেক আগে থেকেই রাস্তায় ময়লা ফেলা হয়। রাসিক এখানে ময়লা ফেলতে ফেলতে পুরো রাস্তাটাই ডাস্টবিন করে ফেলেছে। আমি চেষ্টা করি যাতে এই রাস্তায় না আসতে হয়। এখানে এলেই আমার বমি চলে আসে।’
নগরীর বহরমপুর এলাকার বাসিন্দা মাহাবুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা থেকে ময়লা-আবর্জনা নিয়ে দুপুরের পর থেকেই সংশ্লিষ্ট এসব জায়গায় ফেলা শুরু হয়। বিকেল হতে না হতেই ময়লা জমে রাস্তায় এসে পড়ে। এসব আবর্জনা একনাগাড়ে কয়েক দিন রাস্তায়ই পড়ে থাকে।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) রাজশাহীর সমন্বয়কারী তন্ময় সান্ন্যাল বলেন, ‘নগরীর কোর্ট স্টেশনসহ যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার ঘটনা ঘটছে। নগরীর পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ঠিকভাবে কাজ করছেন কি না, সেটা তদারকি করা প্রয়োজন। এ ছাড়া বর্তমানে যারা রাসিকের প্রশাসনিক দায়িত্বে আছেন, তাদের অবশ্যই দ্রুত এটার সমাধান করতে হবে।’
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাসিক প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণে আমাদের টাকা-পয়সা, জায়গা সবই আছে। কিন্তু কোর্ট স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি মামলা করায় প্রক্রিয়াটা ঝুলে আছে। সেটি এখনো নিষ্পত্তি করতে পারিনি। তবে শিগগিরই একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে। চলতি মাসেই এক শুনানিতেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। যদি প্রয়োজন হয়, দিনে দুবার ময়লা সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, 'মা খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে গড়ে তুলেছেন। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি তাঁর কারণেই।'
১১ ঘণ্টা আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, সোমবার অসুস্থ বোধ করলে চিকিৎসার জন্য তিনি ঢাকায় যান। সে সময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। আজ বুধবার সকাল সাতটায় মৃত্যুবরণ করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
তিতাসের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, শিল্প গ্রাহকের সংযোগ লাইনের ভাল্ভ ফেটে উচ্চ চাপে গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তাজনিত কারণে উত্তরার বিতরণ লাইনের ১২ ইঞ্চি ব্যাসের মূল লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব বলেন, দেশের অনেক সমস্যা রয়েছে। সে সমস্যাগুলোর যদি পরিবর্তন করতে না পারি, সমস্যার সমাধান যদি না করতে পারি, তাহলে আমরা যে তিমিরে ছিলাম সেই তিমিরেই থেকে যাব। তাই পরিবর্তনের জন্য সৎ ও যোগ্য লোককে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে হবে।
১ দিন আগে