
রাজশাহী ব্যুরো

ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে ডাকটিকিটের ছবি, এটা সভ্যতারও বাহন। দেশি-বিদেশিসহ তেমনই হাজারও দুষ্প্রাপ্য ডাকটিকিট নিয়ে রাজশাহীতে হচ্ছে ‘বরেন্দ্রপেক্স ২০২৪’ শীর্ষক ডাকটিকিট প্রদর্শনী। রোববার রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে বরেন্দ্র ফিলাটেলিক সোসাইটির উদ্যোগে এই প্রদর্শনী শুরু হয়। চলবে সোমবার পর্যন্ত।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রদর্শনীতে স্বর্ণ, টিন, কাগজ, কাঠ, প্লাস্টিক, কাপড়সহ নানা জিনিষ দিয়ে তৈরি ডাকটিকিট রয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশের প্রথম চিঠি লেখার খাম ও ডাকটিকিট, বর্তমান সময়ের খাম, ব্রিটিশ আমলের ডাকটিকিট এবং অ্যারোগ্রাম রয়েছে। ২৫ জন সংগ্রাহকের ডাকটিকিট নিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতের বঙ্গবন্ধু, ক্রিকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য নারী, বিভিন্ন দেশের পতাকা, পাখি, পোস্ট কার্ড রয়েছে। প্রদর্শনীতে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, চীন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ফিজি, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশের ডাকটিকিট রয়েছে।
আয়োজকরা বলেন, স্মারক ডাকটিকিট একটি দেশ, জাতি ও সভ্যতা সম্পর্কে যে তথ্য দেয় তা অন্যভাবে পাওয়া যায় না। স্মারক ডাকটিকিটের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম অতীতের জীবনধারা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসকে আত্মস্থ করার সুযোগ পায়। ডাকটিকিট সংগ্রহ একটা বড় শখ ও নেশা।
ডাকটিকিটের প্রদর্শনী দেখতে আসা সাইফুল ইসলাম বলেন, এই প্রদর্শনীতে না এলে একসঙ্গে ডাকটিকিটের বিশাল প্রদর্শনী দেখতে পেতাম না। একেকটি ডাকটিকিট একেকটি ইতিহাসের সাক্ষী। কালের আবহে ডাকটিকিট, ডাকঘর, ডাকপিয়নসহ সংশ্লিষ্ট মাধ্যমগুলোর আবেদন কমেছে। তবে ভাবাই যায় না যে একসময় কাঠ, প্লাস্টিক বা স্বর্ণ দিয়ে তৈরি ডাকটিকিটের প্রচলন ছিল।
এসব ঐতিহ্য সংগ্রহ এক ধরনের নেশা বা ভালোলাগা জানিয়ে সংগ্রাহক মোরর্শেদ হাসান জানান, আসলে ভালোলাগা থেকে এসব ডাকটিকিট সংগ্রহ করে থাকি। আমার সংগ্রহে দেশি-বিদেশি চিঠির খাম ও ডাকটিকিট রয়েছে। যখন কোনো দেশ নতুন ডাকটিকিট বের করে তখন সেই ডাকটিকিট সংগ্রহ করে থাকি।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র ফিলাটেলিক সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন্ত কুমার জানান, এই প্রদর্শনীতে এলে মানুষ ডাকটিকিটের ঐতিহ্যের বিষয়ে জানতে পারবে। এখানে বিভিন্ন দেশের ডাকটিকিট রয়েছে। এই দেশের বিভিন্ন স্থানের ২৫ জন সংগ্রাহকের ডাকটিকিট স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনীতে শুধু ডাকটিকিট নয় রয়েছে চিঠি লেখার খামও।

ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে ডাকটিকিটের ছবি, এটা সভ্যতারও বাহন। দেশি-বিদেশিসহ তেমনই হাজারও দুষ্প্রাপ্য ডাকটিকিট নিয়ে রাজশাহীতে হচ্ছে ‘বরেন্দ্রপেক্স ২০২৪’ শীর্ষক ডাকটিকিট প্রদর্শনী। রোববার রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে বরেন্দ্র ফিলাটেলিক সোসাইটির উদ্যোগে এই প্রদর্শনী শুরু হয়। চলবে সোমবার পর্যন্ত।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রদর্শনীতে স্বর্ণ, টিন, কাগজ, কাঠ, প্লাস্টিক, কাপড়সহ নানা জিনিষ দিয়ে তৈরি ডাকটিকিট রয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশের প্রথম চিঠি লেখার খাম ও ডাকটিকিট, বর্তমান সময়ের খাম, ব্রিটিশ আমলের ডাকটিকিট এবং অ্যারোগ্রাম রয়েছে। ২৫ জন সংগ্রাহকের ডাকটিকিট নিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতের বঙ্গবন্ধু, ক্রিকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য নারী, বিভিন্ন দেশের পতাকা, পাখি, পোস্ট কার্ড রয়েছে। প্রদর্শনীতে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, চীন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ফিজি, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশের ডাকটিকিট রয়েছে।
আয়োজকরা বলেন, স্মারক ডাকটিকিট একটি দেশ, জাতি ও সভ্যতা সম্পর্কে যে তথ্য দেয় তা অন্যভাবে পাওয়া যায় না। স্মারক ডাকটিকিটের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম অতীতের জীবনধারা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসকে আত্মস্থ করার সুযোগ পায়। ডাকটিকিট সংগ্রহ একটা বড় শখ ও নেশা।
ডাকটিকিটের প্রদর্শনী দেখতে আসা সাইফুল ইসলাম বলেন, এই প্রদর্শনীতে না এলে একসঙ্গে ডাকটিকিটের বিশাল প্রদর্শনী দেখতে পেতাম না। একেকটি ডাকটিকিট একেকটি ইতিহাসের সাক্ষী। কালের আবহে ডাকটিকিট, ডাকঘর, ডাকপিয়নসহ সংশ্লিষ্ট মাধ্যমগুলোর আবেদন কমেছে। তবে ভাবাই যায় না যে একসময় কাঠ, প্লাস্টিক বা স্বর্ণ দিয়ে তৈরি ডাকটিকিটের প্রচলন ছিল।
এসব ঐতিহ্য সংগ্রহ এক ধরনের নেশা বা ভালোলাগা জানিয়ে সংগ্রাহক মোরর্শেদ হাসান জানান, আসলে ভালোলাগা থেকে এসব ডাকটিকিট সংগ্রহ করে থাকি। আমার সংগ্রহে দেশি-বিদেশি চিঠির খাম ও ডাকটিকিট রয়েছে। যখন কোনো দেশ নতুন ডাকটিকিট বের করে তখন সেই ডাকটিকিট সংগ্রহ করে থাকি।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র ফিলাটেলিক সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন্ত কুমার জানান, এই প্রদর্শনীতে এলে মানুষ ডাকটিকিটের ঐতিহ্যের বিষয়ে জানতে পারবে। এখানে বিভিন্ন দেশের ডাকটিকিট রয়েছে। এই দেশের বিভিন্ন স্থানের ২৫ জন সংগ্রাহকের ডাকটিকিট স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনীতে শুধু ডাকটিকিট নয় রয়েছে চিঠি লেখার খামও।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৮ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৯ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
২১ ঘণ্টা আগে