
রাজশাহী ব্যুরো

সরকারের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির কুপরামর্শে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার নির্বাচনের যে ডেটলাইন ঘোষণা করেছে, আমরা তা মেনে নিয়েছি এবং নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা জাতির সামনে বড় প্রশ্ন।
আজ রোববার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের শরিক ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করা—এমন পাঁচ দফা দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। দেশের সব বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে সমাবেশ করা হবে, যার প্রথম আয়োজন রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়।
গোলাম পরওয়ার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা কিছু ব্যক্তির কুপরামর্শে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টা ও ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানিয়েছি যে, একই দিনে দুটি ভোট হলে জটিলতা সৃষ্টি হবে, কিন্তু আমাদের দাবি মানা হয়নি। আমরা সরকারকে সংকটে ফেলতে চাই না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে কথা বলছি। এখনো সময় আছে—জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের তারিখ পরিবর্তন করুন। জনগণের ম্যান্ডেটকে নষ্ট করার কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না। জুলাই সনদের আলোকে আগে গণভোট, পরে সংসদ গঠিত হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি দল শুরু থেকেই সংস্কারের বিরুদ্ধে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আসছে। এখন জনতার চাপের মুখে তারা নিরুপায় হলেও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে—কীভাবে ভোট পেছানো যায়, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন করা যায় এবং সংস্কারের ধারাবাহিকতা ভাঙা যায়।
নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো তৈরি হয়নি। একটি দলের গোপন তৎপরতায় ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসিদের ইচ্ছেমতো বদলি করা হচ্ছে। প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প ও মিটিংয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন যদি এখনই এসব বন্ধ করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ৫৪ বছরে আমরা তিনটি দলকে ক্ষমতায় দেখেছি—তাদের শাসনকালে বাংলাদেশ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। তারা সন্ত্রাস, লুটপাট ও ভিন্নমত দমন করেছে। কারাগার, রিমান্ড, ক্রসফায়ার কিংবা ফাঁসির মঞ্চে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছে। আগামীর বাংলাদেশ হবে দুর্নীতিকে লালকার্ড দেখানোর বাংলাদেশ।
জোট সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, আমাদের আটদলীয় জোট আরও বড় হচ্ছে। বেশ কিছু রাজনৈতিক দল জোটে যোগ দিতে আবেদন করেছে। খুব শিগগিরই এই জোটের পরিধি বৃদ্ধি পাবে।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সরকারের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির কুপরামর্শে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার নির্বাচনের যে ডেটলাইন ঘোষণা করেছে, আমরা তা মেনে নিয়েছি এবং নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা জাতির সামনে বড় প্রশ্ন।
আজ রোববার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের শরিক ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করা—এমন পাঁচ দফা দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। দেশের সব বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে সমাবেশ করা হবে, যার প্রথম আয়োজন রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়।
গোলাম পরওয়ার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা কিছু ব্যক্তির কুপরামর্শে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টা ও ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানিয়েছি যে, একই দিনে দুটি ভোট হলে জটিলতা সৃষ্টি হবে, কিন্তু আমাদের দাবি মানা হয়নি। আমরা সরকারকে সংকটে ফেলতে চাই না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে কথা বলছি। এখনো সময় আছে—জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের তারিখ পরিবর্তন করুন। জনগণের ম্যান্ডেটকে নষ্ট করার কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না। জুলাই সনদের আলোকে আগে গণভোট, পরে সংসদ গঠিত হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি দল শুরু থেকেই সংস্কারের বিরুদ্ধে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আসছে। এখন জনতার চাপের মুখে তারা নিরুপায় হলেও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে—কীভাবে ভোট পেছানো যায়, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন করা যায় এবং সংস্কারের ধারাবাহিকতা ভাঙা যায়।
নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো তৈরি হয়নি। একটি দলের গোপন তৎপরতায় ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসিদের ইচ্ছেমতো বদলি করা হচ্ছে। প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প ও মিটিংয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন যদি এখনই এসব বন্ধ করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ৫৪ বছরে আমরা তিনটি দলকে ক্ষমতায় দেখেছি—তাদের শাসনকালে বাংলাদেশ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। তারা সন্ত্রাস, লুটপাট ও ভিন্নমত দমন করেছে। কারাগার, রিমান্ড, ক্রসফায়ার কিংবা ফাঁসির মঞ্চে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছে। আগামীর বাংলাদেশ হবে দুর্নীতিকে লালকার্ড দেখানোর বাংলাদেশ।
জোট সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, আমাদের আটদলীয় জোট আরও বড় হচ্ছে। বেশ কিছু রাজনৈতিক দল জোটে যোগ দিতে আবেদন করেছে। খুব শিগগিরই এই জোটের পরিধি বৃদ্ধি পাবে।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আন্দোলনকারীরা আরও জানান, তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত ফাইলটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু অযথা সময়ক্ষেপণ করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। দাবিদাওয়ার বিষয়টি সমাধান করা না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে বলে জানান।
৬ ঘণ্টা আগে
তারা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার আব্দুল জহিরের ছেলে আবুল আসাদ বাদল (৬২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকায় নাজির উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (১০০)।
৬ ঘণ্টা আগে
কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।
২১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারাই মূল শিক্ষা দেন। আর শিক্ষকদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমরা বরাবরই কাজ করেছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আমরা ১০ম গ্রেড দিয়েছি এবং সহকারী শিক্ষকদের আমরা ১১তম গ্রেড দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি সফল হবো।
২১ ঘণ্টা আগে