
রাজশাহী ব্যুরো

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে রাজশাহীর তানোর উপজেলায় লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া, গোদাগাড়ী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বেলাল উদ্দিন সোহেল। বুধবার রাতে ভোট গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফলে তাদের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়।
লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ময়না কাপ পিরিজ প্রতিক নিয়ে ৪৬ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল মামুন মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৯ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে (পুরুষ) পদে তানভির রেজা চশমা প্রতিক নিয়ে ৩৮ হাজার ৫৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল রানা তালা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬০১ ভোট।
এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সোনিয়া সরদার কলস প্রতিক নিয়ে ৩০ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাগরিকা ভৌমিক বৈদ্যুতিক পাখা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৫৪৪ ভোট ও নাসিমা বিবি সেলাই মেসশিন প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ২১৬ ভোট।
তানোরে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৬১টি। ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৭৩ জন। পুরুষ ভোটার ৮১ হাজার ৯০৭ জন ও নারী ভোটার ৮৪ হাজার ২৬৬ জন।
এদিকে, বেলাল উদ্দিন সোহেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে এবার উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি দোয়াত-কলম প্রতিক নিয়ে ৬৬ হাজার ৭৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কাপ-পিরিচ প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩৬৮ ভোট।
এ উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ১০৭টি। সবকটি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা শেষে বেলাল উদ্দিন সোহেলকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রবিউল আলম আনারস প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ১৭৯ ভোট, সাজেদুর রহমান মার্কনী ঘোড়া প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৮ ও সুনন্দন দাস মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৪৪ ভোট।
এর আগে এই দুই উপজেলায় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয় চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা। একে একে আসতে থাকে কেন্দ্র থেকে ফলাফল। রাজশাহীর এই দুই উপজেলায় ভোট চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে রাজশাহীর তানোর উপজেলায় লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া, গোদাগাড়ী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বেলাল উদ্দিন সোহেল। বুধবার রাতে ভোট গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফলে তাদের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়।
লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ময়না কাপ পিরিজ প্রতিক নিয়ে ৪৬ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল মামুন মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৯ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে (পুরুষ) পদে তানভির রেজা চশমা প্রতিক নিয়ে ৩৮ হাজার ৫৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল রানা তালা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬০১ ভোট।
এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সোনিয়া সরদার কলস প্রতিক নিয়ে ৩০ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাগরিকা ভৌমিক বৈদ্যুতিক পাখা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৫৪৪ ভোট ও নাসিমা বিবি সেলাই মেসশিন প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ২১৬ ভোট।
তানোরে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৬১টি। ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৭৩ জন। পুরুষ ভোটার ৮১ হাজার ৯০৭ জন ও নারী ভোটার ৮৪ হাজার ২৬৬ জন।
এদিকে, বেলাল উদ্দিন সোহেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে এবার উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি দোয়াত-কলম প্রতিক নিয়ে ৬৬ হাজার ৭৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কাপ-পিরিচ প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩৬৮ ভোট।
এ উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ১০৭টি। সবকটি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা শেষে বেলাল উদ্দিন সোহেলকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রবিউল আলম আনারস প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ১৭৯ ভোট, সাজেদুর রহমান মার্কনী ঘোড়া প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৮ ও সুনন্দন দাস মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৪৪ ভোট।
এর আগে এই দুই উপজেলায় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয় চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা। একে একে আসতে থাকে কেন্দ্র থেকে ফলাফল। রাজশাহীর এই দুই উপজেলায় ভোট চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৯ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
২০ ঘণ্টা আগে