
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একযোগে বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার প্রথম দিনে ১ হাজার ৬২২ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। তবে পরীক্ষায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
পরীক্ষা শেষে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বোর্ডের অধীন বিভাগের আট জেলায় এবার পরীক্ষার্থী এক লাখ ৬২ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৬১ হাজার ৫৭ জন পরীক্ষা দিয়েছে। বাকি এক হাজার ৬২২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতদের মধ্যে রাজশাহীর ২৯৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০৩ জন, নাটোরের ১০৮ জন, নওগাঁর ১৬৬ জন, পাবনার ২৮৬ জন, সিরাজগঞ্জের ২৯০ জন, বগুড়ার ২৩৬ জন ও জয়পুরহাটের ৬০ জন পরীক্ষার্থী।
বিভাগের আট জেলায় ২৬৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কোনো পরীক্ষক কিংবা পরীক্ষার্থী বহিষ্কারও হয়নি। পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ও আশপাশে পুলিশ দায়িত্ব পালন করেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একযোগে বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার প্রথম দিনে ১ হাজার ৬২২ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। তবে পরীক্ষায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
পরীক্ষা শেষে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বোর্ডের অধীন বিভাগের আট জেলায় এবার পরীক্ষার্থী এক লাখ ৬২ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৬১ হাজার ৫৭ জন পরীক্ষা দিয়েছে। বাকি এক হাজার ৬২২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতদের মধ্যে রাজশাহীর ২৯৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০৩ জন, নাটোরের ১০৮ জন, নওগাঁর ১৬৬ জন, পাবনার ২৮৬ জন, সিরাজগঞ্জের ২৯০ জন, বগুড়ার ২৩৬ জন ও জয়পুরহাটের ৬০ জন পরীক্ষার্থী।
বিভাগের আট জেলায় ২৬৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কোনো পরীক্ষক কিংবা পরীক্ষার্থী বহিষ্কারও হয়নি। পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ও আশপাশে পুলিশ দায়িত্ব পালন করেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

এ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে চারজনেরই মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাওয়ায় আপাতত তিনজন প্রার্থী হিসেবে টিকে থাকলেন। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া চার প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে আপিল করতে পারবেন।
২১ ঘণ্টা আগে
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুটের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাম মিয়া জানান, দুপাশের ঘাটে ছোটবড় মিলিয়ে পাঁচ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। শত শত মানুষ তীব্র শীতে দুর্ভোগ পোহাছিলেন। কিন্তু কুয়াশায় ঝুঁকির কারণে ফেরি ছাড়তে দেওয়া হয়নি। কুয়াশার কিছুটা কমে এলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকেই এই নৌ পথে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। পরে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে গেলে নৌ পথ অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এতে নৌ দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় রাত আড়াইটা থেকে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
১ দিন আগে
জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বাসসকে জানান, ভোলা-২ (দৌলতখান- বোরহানউদ্দিন) আসনে আজ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই আসনের ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ১% ভোটার সমর্থন থেকে ১০ জন ভোটারের তথ্য সঠিক না পাওয়ায় দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাতিল কর
২ দিন আগে