
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কমপ্লিট শাটডাউন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ক্লাস, পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
পাঁচ দফা দাবিতে রোববার বেলা ১২টা থেকে সারাদেশের ন্যায় রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও এসব কর্মসূচি শুরু করেন। মেডিকেল কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ ঘোষণা দেন রবিবার ১২টা থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. আব্দুল্লাহ।
পরে ইন্টার্ন ডক্টর ফোরামের প্যাডে দেওয়া একটি বিবৃত জানানো হয়- সর্বশেষ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ৯০তম বারের মত হাইকোর্ট রায় পেছানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে নাট্যমঞ্চের রঙ্গশালায় পরিণত করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সারাদেশের সকল মেডিকেল কলেজের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে পূর্ণাঙ্গ রায় ও ৫ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২ টা হতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সকল ইন্টার্ন চিকিৎসক কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সকল শিক্ষার্থী ক্লাস, পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়।
আরও জানানো হয়- মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের পক্ষ থেকে আদালতে তিনটি রিট চলমান রয়েছে। এরমধ্যে একটি হলো -ডাক্তার পদবী ব্যবহার সংক্রান্ত, ডাক্তার পদবী সংক্রান্ত বিএমডিসি অ্যাক্ট ২০১০ এর ধারা ২৯ কে চ্যালেঞ্জ করে, আপডেটেড ঔষুধ, এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করার বৈধতা চেয়ে করা হয় রিট।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন প্রতিনিধি ডা. আব্দুল্লাহ বলেন, বেলা ১২ টা থেকে আমাদের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আমাদের দাবিগুলোর বিষয়ে অনেকবার জানানো হয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে আমরা এ কর্মসূচি পালন করছি।
বিষয়টি নিয়ে রামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার বিশ্বাসের মুঠোফোনে কল করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাই এবিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কমপ্লিট শাটডাউন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ক্লাস, পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
পাঁচ দফা দাবিতে রোববার বেলা ১২টা থেকে সারাদেশের ন্যায় রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও এসব কর্মসূচি শুরু করেন। মেডিকেল কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ ঘোষণা দেন রবিবার ১২টা থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. আব্দুল্লাহ।
পরে ইন্টার্ন ডক্টর ফোরামের প্যাডে দেওয়া একটি বিবৃত জানানো হয়- সর্বশেষ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ৯০তম বারের মত হাইকোর্ট রায় পেছানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে নাট্যমঞ্চের রঙ্গশালায় পরিণত করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সারাদেশের সকল মেডিকেল কলেজের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে পূর্ণাঙ্গ রায় ও ৫ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২ টা হতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সকল ইন্টার্ন চিকিৎসক কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সকল শিক্ষার্থী ক্লাস, পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়।
আরও জানানো হয়- মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের পক্ষ থেকে আদালতে তিনটি রিট চলমান রয়েছে। এরমধ্যে একটি হলো -ডাক্তার পদবী ব্যবহার সংক্রান্ত, ডাক্তার পদবী সংক্রান্ত বিএমডিসি অ্যাক্ট ২০১০ এর ধারা ২৯ কে চ্যালেঞ্জ করে, আপডেটেড ঔষুধ, এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করার বৈধতা চেয়ে করা হয় রিট।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন প্রতিনিধি ডা. আব্দুল্লাহ বলেন, বেলা ১২ টা থেকে আমাদের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আমাদের দাবিগুলোর বিষয়ে অনেকবার জানানো হয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে আমরা এ কর্মসূচি পালন করছি।
বিষয়টি নিয়ে রামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার বিশ্বাসের মুঠোফোনে কল করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাই এবিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে