
রাজশাহী ব্যুরো

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজশাহীতে মোট ৪৪৮ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১৪৯ জন। আজ সোমবার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) অগ্নি প্রকল্পের পক্ষ থেকে তুলে ধরা প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।
রাজশাহী নগরের একটি রেস্তোরাঁয় এই প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বলা হয়, এক বছরে রাজশাহীতে মোট ২৯৯ জন নারী পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ১৫৭ জন স্বামী কর্তৃক ও ৮৪ জন স্বামীর পরিবার কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। স্বামী কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছে ১৪ জন নারী। নির্যাতনের কারণে ১০ জন আত্মহত্যা এবং স্বামীর পরিবার কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছে ৪জন নারী।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এক বছরে রাজশাহীতে অগ্নি প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৬টি মামলা করা হয়েছে। যেসব মামলায় ২৫৫ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ আছে। এরমধ্যে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৫৭ জন। আর স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছেন ৫৩ জন। গত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
এতে আরও বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে ২৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হন। পাঁচজনকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে সাতজনকে। যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫৪ জন। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় লাঞ্ছিত হয়েছেন ৩২ জন। একবছরে জেলায় পারিবারিক বিরোধে স্বামীর হাতে ১৪ নারী খুন হয়েছেন। স্বামীর পরিবারের সদস্যদের হাতে খুন হয়েছেন চারজন। এছাড়া প্রেম প্রত্যাখান করায় একজন এসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন।
এছাড়া এক বছরে জেলায় ২২ শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং অগ্নি প্রকল্পের ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবী মাঠপর্যায় থেকে এই তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে প্রতিবেদন উপস্থাপন সভায় জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অগ্নি প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক হাসিবুল হাসান পল্লব। তিনি জানান, নির্যাতনের শিকার নারীদের তারা আইনগত সহায়তা দিয়ে থাকেন বিনামূল্যে। এক বছরে অগ্নি প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৬টি মামলা করা হয়েছে। পারিবারিক, যৌতুক ও শিশু উদ্ধারের এসব মামলার মধ্যে ২১টি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকিগুলো চলমান। নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে ১৮টি মামলায় ভিকটিমের পক্ষে রায় এসেছে।
প্রতিবেদন উপস্থাপন সভায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অগ্নি প্রকল্পের ডাটা ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট সাব্বির ইসলাম, বেসরকারী সংস্থা পরিবর্তন-এর পরিচালক রাশেদ রিপন, আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র অগ্নি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। তাদের সঙ্গে সহযোগী সংস্থা হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজশাহীতে মোট ৪৪৮ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১৪৯ জন। আজ সোমবার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) অগ্নি প্রকল্পের পক্ষ থেকে তুলে ধরা প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।
রাজশাহী নগরের একটি রেস্তোরাঁয় এই প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বলা হয়, এক বছরে রাজশাহীতে মোট ২৯৯ জন নারী পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ১৫৭ জন স্বামী কর্তৃক ও ৮৪ জন স্বামীর পরিবার কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। স্বামী কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছে ১৪ জন নারী। নির্যাতনের কারণে ১০ জন আত্মহত্যা এবং স্বামীর পরিবার কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছে ৪জন নারী।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এক বছরে রাজশাহীতে অগ্নি প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৬টি মামলা করা হয়েছে। যেসব মামলায় ২৫৫ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ আছে। এরমধ্যে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৫৭ জন। আর স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছেন ৫৩ জন। গত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
এতে আরও বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে ২৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হন। পাঁচজনকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে সাতজনকে। যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫৪ জন। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় লাঞ্ছিত হয়েছেন ৩২ জন। একবছরে জেলায় পারিবারিক বিরোধে স্বামীর হাতে ১৪ নারী খুন হয়েছেন। স্বামীর পরিবারের সদস্যদের হাতে খুন হয়েছেন চারজন। এছাড়া প্রেম প্রত্যাখান করায় একজন এসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন।
এছাড়া এক বছরে জেলায় ২২ শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং অগ্নি প্রকল্পের ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবী মাঠপর্যায় থেকে এই তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে প্রতিবেদন উপস্থাপন সভায় জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অগ্নি প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক হাসিবুল হাসান পল্লব। তিনি জানান, নির্যাতনের শিকার নারীদের তারা আইনগত সহায়তা দিয়ে থাকেন বিনামূল্যে। এক বছরে অগ্নি প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৬টি মামলা করা হয়েছে। পারিবারিক, যৌতুক ও শিশু উদ্ধারের এসব মামলার মধ্যে ২১টি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকিগুলো চলমান। নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে ১৮টি মামলায় ভিকটিমের পক্ষে রায় এসেছে।
প্রতিবেদন উপস্থাপন সভায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অগ্নি প্রকল্পের ডাটা ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট সাব্বির ইসলাম, বেসরকারী সংস্থা পরিবর্তন-এর পরিচালক রাশেদ রিপন, আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র অগ্নি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। তাদের সঙ্গে সহযোগী সংস্থা হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমপুর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী শিব্বির আহমেদ ও একই গ্রামের বাছির মিয়ার মধ্যে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় স্কুল ছুটি হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাথরুম থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে নির্মাণ শ্রমিকেরা সেখানে যান। পরে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ খুন হন। ৩৫ বছর বয়সী বুলবুল পাশের শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। যে এলাকায় বুলবুলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, সেটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন।
১ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে