
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বটতলা হাট এলাকার একটি মন্দিরে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর করেছে দূর্বৃত্তরা। এ নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শনিবার (৬ অক্টোবর) রাতে কোনো এক সময় পৌরসভার বটতলা হাটে মা ভবানী দুর্গা ও কালীমাতা মন্দিরে ভাঙচুর হয়।
রবিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে মন্দির কমিটির। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
স্থানীয় ভক্ত রীতা রানী জানান, ‘বছরে একবার পুজা করে থাকি। হিন্দু-মুসলিম এক সঙ্গে বসাবাস করেও প্রতিমা ভাঙচুর হচ্ছে। এটা খারাপের দিকে যাচ্ছে। আমরা নিজেদের ধর্ম পালন করতে না পারলে কি করব? নিজেদের ধর্ম পালন করা কঠিন হয়ে পড়বে। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে।’
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা দীপ্তি বলেন, ‘শেষ মহুর্তে প্রতিমা ভাঙচুর করে আমাদের উৎসবে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের খুব খারাপ লাগছে। আমরা তো কারও ক্ষতি করিনি। আমরা বিচার চাই।’
মা ভবানী দূর্গা ও কালীমাতা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক জয় চন্দ্র কর্মকার বলেন, ‘রাত ১টার দিকে প্রতিমার কাজ শেষে বাড়ি যাই সবাই। পরে সকালে আমার মা জানান, কে বা কারা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। এসে দেখি প্রতিমার হাত, পাসহ বিভিন্ন অঙ্গ ভাঙচুর করেছে। যে এই কাজটি করেছে ভাল করে নাই। এটার বিচার চান আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।’
জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী বলেন, ‘বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান না হলে জেলায় পূজা উদযাপন করা হবে কিনা তা নিয়ে ভাবছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এর আগে কোন দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ ধরনের প্রতিমা ভাঙচুর হয়নি। তবে এ বছর প্রতিমা ভাঙচুর হওয়ায় জেলার হিন্দু সম্প্রদায় ভয়ের মধ্যে রয়েছে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম গোলাম জাকারিয়া বলেন, সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা মন্দির পরিদর্শন করেছেন। অপরাধীদের ধরতে মাঠে কাজ করছি আমরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ জানান, প্রশাসক পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বটতলা হাট এলাকার একটি মন্দিরে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর করেছে দূর্বৃত্তরা। এ নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শনিবার (৬ অক্টোবর) রাতে কোনো এক সময় পৌরসভার বটতলা হাটে মা ভবানী দুর্গা ও কালীমাতা মন্দিরে ভাঙচুর হয়।
রবিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে মন্দির কমিটির। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
স্থানীয় ভক্ত রীতা রানী জানান, ‘বছরে একবার পুজা করে থাকি। হিন্দু-মুসলিম এক সঙ্গে বসাবাস করেও প্রতিমা ভাঙচুর হচ্ছে। এটা খারাপের দিকে যাচ্ছে। আমরা নিজেদের ধর্ম পালন করতে না পারলে কি করব? নিজেদের ধর্ম পালন করা কঠিন হয়ে পড়বে। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে।’
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা দীপ্তি বলেন, ‘শেষ মহুর্তে প্রতিমা ভাঙচুর করে আমাদের উৎসবে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের খুব খারাপ লাগছে। আমরা তো কারও ক্ষতি করিনি। আমরা বিচার চাই।’
মা ভবানী দূর্গা ও কালীমাতা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক জয় চন্দ্র কর্মকার বলেন, ‘রাত ১টার দিকে প্রতিমার কাজ শেষে বাড়ি যাই সবাই। পরে সকালে আমার মা জানান, কে বা কারা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। এসে দেখি প্রতিমার হাত, পাসহ বিভিন্ন অঙ্গ ভাঙচুর করেছে। যে এই কাজটি করেছে ভাল করে নাই। এটার বিচার চান আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।’
জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী বলেন, ‘বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান না হলে জেলায় পূজা উদযাপন করা হবে কিনা তা নিয়ে ভাবছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এর আগে কোন দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ ধরনের প্রতিমা ভাঙচুর হয়নি। তবে এ বছর প্রতিমা ভাঙচুর হওয়ায় জেলার হিন্দু সম্প্রদায় ভয়ের মধ্যে রয়েছে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম গোলাম জাকারিয়া বলেন, সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা মন্দির পরিদর্শন করেছেন। অপরাধীদের ধরতে মাঠে কাজ করছি আমরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ জানান, প্রশাসক পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে এক ব্যক্তি ফরহাদকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। ভোরে তার মোবাইল ফোনে কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি ক্ষেতে ফরহাদের মরদেহ পড়ে থাকার খব
২০ ঘণ্টা আগে
বগুড়া-৬ আসনে (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপনির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
২ দিন আগে
ময়নাতদন্তের জন্য আবু সুফিয়ান রাব্বির মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় আবার দাফন করা হয়। রাব্বির গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জের চরপুবাইলে। তিনি মা–বাবার সঙ্গে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় থাকতেন।
২ দিন আগে
পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে পাহাড়ের অন্যতম প্রাণের উৎসব বৈসাবি। এ উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা সম্প্রদায় আয়োজন করেছে বর্ণিল বৈসু শোভাযাত্রা ও ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্য।
২ দিন আগে