
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে গ্যাস লিকেজের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ওই শিপইয়ার্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও কয়েকজন।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে একটি স্ক্র্যাপ জাহাজে হাউজকিপিং করার সময় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কাজের সময় হঠাৎ গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে ১৫/২০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। দুজনের মরদেহ কারখানাতেই ছিল। পরে হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ওই জাহাজটি এলএনজি (তরলীকৃত গ্যাস) পরিবহন করত। এ ধরনের জাহাজে কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড বা কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস থাকতে পারে। এ কারণে গ্যাসমুক্ত করে তারপর জাহাজ কাটতে হয়। সেটি করা হয়নি বলেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুজ্জামান বলেন, এখানে বিস্ফোরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গ্যাস লিক হয়ে বিষক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন। অনেকে প্রথমে এটিকে ‘বিস্ফোরণ’ বলে মনে করেছিলেন।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান বলেন, ঘটনাটি গ্যাস নিঃসরণ নাকি বিস্ফোরণ, তা তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে গ্যাস লিকেজের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ওই শিপইয়ার্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও কয়েকজন।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে একটি স্ক্র্যাপ জাহাজে হাউজকিপিং করার সময় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কাজের সময় হঠাৎ গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে ১৫/২০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। দুজনের মরদেহ কারখানাতেই ছিল। পরে হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ওই জাহাজটি এলএনজি (তরলীকৃত গ্যাস) পরিবহন করত। এ ধরনের জাহাজে কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড বা কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস থাকতে পারে। এ কারণে গ্যাসমুক্ত করে তারপর জাহাজ কাটতে হয়। সেটি করা হয়নি বলেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুজ্জামান বলেন, এখানে বিস্ফোরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গ্যাস লিক হয়ে বিষক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন। অনেকে প্রথমে এটিকে ‘বিস্ফোরণ’ বলে মনে করেছিলেন।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান বলেন, ঘটনাটি গ্যাস নিঃসরণ নাকি বিস্ফোরণ, তা তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
৭ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই-রাঙ্গামাটি-আসামবস্তি সড়কের আগরবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
১০ ঘণ্টা আগে