
রাজশাহী ব্যুরো

'বিজয় কি এবারও বেহাত হতে যাচ্ছে? সমঝোতা ব্যতীত সংবিধান সংষ্কার কি সম্ভব?' শীর্ষক আলোচ্য বিষয়কে সামনে রেখে রাজশাহীতে সংবিধানের সংষ্কার ও সমঝোতা সংলাপ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত নগরীর ঘোড়ামারা এলাকায় অবস্থিত বরেন্দ্র মহাবিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলন ও জুলাই-৩৬ ফোরাম আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সুশীলরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়ক মাহমুদ জামাল কাদেরী। সঞ্চালনায় ছিলেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের রাজশাহী জেলার সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হোসেন আলী পিয়ারা।
সভায় প্রধান অতিথি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর ড. ইউনুস অন্তর্বতীকালীন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন ঠিকই, কিন্তু তিনি এদেশের গণমানুষের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং গণবিরোধী ফ্যাসিস্টদের বিচারের আওতায় আনার যে রুটিন ওয়ার্ক সেটাই করতে পারেননি। অথচ, তার আসল দায়িত্ব ছিল বেশকিছু বিষয়ে দ্রুত সংষ্কার করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। কিন্তু এ সরকার তাতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি রাজনৈতিক দল ছাড়া দেশের সংবিধান সংষ্কার বা সংশোধন সম্ভব না। তাই দ্রুত একটি নির্বাচন দিয়ে এই অন্তর্বতী সরকারের বিদায় নেওয়া উচিৎ।
সভায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অকার্যকরতা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সংবিধান সংষ্কার, নির্বাচনের প্রস্তুতির পূর্বে রাজনৈতিক সংলাপ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্র তৈরিকরণ, পরিবেশে নদী ও ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সুপারিশ প্রদান করেন বক্তারা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ আবুল হাসিব, রাজশাহী মহানগর সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত বেগ, গণঅভ্যুত্থান-২৪ চেতনা পরিষদের আহ্বায়ক মাহবুব সিদ্দিকী, বাংলাদেশ নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল হক প্রমুখ।

'বিজয় কি এবারও বেহাত হতে যাচ্ছে? সমঝোতা ব্যতীত সংবিধান সংষ্কার কি সম্ভব?' শীর্ষক আলোচ্য বিষয়কে সামনে রেখে রাজশাহীতে সংবিধানের সংষ্কার ও সমঝোতা সংলাপ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত নগরীর ঘোড়ামারা এলাকায় অবস্থিত বরেন্দ্র মহাবিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলন ও জুলাই-৩৬ ফোরাম আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সুশীলরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়ক মাহমুদ জামাল কাদেরী। সঞ্চালনায় ছিলেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের রাজশাহী জেলার সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হোসেন আলী পিয়ারা।
সভায় প্রধান অতিথি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর ড. ইউনুস অন্তর্বতীকালীন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন ঠিকই, কিন্তু তিনি এদেশের গণমানুষের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং গণবিরোধী ফ্যাসিস্টদের বিচারের আওতায় আনার যে রুটিন ওয়ার্ক সেটাই করতে পারেননি। অথচ, তার আসল দায়িত্ব ছিল বেশকিছু বিষয়ে দ্রুত সংষ্কার করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। কিন্তু এ সরকার তাতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি রাজনৈতিক দল ছাড়া দেশের সংবিধান সংষ্কার বা সংশোধন সম্ভব না। তাই দ্রুত একটি নির্বাচন দিয়ে এই অন্তর্বতী সরকারের বিদায় নেওয়া উচিৎ।
সভায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অকার্যকরতা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সংবিধান সংষ্কার, নির্বাচনের প্রস্তুতির পূর্বে রাজনৈতিক সংলাপ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্র তৈরিকরণ, পরিবেশে নদী ও ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সুপারিশ প্রদান করেন বক্তারা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংষ্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ আবুল হাসিব, রাজশাহী মহানগর সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত বেগ, গণঅভ্যুত্থান-২৪ চেতনা পরিষদের আহ্বায়ক মাহবুব সিদ্দিকী, বাংলাদেশ নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল হক প্রমুখ।

চাকরি পুনর্বহাল, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন দেশের পাঁচটি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকালে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
২ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
২ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে