
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শিমুলতলা বাজারের রিভলবার সদৃশ বস্তুসহ এক কিশোরকে আটক করে পুলিশেসোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় অভিযোগ না থাকায় ওই কিশোরকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে কিশোরকে নান্দাইল মডেল থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে শিমুলতলা বাজারে সন্দেহজনকভাবে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল এক কিশোর (১৭)। স্থানীয় লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। সে তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।
জিজ্ঞাসাবাদের পর কিশোরটির ব্যাগ তল্লাশি করে কালো রঙের রিভলবার সদৃশ একটি বস্তু পাওয়া যায়।
উলুহাটি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রাতেই ওই কিশোরকে থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশ কিশোরটির পরিবারের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।
নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সম্রাজ মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে জব্দকৃত বস্তুটি 'খেলনা রিভলবার' বলে মনে হয়েছে। বস্তুটি জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে।
শনিবার সকালে ওই কিশোরের পরিবার নান্দাইল থানায় আসে। এ বিষয়ে কারও কোনো অভিযোগ ও আইনি জটিলতা না থাকায় পুলিশ ওই কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শিমুলতলা বাজারের রিভলবার সদৃশ বস্তুসহ এক কিশোরকে আটক করে পুলিশেসোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় অভিযোগ না থাকায় ওই কিশোরকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে কিশোরকে নান্দাইল মডেল থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে শিমুলতলা বাজারে সন্দেহজনকভাবে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল এক কিশোর (১৭)। স্থানীয় লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। সে তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।
জিজ্ঞাসাবাদের পর কিশোরটির ব্যাগ তল্লাশি করে কালো রঙের রিভলবার সদৃশ একটি বস্তু পাওয়া যায়।
উলুহাটি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রাতেই ওই কিশোরকে থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশ কিশোরটির পরিবারের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।
নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সম্রাজ মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে জব্দকৃত বস্তুটি 'খেলনা রিভলবার' বলে মনে হয়েছে। বস্তুটি জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে।
শনিবার সকালে ওই কিশোরের পরিবার নান্দাইল থানায় আসে। এ বিষয়ে কারও কোনো অভিযোগ ও আইনি জটিলতা না থাকায় পুলিশ ওই কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ নভেম্বর সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের এক সভায় আলতাফ চৌধুরীর বক্তব্যকে ঘিরে দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে ওঠে। জেলা বিএনপির দাবি—সভায় আলতাফ চৌধুরী জেলা নেতৃত্বকে উদ্দেশে ‘অশোভন ও দায়িত্বহীন’ মন্তব্য করেন।
১ দিন আগে
জেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরেই অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দল পুনর্গঠনের তেমন কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান না হলেও, পটুয়াখালী–১ আসনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় সেই পুরোনো বিরোধ আবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের যেসব নেতাকে আগে বহিষ্কার করা হয়েছিল, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
১ দিন আগে