খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ২

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৪: ৩০

খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনে দুর্বৃত্ত্বের গুলিতে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আদালতের সামনে খান এ সবুর রোডে এ ঘটনা ঘটে।

খুলনা সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আদালতে হাজিরা শেষে দুই ব্যক্তি বাইরে বের হলে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আদালতে হাজিরা দিয়ে দুইজন মোটরসাইকেলযোগে বের হচ্ছিলেন। এসময়ে দুর্বৃত্ত্বরা মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ দু’জনের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সময় পর্যন্ত নিহত ব্যক্তি ও আহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

এ ঘটনার পর আদালত অঙ্গনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও যৌথ বাহিনী পর্যবেক্ষন করছেন।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

নান্দাইলে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট-ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি

আন্দোলনকারীরা আরও জানান, তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত ফাইলটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু অযথা সময়ক্ষেপণ করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। দাবিদাওয়ার বিষয়টি সমাধান করা না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে বলে জানান।

১১ ঘণ্টা আগে

টঙ্গীতে জোড় ইজতেমায় আরও দুই মুসল্লির মৃত্যু

তারা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার আব্দুল জহিরের ছেলে আবুল আসাদ বাদল (৬২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকায় নাজির উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (১০০)।

১১ ঘণ্টা আগে

রিভলবার সদৃশ বস্তু জব্দ, অভিযোগ না থাকায় কিশোরকে ছেড়ে দিল পুলিশ

কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।

১ দিন আগে

‘জানুয়ারির শুরুতেই সব বই পাবে শিক্ষার্থীরা’

তিনি বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারাই মূল শিক্ষা দেন। আর শিক্ষকদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমরা বরাবরই কাজ করেছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আমরা ১০ম গ্রেড দিয়েছি এবং সহকারী শিক্ষকদের আমরা ১১তম গ্রেড দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি সফল হবো।

১ দিন আগে