
রাজশাহী ব্যুরো

বাস শ্রমিকদের দুই পক্ষের মারামারির জেরে বন্ধ হওয়া রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে যাত্রীবাহী বাস অবশেষ দুই দিন পর চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুর ২টা থেকে এই রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি।
এর আগে গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। গত রবিবার (২৭ অক্টোবর) রাজশাহীর তিনজন চালককে চাঁপাইয়ে মারধরের অভিযোগে এই রুটে বাস চলাচল করা হয়েছিল। মারধরে হানিফ কেটিসি’র চালক সেলিম (৪০), ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক লিটন (৪৫) ও হানিফ পরিবহনের শামীম (৪৮) আহত হয়। পরে তাদেরকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়। মূলত এই মারধরের ঘটনায় এই দুই জেলার মধ্যে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, আমরা গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাস শ্রমিকদের সঙ্গে বসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তারা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে সাড়া দেয়নি। পরে তারা বুধবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় আমাদের সঙ্গে বসতে রাজি হয়। এরই ধারাবাকিতায় দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ সদরদপ্তরের বসে বিষয়টি মিমাংসা হয়। এরপর দুপুর ২টা থেকে এই রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ যে বাসের টিকিট কাউন্টারগুলো রয়েছে তাদেরকে সমস্যা সমাধানের বিষয়টি ফোনে জানানো হয়েছে। তারা টিকিট বিক্রি শুরু করেছেন।
উল্লেখ্য, বাসে ভাড়া দেওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও পরবর্তীতে মারধরের জেরে বাস বন্ধের এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মাসুদ পরিবহনের চালক ও সুপারভাইজার গত ২৭ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস শ্রমিকদের হাতে আহত হন। পরদিন মারধরের শিকার হন হানিফ কেটিসি চালক সেলিম (৪০), ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক লিটন (৪৫) ও হানিফ পরিবহনের শামীম (৪৮)। তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পাল্টাপাল্টি মারধরের এই ঘটনায় সোমবার ভোর থেকে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। এতে উভয় জেলার যাত্রীরা পড়েছিলেন চরম ভোগান্তিতে।

বাস শ্রমিকদের দুই পক্ষের মারামারির জেরে বন্ধ হওয়া রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে যাত্রীবাহী বাস অবশেষ দুই দিন পর চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুর ২টা থেকে এই রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি।
এর আগে গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। গত রবিবার (২৭ অক্টোবর) রাজশাহীর তিনজন চালককে চাঁপাইয়ে মারধরের অভিযোগে এই রুটে বাস চলাচল করা হয়েছিল। মারধরে হানিফ কেটিসি’র চালক সেলিম (৪০), ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক লিটন (৪৫) ও হানিফ পরিবহনের শামীম (৪৮) আহত হয়। পরে তাদেরকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়। মূলত এই মারধরের ঘটনায় এই দুই জেলার মধ্যে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, আমরা গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাস শ্রমিকদের সঙ্গে বসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তারা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে সাড়া দেয়নি। পরে তারা বুধবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় আমাদের সঙ্গে বসতে রাজি হয়। এরই ধারাবাকিতায় দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ সদরদপ্তরের বসে বিষয়টি মিমাংসা হয়। এরপর দুপুর ২টা থেকে এই রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ যে বাসের টিকিট কাউন্টারগুলো রয়েছে তাদেরকে সমস্যা সমাধানের বিষয়টি ফোনে জানানো হয়েছে। তারা টিকিট বিক্রি শুরু করেছেন।
উল্লেখ্য, বাসে ভাড়া দেওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও পরবর্তীতে মারধরের জেরে বাস বন্ধের এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মাসুদ পরিবহনের চালক ও সুপারভাইজার গত ২৭ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস শ্রমিকদের হাতে আহত হন। পরদিন মারধরের শিকার হন হানিফ কেটিসি চালক সেলিম (৪০), ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক লিটন (৪৫) ও হানিফ পরিবহনের শামীম (৪৮)। তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পাল্টাপাল্টি মারধরের এই ঘটনায় সোমবার ভোর থেকে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। এতে উভয় জেলার যাত্রীরা পড়েছিলেন চরম ভোগান্তিতে।

মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৯ ঘণ্টা আগে