
মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর পৌর শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রধান বৈদ্যুতিক পিলারের উঁচু তারে ঝুলন্ত অবস্থায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় শহরজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে প্রথমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের সামনে বৈদ্যুতিক তারে ঝুলন্ত অবস্থায় বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি উদ্ধার করে।
এরপর শহরের কোর্ট মোড় এলাকা থেকে একইভাবে একই ধরনের আরেকটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। পরে শহরের প্রাণকেন্দ্র সোনালী ব্যাংকের সামনেও একইভাবে বৈদ্যুতিক তারে ঝুলন্ত অবস্থায় আরও একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। পরপর শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, উদ্ধার করা বস্তুগুলো পানিভর্তি বালতিতে সংরক্ষণ করে সদর থানায় নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলো দেখতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাউন্ড বক্সের মতো মনে হচ্ছে।
তবে এগুলো আসলে কী ধরনের বস্তু এবং এর সঙ্গে বিস্ফোরক কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তবে শহরের প্রাণকেন্দ্রে পুলিশ এবং বাজার সমিতির রাত্রিকালীন টহল টিমের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিভাবে একই সকালে পরপর তিনটি স্থানে বোমাসদৃশ বস্তু ঝুঁলিয়ে রাখা ঘটনায় শহরবাসী তাদের অনিরাপত্তা ও আতঙ্কের প্রশ্ন তুলেছেন।

মেহেরপুর পৌর শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রধান বৈদ্যুতিক পিলারের উঁচু তারে ঝুলন্ত অবস্থায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় শহরজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে প্রথমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের সামনে বৈদ্যুতিক তারে ঝুলন্ত অবস্থায় বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি উদ্ধার করে।
এরপর শহরের কোর্ট মোড় এলাকা থেকে একইভাবে একই ধরনের আরেকটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। পরে শহরের প্রাণকেন্দ্র সোনালী ব্যাংকের সামনেও একইভাবে বৈদ্যুতিক তারে ঝুলন্ত অবস্থায় আরও একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। পরপর শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, উদ্ধার করা বস্তুগুলো পানিভর্তি বালতিতে সংরক্ষণ করে সদর থানায় নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলো দেখতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাউন্ড বক্সের মতো মনে হচ্ছে।
তবে এগুলো আসলে কী ধরনের বস্তু এবং এর সঙ্গে বিস্ফোরক কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তবে শহরের প্রাণকেন্দ্রে পুলিশ এবং বাজার সমিতির রাত্রিকালীন টহল টিমের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিভাবে একই সকালে পরপর তিনটি স্থানে বোমাসদৃশ বস্তু ঝুঁলিয়ে রাখা ঘটনায় শহরবাসী তাদের অনিরাপত্তা ও আতঙ্কের প্রশ্ন তুলেছেন।

প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
২১ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১ দিন আগে