
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক অফিসের প্রধান ফটকসহ সরকারি বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে দেয়ালে রাতের আঁধারে কে বা কারা জয় বাংলা লিখে গেছে। আজ সোমবার বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে স্প্রে রঙয়ের মাধ্যমে এই স্লোগান লিখা হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে রাজশাহীজুড়ে আলোচনার ঝড় চলছে।
জয় বাংলা লিখা অন্য ভবনগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- রাজশাহী প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই), রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এছাড়াও, আরও বেশ কিছু ভবনের দেয়ালেও জয় বাংলা লিখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট রেজাউল হক বলেন, রোববার আমাদের ওই দেয়ালে কোনো লেখা ছিল না। সোমবার সকালে দেয়ালে জয় বাংলা লেখা দেখা যায়। এছাড়া, ডিডি অফিসেও একই লেখা লিখা হয়েছে। আজ কে বা কারা লিখেছে সেটি জানা নেই। এখন আমাদের নতুন করে রঙ করার বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কিছু করার সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেশকাত মিশু বলেন, আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ কতটা দেউলিয়া হয়ে গেছে সেটার একটা প্রমাণ তারা দিয়েছে। আসলে তারা মরে গেছে কিন্তু ওই লাশটা এসে বিভিন্নভাবে তাদের অস্তিত্বের প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এগুলোতে আওয়ামী লীগ আসলে তাদের শক্তিমত্তা কোনোভাবে প্রমাণ করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বা তাদের নেতাকর্মী বাংলাদেশের জনগণের হাত থেকে পালিয়ে বেঁচেছে। তারা রাজনীতি করতে চাইলে এভাবে জয় বাংলা লিখে কোনো লাভ হবে না। তাদের বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে, মানুষের মন জয় করে রাজনীতি করতে হবে। তাদের পাপকর্মের বিচার হওয়ার পর তারা রাজনীতি করতে পারবে কি না জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে, জানতে চাইলে দেয়ালে দেয়ালে জয় বাংলা লিখা থাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ইসলাম।
পরে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বলেন, বিষয়টি এখনও আমাদের নজরে আসেনি। খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তবে এ ব্যাপারে জানতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি। ফলে তার কোনো মন্তব্যও পাওয়া যায়নি।

রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক অফিসের প্রধান ফটকসহ সরকারি বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে দেয়ালে রাতের আঁধারে কে বা কারা জয় বাংলা লিখে গেছে। আজ সোমবার বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে স্প্রে রঙয়ের মাধ্যমে এই স্লোগান লিখা হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে রাজশাহীজুড়ে আলোচনার ঝড় চলছে।
জয় বাংলা লিখা অন্য ভবনগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- রাজশাহী প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই), রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এছাড়াও, আরও বেশ কিছু ভবনের দেয়ালেও জয় বাংলা লিখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট রেজাউল হক বলেন, রোববার আমাদের ওই দেয়ালে কোনো লেখা ছিল না। সোমবার সকালে দেয়ালে জয় বাংলা লেখা দেখা যায়। এছাড়া, ডিডি অফিসেও একই লেখা লিখা হয়েছে। আজ কে বা কারা লিখেছে সেটি জানা নেই। এখন আমাদের নতুন করে রঙ করার বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কিছু করার সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেশকাত মিশু বলেন, আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ কতটা দেউলিয়া হয়ে গেছে সেটার একটা প্রমাণ তারা দিয়েছে। আসলে তারা মরে গেছে কিন্তু ওই লাশটা এসে বিভিন্নভাবে তাদের অস্তিত্বের প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এগুলোতে আওয়ামী লীগ আসলে তাদের শক্তিমত্তা কোনোভাবে প্রমাণ করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বা তাদের নেতাকর্মী বাংলাদেশের জনগণের হাত থেকে পালিয়ে বেঁচেছে। তারা রাজনীতি করতে চাইলে এভাবে জয় বাংলা লিখে কোনো লাভ হবে না। তাদের বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে, মানুষের মন জয় করে রাজনীতি করতে হবে। তাদের পাপকর্মের বিচার হওয়ার পর তারা রাজনীতি করতে পারবে কি না জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে, জানতে চাইলে দেয়ালে দেয়ালে জয় বাংলা লিখা থাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ইসলাম।
পরে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বলেন, বিষয়টি এখনও আমাদের নজরে আসেনি। খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তবে এ ব্যাপারে জানতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি। ফলে তার কোনো মন্তব্যও পাওয়া যায়নি।

বগুড়া-৬ আসনে (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপনির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
ময়নাতদন্তের জন্য আবু সুফিয়ান রাব্বির মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় আবার দাফন করা হয়। রাব্বির গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জের চরপুবাইলে। তিনি মা–বাবার সঙ্গে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় থাকতেন।
২১ ঘণ্টা আগে
পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে পাহাড়ের অন্যতম প্রাণের উৎসব বৈসাবি। এ উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা সম্প্রদায় আয়োজন করেছে বর্ণিল বৈসু শোভাযাত্রা ও ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্য।
১ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁর বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম। বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন পরিবারের সদস্য ও সহযোদ্ধারা।
১ দিন আগে