
রাজশাহী ব্যুরো

চারিদিকে বাজছে বিয়ের শানাই। বরকে বিয়ের সাজে সজ্জিত করে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো কনের বাড়িতে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে আগে থেকেই বধূ সেজে থাকা কনের সঙ্গে হয়ে গেল বিয়েও। কিন্তু এটি কোন মানুষের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বৃষ্টির আশায় রাজশাহীর পবা উপজেলার ভুগরোইল খ্রিস্টানপাড়ায় আয়োজন করা হয়েছিল দুই ব্যাঙের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (০২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় এমন ব্যতিক্রমী বিয়ের অনুষ্ঠানে পবা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ভুগরোইল খ্রিস্টান পাড়ায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ নানান বয়সী শত শত আদিবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। তারা দুটি পুরুষ ও স্ত্রী ব্যাঙ ধরে তাদের বিয়ে দেয়।
খ্রিস্টান পল্লীর মানুষজন প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী নানা গান ও গিতের তালে তালে নেচেছেন। অনুষ্ঠানের সময় খেলেছেন রঙও। সবশেষে দুপুরে তারা বিবাহিত ব্যাঙ দুটিকে কলাপাতার বাক্সে ভরে বালতিতে নিয়ে পুরো খ্রিস্টান পল্লীতে ঘুরে বেড়ান আর নাচেন। সঙ্গে ছিল ঢোল আর বিয়ের শানাই। দেখে মনে হচ্ছিল যেন সত্যি সত্যি খ্রিস্টান কোন তরুণ-তরুণীর বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল সেখানে। এসময় আদিবাসী পল্লীর মানুষজনের কাছ থেকে চাল, ডাল, মুরগি ও মসলা সংগ্রহ করে খাবারের আয়োজন করা হয়।
ব্যাঙের বিয়ের অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ছিলেন স্থানীয় খ্রিস্টান পল্লীর অঞ্জলী বিশ্বাস। মূলত তিনিই ফাদার সেজে পুরুষ ও নারী ব্যঙের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। কনেপক্ষে কনে ব্যাঙের মা স্থানীয় নওহাটা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়া বিশ্বাস। বিয়ের এই পুরো আয়োজনে খ্রিস্টান পল্লীর গ্রামবাসী তাদের সহযোগিতা করেন।
আয়োজক অঞ্জলী বিশ্বাস বলেন, 'বৃষ্টির জন্য চারিদিকে হাহাকার। কোথাও পানি নেই। আগে বৃষ্টির জন্য ব্যঙের বিয়ের আয়োজনের বেশ প্রচলন ছিল। কিন্তু এটি এখন অনেক কমে গেছে। তাই পুরনো সেই রীতি ধরে রাখতে বৃষ্টির আশায় আমাদের এই আয়োজন।’
কনে ব্যাঙের মা জয়া বিশ্বাস বলেন, 'বৃষ্টি না হওয়ায় রাজশাহীসহ সারাদেশ আজ মরুভূমি হয়ে গেছে। রাজশাহীর বেশ কিছু এলাকায় নলকূপে মানুষজন পানি পাচ্ছে না। খাবার পানি, সেচের পানি যোগাড় করতে কষ্ট হচ্ছে, পুকুর শুকিয়ে গেছে। তাই আমরা বৃষ্টির জন্য এই আয়োজন করেছি।’
তিনি বলেন, স্থানীয় খ্রিস্টান চার্চ থেকে পুরুষ ব্যাঙকে সাজিয়ে একটু দূরেই আমাদের নিজের বাড়িতে বধূ সাজে সাজিয়ে রাখা কনে ব্যাঙের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই ব্যাঙের মধ্যে দেয়া হয় বিয়ে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুনরায় শানাই আর ঢাক-ঢোল বাজিয়ে বর-কনেকে নিয়ে আসা হয় স্থানীয় সেই চার্চে। পরে ব্যাঙ দুুটির বিয়ের পোশাক খুলে ফেলে গোসল করিয়ে ছেড়ে দেয়া পুকুরে। এরপর আমরা রঙ খেলা এবং নাচ-গান শেষে রান্না-বান্না করে পুরো গ্রামবাসী একসাথে দুপুরের খাবার খাই।
এদিকে, রাজশাহীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ মে) বিকাল ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত প্রায় দুই সপ্তাহ থেকে রাজশাহীতে ৪১ থেকে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে।

চারিদিকে বাজছে বিয়ের শানাই। বরকে বিয়ের সাজে সজ্জিত করে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো কনের বাড়িতে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে আগে থেকেই বধূ সেজে থাকা কনের সঙ্গে হয়ে গেল বিয়েও। কিন্তু এটি কোন মানুষের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বৃষ্টির আশায় রাজশাহীর পবা উপজেলার ভুগরোইল খ্রিস্টানপাড়ায় আয়োজন করা হয়েছিল দুই ব্যাঙের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (০২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় এমন ব্যতিক্রমী বিয়ের অনুষ্ঠানে পবা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ভুগরোইল খ্রিস্টান পাড়ায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ নানান বয়সী শত শত আদিবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। তারা দুটি পুরুষ ও স্ত্রী ব্যাঙ ধরে তাদের বিয়ে দেয়।
খ্রিস্টান পল্লীর মানুষজন প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী নানা গান ও গিতের তালে তালে নেচেছেন। অনুষ্ঠানের সময় খেলেছেন রঙও। সবশেষে দুপুরে তারা বিবাহিত ব্যাঙ দুটিকে কলাপাতার বাক্সে ভরে বালতিতে নিয়ে পুরো খ্রিস্টান পল্লীতে ঘুরে বেড়ান আর নাচেন। সঙ্গে ছিল ঢোল আর বিয়ের শানাই। দেখে মনে হচ্ছিল যেন সত্যি সত্যি খ্রিস্টান কোন তরুণ-তরুণীর বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল সেখানে। এসময় আদিবাসী পল্লীর মানুষজনের কাছ থেকে চাল, ডাল, মুরগি ও মসলা সংগ্রহ করে খাবারের আয়োজন করা হয়।
ব্যাঙের বিয়ের অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ছিলেন স্থানীয় খ্রিস্টান পল্লীর অঞ্জলী বিশ্বাস। মূলত তিনিই ফাদার সেজে পুরুষ ও নারী ব্যঙের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। কনেপক্ষে কনে ব্যাঙের মা স্থানীয় নওহাটা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়া বিশ্বাস। বিয়ের এই পুরো আয়োজনে খ্রিস্টান পল্লীর গ্রামবাসী তাদের সহযোগিতা করেন।
আয়োজক অঞ্জলী বিশ্বাস বলেন, 'বৃষ্টির জন্য চারিদিকে হাহাকার। কোথাও পানি নেই। আগে বৃষ্টির জন্য ব্যঙের বিয়ের আয়োজনের বেশ প্রচলন ছিল। কিন্তু এটি এখন অনেক কমে গেছে। তাই পুরনো সেই রীতি ধরে রাখতে বৃষ্টির আশায় আমাদের এই আয়োজন।’
কনে ব্যাঙের মা জয়া বিশ্বাস বলেন, 'বৃষ্টি না হওয়ায় রাজশাহীসহ সারাদেশ আজ মরুভূমি হয়ে গেছে। রাজশাহীর বেশ কিছু এলাকায় নলকূপে মানুষজন পানি পাচ্ছে না। খাবার পানি, সেচের পানি যোগাড় করতে কষ্ট হচ্ছে, পুকুর শুকিয়ে গেছে। তাই আমরা বৃষ্টির জন্য এই আয়োজন করেছি।’
তিনি বলেন, স্থানীয় খ্রিস্টান চার্চ থেকে পুরুষ ব্যাঙকে সাজিয়ে একটু দূরেই আমাদের নিজের বাড়িতে বধূ সাজে সাজিয়ে রাখা কনে ব্যাঙের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই ব্যাঙের মধ্যে দেয়া হয় বিয়ে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুনরায় শানাই আর ঢাক-ঢোল বাজিয়ে বর-কনেকে নিয়ে আসা হয় স্থানীয় সেই চার্চে। পরে ব্যাঙ দুুটির বিয়ের পোশাক খুলে ফেলে গোসল করিয়ে ছেড়ে দেয়া পুকুরে। এরপর আমরা রঙ খেলা এবং নাচ-গান শেষে রান্না-বান্না করে পুরো গ্রামবাসী একসাথে দুপুরের খাবার খাই।
এদিকে, রাজশাহীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ মে) বিকাল ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত প্রায় দুই সপ্তাহ থেকে রাজশাহীতে ৪১ থেকে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৮ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৯ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
২১ ঘণ্টা আগে