
রাজশাহী ব্যুরো

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী বলেছেন, 'মাফিয়াতন্ত্রের সকল অংশীদারদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী চিরুনি অভিযান চালাতে হবে।'
আজ রবিবার বেলা ১২টায় রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েতে এ দাবি জানান তিনি।
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের অপসারণের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী বলেন, প্রশাসন, সচিবালয়, বিদেশি দূতাবাসে পদে পদে যেসব ফ্যাসিবাদী রাক্ষস বাংলার গণমানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তাদের সবাইকে পদত্যাগ করাতে হবে। প্রশাসন থেকে শুরু করে , সিভিল সোসাইটি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর, ফলভোগীদের সরাতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হাসিনার মাফিয়াতন্ত্রের সকল অংশীদারদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী চিরুনি অভিযান চালাতে হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের নানা অপকর্মের বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে খুন, গুম, গণহত্যা, আয়নাঘরে বিনাবিচারে আটকে রেখে জীবন যৌবন ধ্বংস করে, পিলখানায় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর মেধাবী অফিসারদের হত্যা করে, ক্রসফায়ার নাটক সাজিয়ে শত শত নিরীহ মানুষকে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে এই ফ্যাসিস্টরা। শাপলা চত্বরে রাতের আধাঁরে এ দেশের আলেম-ওলামাদের উপর গণহত্যা চালিয়ে, ওরা বাংলাদেশের গণমানুষের ঘাড়ে আবারও চেপে বসার ষড়যন্ত্র করছেছিল। পুলিশ এসে খুনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরে কয়, একটারে গুলি করলে একটাই মরে বাকিরা সামনে চলে আসে। আরে মামুর বেটা আমরা মরতে শিখে গেছি, আমরা বুক পেতে দিতে শিখে গেছি, আমরা পঙ্গপালের মতো সামনেই এগিয়ে যাব। যতবার শেষ করার চেষ্টা করবা ততবারই ফিনিক্স পাখির মতো উড়ে উড়ে আসবো।
গণজমায়েতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাবির অন্যতম সমন্বয়ক মেহেদী সজিব বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এখনও তারা বিভিন্ন কায়দায় এ দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে। যা দেশের আপামর ছাত্র-জনতা কখনো হতে দিবে না। গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদেরকে কখনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এসময় শিক্ষার্থীরা 'একটা-দুইটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর', 'মাঠে আছি আমরা, তুলবো লীগের চামড়া', 'আপোষ না? সংগ্রাম? সংগ্রাম।... সংগ্রাম। ...', 'দালালি না? রাজপথ? রাজপথ। ... রাজপথ।', 'দিয়েছি তো রক্ত, আরো দিবো রক্ত।' 'সাকিব রায়হান মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ।', 'আলী রায়হান, মুগ্ধ, শেষ হয় নি... যুদ্ধ।', 'সাঈদ-নুর-আসাদ ভাই, ফ্যাসিবাদের জায়গা নাই' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন রাবির অন্যতম সমন্বয়ক মেহেদী হাসান মুন্না, মাসুদ রানা, সালাউদ্দীন আম্মার প্রমুখ। গণজমায়েতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী কলেজের সমন্বয়ক এম এ বারি, সোহাগ, মহুয়া জান্নাতসহ নগরীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী বলেছেন, 'মাফিয়াতন্ত্রের সকল অংশীদারদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী চিরুনি অভিযান চালাতে হবে।'
আজ রবিবার বেলা ১২টায় রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েতে এ দাবি জানান তিনি।
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের অপসারণের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী বলেন, প্রশাসন, সচিবালয়, বিদেশি দূতাবাসে পদে পদে যেসব ফ্যাসিবাদী রাক্ষস বাংলার গণমানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তাদের সবাইকে পদত্যাগ করাতে হবে। প্রশাসন থেকে শুরু করে , সিভিল সোসাইটি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর, ফলভোগীদের সরাতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হাসিনার মাফিয়াতন্ত্রের সকল অংশীদারদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী চিরুনি অভিযান চালাতে হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের নানা অপকর্মের বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে খুন, গুম, গণহত্যা, আয়নাঘরে বিনাবিচারে আটকে রেখে জীবন যৌবন ধ্বংস করে, পিলখানায় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর মেধাবী অফিসারদের হত্যা করে, ক্রসফায়ার নাটক সাজিয়ে শত শত নিরীহ মানুষকে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে এই ফ্যাসিস্টরা। শাপলা চত্বরে রাতের আধাঁরে এ দেশের আলেম-ওলামাদের উপর গণহত্যা চালিয়ে, ওরা বাংলাদেশের গণমানুষের ঘাড়ে আবারও চেপে বসার ষড়যন্ত্র করছেছিল। পুলিশ এসে খুনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরে কয়, একটারে গুলি করলে একটাই মরে বাকিরা সামনে চলে আসে। আরে মামুর বেটা আমরা মরতে শিখে গেছি, আমরা বুক পেতে দিতে শিখে গেছি, আমরা পঙ্গপালের মতো সামনেই এগিয়ে যাব। যতবার শেষ করার চেষ্টা করবা ততবারই ফিনিক্স পাখির মতো উড়ে উড়ে আসবো।
গণজমায়েতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাবির অন্যতম সমন্বয়ক মেহেদী সজিব বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এখনও তারা বিভিন্ন কায়দায় এ দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে। যা দেশের আপামর ছাত্র-জনতা কখনো হতে দিবে না। গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদেরকে কখনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এসময় শিক্ষার্থীরা 'একটা-দুইটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর', 'মাঠে আছি আমরা, তুলবো লীগের চামড়া', 'আপোষ না? সংগ্রাম? সংগ্রাম।... সংগ্রাম। ...', 'দালালি না? রাজপথ? রাজপথ। ... রাজপথ।', 'দিয়েছি তো রক্ত, আরো দিবো রক্ত।' 'সাকিব রায়হান মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ।', 'আলী রায়হান, মুগ্ধ, শেষ হয় নি... যুদ্ধ।', 'সাঈদ-নুর-আসাদ ভাই, ফ্যাসিবাদের জায়গা নাই' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন রাবির অন্যতম সমন্বয়ক মেহেদী হাসান মুন্না, মাসুদ রানা, সালাউদ্দীন আম্মার প্রমুখ। গণজমায়েতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী কলেজের সমন্বয়ক এম এ বারি, সোহাগ, মহুয়া জান্নাতসহ নগরীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে এক ব্যক্তি ফরহাদকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। ভোরে তার মোবাইল ফোনে কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি ক্ষেতে ফরহাদের মরদেহ পড়ে থাকার খব
১৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া-৬ আসনে (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপনির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
ময়নাতদন্তের জন্য আবু সুফিয়ান রাব্বির মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় আবার দাফন করা হয়। রাব্বির গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জের চরপুবাইলে। তিনি মা–বাবার সঙ্গে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় থাকতেন।
১ দিন আগে
পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে পাহাড়ের অন্যতম প্রাণের উৎসব বৈসাবি। এ উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা সম্প্রদায় আয়োজন করেছে বর্ণিল বৈসু শোভাযাত্রা ও ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্য।
১ দিন আগে