পদ্মায় বালু উত্তোলন রোধের অভিযানে গুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৬

প্রতিনিধি, ঈশ্বরদী (পাবনা)
আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৩৭
পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাঝি তুহিন মালথার সঙ্গে কথা বলেন আরেক আহত পুলিশ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাঝি তুহিন মালথার সঙ্গে কথা বলেন আরেক আহত পুলিশ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন রোধে একটি অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার নৌ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বহনকারী নৌকার মাঝিও গুলিতে আহত হন।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়ার হরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন— উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য ইনামুল হক, শাহিনুর হক, নাজমুল হাসান ও মানিক মিয়া। তারা সবাই একই নৌ ফাঁড়িতে কর্মরত।

এ ছাড়া মাঝি তুহিন মালথাও গুলিতে আহত হন। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত মানিক মিয়াকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত নৌকার মাঝি তুহিন মালথা বলেন, লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির একটি দল পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশের হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ‎

আহত লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মা নদীতে কে বা কারা বালু উত্তোলন করছে জানতে পেরে আমরা সেখানে অভিযানে যাই। তাদের বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করি। তখন তারা আমাদের গুলিবর্ষণ করে। এতে আমরা পাঁচ পুলিশ সদস্য ও নৌকার একজন মাঝি আহত হয়েছেন।’

ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জামাল উদ্দিন বলেন, গুলিবিদ্ধ ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য। রাত ২টার পরে খবর পেয়ে আমরা আহতদের উদ্ধারের জন্য বের হই এবং পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঘাট থেকে তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দিই। পরে তাদের পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement